০৭:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার ও শ্রমের ন্যায্যমূল্য

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পঠিত হয়েছে

ইসলাম ধর্মে শ্রমকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক কাজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘মানুষের জন্য তা-ই রয়েছে, যার জন্য সে চেষ্টা করে।’ (সুরা নাজম: ৩৯)

এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে মানুষের প্রতিটি কর্ম ও প্রচেষ্টার স্বতন্ত্র মূল্য রয়েছে। তাই কোনো শ্রমিকের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রতিটি নিয়োগকর্তার নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শ্রমিকের মজুরি যথাসময়ে পরিশোধের ব্যাপারে অত্যন্ত কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘তিন শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে কিয়ামতের দিন আমি নিজেই বাদী হব। তাদের একজন হলো, যে কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করে তার কাছ থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে নেয়, অথচ তার মজুরি দেয় না।’ (সহিহ বুখারি: ২২২৭)

আরেকটি সুপরিচিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৪৪৩)

বর্তমানে বিভিন্ন পেশার মানুষ দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করেন। তাঁদের এক দিনের পারিশ্রমিক আটকে গেলে পুরো পরিবারে খাদ্য ও চিকিৎসার তীব্র সংকট তৈরি হয়। তাই নিয়োগকর্তার দায়িত্ব হলো কাজের শুরুতে মজুরি স্পষ্ট করা এবং সময়মতো তা পরিশোধ করা। অন্যদিকে শ্রমিকের দায়িত্ব হলো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করা। ইসলামি সমাজব্যবস্থায় মালিক ও শ্রমিক উভয়ের অধিকার সমভাবে সংরক্ষিত।

সুরা ফালাকের ফজিলত ও আমল

সুরা ফালাকের ফজিলত ও আমল

পবিত্র কোরআনের ১১৩তম সুরার নাম সুরা ফালাক। জাদুটোনা, শয়তানের প্ররোচনা, হিংসুকদের কুদৃষ্টি এবং যেকোনো বিপদের হাত থেকে আল্লাহর কাছে নিরাপদ আশ্রয় চাওয়ার জন্য সুরা ফালাক ও সুরা নাসের জুড়ি মেলা ভার। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিপদে-আপদে ও অসুস্থতায় নিয়মিত এই সুরা দুটির ওপর আমল করতেন।

আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

পরিবারের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কাছের মানুষদের ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধুদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম নিঃস্বার্থ, পরম সুহৃদ ও আন্তরিক বন্ধু হজরত আবু বকর (রা.)-কে নির্বাচন করেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.)…

সৌদি সরকারের অর্থায়নে ফ্রি ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

সৌদি সরকারের অর্থায়নে ফ্রি ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য পবিত্র ওমরাহ পালন করা বহুল প্রতীক্ষিত আকাঙ্ক্ষা। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা বা নানা আনুষঙ্গিক খরচের কারণে অনেকেরই সেই স্বপ্ন অধরা থেকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ধর্মপ্রেমী মানুষের জন্য এক চমৎকার সুযোগ নিয়ে এসেছে সৌদি সরকার।

জনপ্রিয় টার্গেট

ইসলামে শ্রমিকের অধিকার ও শ্রমের ন্যায্যমূল্য

প্রকাশ: ০৭:৩৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

ইসলাম ধর্মে শ্রমকে সর্বোচ্চ সম্মানজনক কাজ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘মানুষের জন্য তা-ই রয়েছে, যার জন্য সে চেষ্টা করে।’ (সুরা নাজম: ৩৯)

এই আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে মানুষের প্রতিটি কর্ম ও প্রচেষ্টার স্বতন্ত্র মূল্য রয়েছে। তাই কোনো শ্রমিকের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের যথাযথ মূল্যায়ন করা প্রতিটি নিয়োগকর্তার নৈতিক ও ধর্মীয় কর্তব্য।

প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) শ্রমিকের মজুরি যথাসময়ে পরিশোধের ব্যাপারে অত্যন্ত কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘তিন শ্রেণির মানুষের বিরুদ্ধে কিয়ামতের দিন আমি নিজেই বাদী হব। তাদের একজন হলো, যে কোনো শ্রমিককে কাজে নিয়োগ করে তার কাছ থেকে পূর্ণ কাজ আদায় করে নেয়, অথচ তার মজুরি দেয় না।’ (সহিহ বুখারি: ২২২৭)

আরেকটি সুপরিচিত হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘শ্রমিকের ঘাম শুকানোর আগেই তার মজুরি দিয়ে দাও।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ২৪৪৩)

বর্তমানে বিভিন্ন পেশার মানুষ দৈনিক মজুরির ওপর নির্ভর করে জীবনযাপন করেন। তাঁদের এক দিনের পারিশ্রমিক আটকে গেলে পুরো পরিবারে খাদ্য ও চিকিৎসার তীব্র সংকট তৈরি হয়। তাই নিয়োগকর্তার দায়িত্ব হলো কাজের শুরুতে মজুরি স্পষ্ট করা এবং সময়মতো তা পরিশোধ করা। অন্যদিকে শ্রমিকের দায়িত্ব হলো সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করা। ইসলামি সমাজব্যবস্থায় মালিক ও শ্রমিক উভয়ের অধিকার সমভাবে সংরক্ষিত।

সুরা ফালাকের ফজিলত ও আমল

সুরা ফালাকের ফজিলত ও আমল

পবিত্র কোরআনের ১১৩তম সুরার নাম সুরা ফালাক। জাদুটোনা, শয়তানের প্ররোচনা, হিংসুকদের কুদৃষ্টি এবং যেকোনো বিপদের হাত থেকে আল্লাহর কাছে নিরাপদ আশ্রয় চাওয়ার জন্য সুরা ফালাক ও সুরা নাসের জুড়ি মেলা ভার। প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বিপদে-আপদে ও অসুস্থতায় নিয়মিত এই সুরা দুটির ওপর আমল করতেন।

আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

আবু বকর (রা.) ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন যেভাবে

পরিবারের পর রাসুলুল্লাহ (সা.) নিজের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও কাছের মানুষদের ইসলামের পথে আহ্বান জানানোর সিদ্ধান্ত নেন। বন্ধুদের মধ্যে তিনি সর্বপ্রথম নিঃস্বার্থ, পরম সুহৃদ ও আন্তরিক বন্ধু হজরত আবু বকর (রা.)-কে নির্বাচন করেন। আল্লাহর রাসুল (সা.) ইসলাম গ্রহণের আহ্বান জানানোর সঙ্গে সঙ্গেই আবু বকর (রা.)…

সৌদি সরকারের অর্থায়নে ফ্রি ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

সৌদি সরকারের অর্থায়নে ফ্রি ওমরাহর সুযোগ, আবেদন করবেন যেভাবে

ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের জন্য পবিত্র ওমরাহ পালন করা বহুল প্রতীক্ষিত আকাঙ্ক্ষা। তবে আর্থিক সীমাবদ্ধতা বা নানা আনুষঙ্গিক খরচের কারণে অনেকেরই সেই স্বপ্ন অধরা থেকে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ধর্মপ্রেমী মানুষের জন্য এক চমৎকার সুযোগ নিয়ে এসেছে সৌদি সরকার।