সবুজ শাকসবজি: পালংশাক, বিট, ক্যাবেজ ও মুলা জাতীয় নাইট্রেট-সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান। এগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মুখের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।
পলিফেনল-যুক্ত খাবার: মধু ও গ্রিন টি বা লাল-চা পান করুন। এগুলোতে থাকা পলিফেনল দাঁতে প্লাক বা ময়লা জমতে দেয় না।
চিজ ও ফার্মেন্টেড খাবার: চিজ বা পনির খেলে মুখে লালা নিঃসরণ বাড়ে। এগুলো ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে। এ ছাড়া কেফির বা দইয়ের মতো ফার্মেন্টেড খাবার ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে।
কাঁচা রসুন চিবানো: রসুনে থাকা অ্যালিসিন নামের উপাদানটি মাড়ির রোগ ও ক্যাভিটি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে দারুণ কাজ করে।
সঠিকভাবে দাঁতের যত্ন: দিনে দুবার ব্রাশ করার পাশাপাশি নিয়মিত ফ্লসিং করুন এবং জিহ্বা পরিষ্কার রাখুন।
স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, শস্য দানাদার খাবার ও হেলদি ফ্যাট বেশি রাখুন।
অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়: সোডা, প্যাকেটজাত জুস, মিষ্টি ও ক্যান্ডি এড়িয়ে চলুন। এগুলো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে দাঁত ক্ষয় করে।
প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট: সাদা পাউরুটি, বিস্কুট, ক্র্যাকার্স ও কেক সীমিত করুন। এগুলো মুখে দ্রুত চিনিতে পরিণত হয়ে এনামেল নষ্ট করে।
অতিরিক্ত লাল মাংস: মাত্রাতিরিক্ত লাল মাংস খেলে তা মাড়ির রোগের জীবাণু বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।
অপ্রয়োজনীয় মাউথওয়াশের ব্যবহার: অ্যান্টিসেপটিক বা কড়া মাউথওয়াশ অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি মুখের দরকারি ও উপকারী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস হয়ে যায়।
কোনো স্পষ্ট রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বা জটিল এড়াতে আগেই রোগ শনাক্ত করার চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা হলো হেলথ স্ক্রিনিং। এটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
সঙ্গীর প্রাক্তনকে নিয়ে মনের ভেতর হীনম্মন্যতা, অনর্থক ভয় আর তীব্র আচ্ছন্নতা। এই বিষয়গুলো আধুনিক রোমান্টিক সম্পর্কের এক নীরব কিন্তু ধ্বংসাত্মক ব্যাধি। সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি জটিল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সঙ্গীর অতীত জীবন সম্পর্কে অতি কৌতূহল যখন মানসিক যন্ত্রণায় রূপ নেয়, মনোবিজ্ঞানের…
এমনটা প্রায় অনেকের হয়; পিরিয়ডের সময় বা তার কয়েক দিন আগে থেকে মিষ্টি, চকলেট বা আইসক্রিম খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা জাগে। যতবারই নিজেকে ভোলাতে চান, ঠিক ততবারই মনে হয় একটু মিষ্টিজাতীয় খাবার চেখে দেখলে মন্দ হতো না! প্রায় সব নারীই প্রতি মাসে বা জীবনের কোনো না কোনো সময়ে এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যান।
দৈনিক টার্গেট 
























