বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৫ উদযাপনে তরুণদের ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৫:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • ৩২৮ বার পঠিত হয়েছে

আজ ১১ জুলাই, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৫। “একটি ন্যায্য এবং আশাবাদী পৃথিবীতে পছন্দের পরিবার গড়ে তুলতে তরুণদের ক্ষমতায়ন করা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে।

বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে দিবসটি।

এই দিবসটি প্রথম উদযাপিত হয় ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই, ৯০টি দেশে একযোগে। এরপর থেকে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও মানবাধিকারসহ টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো সামনে এনে এ দিবসটি পালন করে আসছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবারের দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বলেন, “এই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ইতিহাসের বৃহত্তম যুব প্রজন্মের সম্ভাবনা ও প্রতিশ্রুতিকে উদযাপন করছি। তারা শুধু ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে না, তারা এমন একটি ভবিষ্যৎ দাবি করছে, যা ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই।”

তিনি আরো বলেন, “আজকের তরুণেরা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, লিঙ্গ বৈষম্য, স্বাস্থ্যঝুঁকি, জলবায়ু সংকট ও সংঘাতের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করলেও তারা এগিয়ে যাচ্ছে সাহসিকতা ও সচেতনতা নিয়ে। তাদের নেতৃত্বে বিশ্ব দেখতে চায় এমন একটি সমাজ, যেখানে সকলের অধিকার রক্ষা পায় এবং সম্মানজনক ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।”

এদিন বিশেষ আলোচনায় উঠে আসে ১৯৯৪ সালের আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের সেই অঙ্গীকার, যেখানে প্রতিটি মানুষের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবারের প্রতিপাদ্য সেই অঙ্গীকারকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশে দিবসটি ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে র‍্যালি, সেমিনার, সচেতনতামূলক সভা ও যুব নেতৃত্ব বিষয়ক আলোচনা। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী প্রজন্মকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রজনন অধিকার সম্পর্কে সচেতন ও সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় অধিক জনসংখ্যা কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং একটি ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা। আর এই ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের ভূমিকা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় টার্গেট

দত্তপাড়ায় আরিফ মোল্লার বিশাল মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৫ উদযাপনে তরুণদের ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

প্রকাশ: ০৫:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

আজ ১১ জুলাই, বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ২০২৫। “একটি ন্যায্য এবং আশাবাদী পৃথিবীতে পছন্দের পরিবার গড়ে তুলতে তরুণদের ক্ষমতায়ন করা” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম চলছে।

বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে দিবসটি।

এই দিবসটি প্রথম উদযাপিত হয় ১৯৯০ সালের ১১ জুলাই, ৯০টি দেশে একযোগে। এরপর থেকে প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ জনসংখ্যা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবেশ ও মানবাধিকারসহ টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়গুলো সামনে এনে এ দিবসটি পালন করে আসছে।

জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবারের দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে বলেন, “এই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ইতিহাসের বৃহত্তম যুব প্রজন্মের সম্ভাবনা ও প্রতিশ্রুতিকে উদযাপন করছি। তারা শুধু ভবিষ্যৎ গড়ে তুলছে না, তারা এমন একটি ভবিষ্যৎ দাবি করছে, যা ন্যায়ভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই।”

তিনি আরো বলেন, “আজকের তরুণেরা অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, লিঙ্গ বৈষম্য, স্বাস্থ্যঝুঁকি, জলবায়ু সংকট ও সংঘাতের মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করলেও তারা এগিয়ে যাচ্ছে সাহসিকতা ও সচেতনতা নিয়ে। তাদের নেতৃত্বে বিশ্ব দেখতে চায় এমন একটি সমাজ, যেখানে সকলের অধিকার রক্ষা পায় এবং সম্মানজনক ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।”

এদিন বিশেষ আলোচনায় উঠে আসে ১৯৯৪ সালের আন্তর্জাতিক জনসংখ্যা ও উন্নয়ন সম্মেলনের সেই অঙ্গীকার, যেখানে প্রতিটি মানুষের তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবারের প্রতিপাদ্য সেই অঙ্গীকারকে পুনরায় স্মরণ করিয়ে দেয়।

বাংলাদেশে দিবসটি ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিগুলোর মধ্যে রয়েছে র‍্যালি, সেমিনার, সচেতনতামূলক সভা ও যুব নেতৃত্ব বিষয়ক আলোচনা। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী প্রজন্মকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রজনন অধিকার সম্পর্কে সচেতন ও সক্ষম করে তোলার লক্ষ্যেই নেওয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় অধিক জনসংখ্যা কেবল একটি পরিসংখ্যান নয়, বরং একটি ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা। আর এই ভবিষ্যৎ গঠনে তরুণদের ভূমিকা এখন আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।