চুপ থাকার ৫ উপকারিতা ও ফজিলত

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো, হয় সে ভালো কথা বলবে, না হয় চুপ থাকবে। অসংযত জিহ্বা মানুষের আমলনামাকে নষ্ট করে দেয়। তাই দুনিয়াবি ফেতনা থেকে বাঁচতে এবং পরকালে জান্নাত নিশ্চিত করতে জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ ও স্বল্পভাষী হওয়ার বিকল্প নেই।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশির ভাগ সময় নীরব থাকতেন। হাদিস শরিফে চুপ থাকাকে একটি বিশেষ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে চুপ থেকেছে, সে নাজাত পেয়েছে।’ (জামে তিরমিজি)। এ ছাড়া রাসুল (সা.) আরও ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি তার জবান ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের দায়িত্ব নেবে, আমি তার জান্নাতের জিম্মাদার হব।’ (সহিহ্ বুখারি)

১. পাপ থেকে সুরক্ষা: গিবত, পরনিন্দা, মিথ্যা এবং গালাগালের মতো ভয়াবহ গুনাহগুলো জিহ্বার মাধ্যমেই সংঘটিত হয়। চুপ থাকলে এসব থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়।

২. শয়তান থেকে দূরত্ব: রাসুল (সা.) হজরত আবু গিফারি (রা.)-কে বলেছেন, ‘তুমি চুপ থাকো, কেননা নীরবতা শয়তানকে দূরীভূত করে।’ (সুনানে বায়হাকি)

৩. আত্মিক শক্তি অর্জন: নীরবতা মানুষের মনে এমন এক আত্মিক শক্তি বা নুর তৈরি করে, যা অন্যান্য ইবাদত পালনে সহায়তা করে।

৪. মর্যাদা বৃদ্ধি: হাদিসে এসেছে, অপ্রয়োজনীয় কথা না বলে চুপ থাকা ৬০ বছরের (নফল) ইবাদতের চেয়েও উত্তম মর্যাদা বয়ে আনতে পারে।

৫. বুদ্ধিমত্তার পরিচয়: ইসলামি স্কলারদের মতে, বুদ্ধিমানের সৌন্দর্য হলো তার নীরবতা। কথা বলা যদি রুপার মতো হয়, তবে চুপ থাকা সোনার মতো।

তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

‘তাহাজ্জুদ’ শব্দের অর্থ নিদ্রা ত্যাগ করে জেগে ওঠা। পরিভাষায় এশার পর রাতের যেকোনো অংশে নফল নামাজ আদায় করাকেই তাহাজ্জুদ বলা হয়। তবে ঘুম থেকে উঠে রাতের শেষাংশে তাহাজ্জুদ আদায় করা সর্বোত্তম।
ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২১ অক্টোবর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২১ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম এবং মানবজাতির জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা। এই মহাগ্রন্থ মুখস্থ করা, বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা, অন্যকে শিক্ষা দেওয়া এবং এর অনুশাসন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। যিনি সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ করেন, তিনি ‘হাফেজুল কোরআন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

চুপ থাকার ৫ উপকারিতা ও ফজিলত

প্রকাশ: ০৯:০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো, হয় সে ভালো কথা বলবে, না হয় চুপ থাকবে। অসংযত জিহ্বা মানুষের আমলনামাকে নষ্ট করে দেয়। তাই দুনিয়াবি ফেতনা থেকে বাঁচতে এবং পরকালে জান্নাত নিশ্চিত করতে জিহ্বার নিয়ন্ত্রণ ও স্বল্পভাষী হওয়ার বিকল্প নেই।

রাসুলুল্লাহ (সা.) বেশির ভাগ সময় নীরব থাকতেন। হাদিস শরিফে চুপ থাকাকে একটি বিশেষ ইবাদত হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে চুপ থেকেছে, সে নাজাত পেয়েছে।’ (জামে তিরমিজি)। এ ছাড়া রাসুল (সা.) আরও ইরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি তার জবান ও লজ্জাস্থানের হেফাজতের দায়িত্ব নেবে, আমি তার জান্নাতের জিম্মাদার হব।’ (সহিহ্ বুখারি)

১. পাপ থেকে সুরক্ষা: গিবত, পরনিন্দা, মিথ্যা এবং গালাগালের মতো ভয়াবহ গুনাহগুলো জিহ্বার মাধ্যমেই সংঘটিত হয়। চুপ থাকলে এসব থেকে বেঁচে থাকা সহজ হয়।

২. শয়তান থেকে দূরত্ব: রাসুল (সা.) হজরত আবু গিফারি (রা.)-কে বলেছেন, ‘তুমি চুপ থাকো, কেননা নীরবতা শয়তানকে দূরীভূত করে।’ (সুনানে বায়হাকি)

৩. আত্মিক শক্তি অর্জন: নীরবতা মানুষের মনে এমন এক আত্মিক শক্তি বা নুর তৈরি করে, যা অন্যান্য ইবাদত পালনে সহায়তা করে।

৪. মর্যাদা বৃদ্ধি: হাদিসে এসেছে, অপ্রয়োজনীয় কথা না বলে চুপ থাকা ৬০ বছরের (নফল) ইবাদতের চেয়েও উত্তম মর্যাদা বয়ে আনতে পারে।

৫. বুদ্ধিমত্তার পরিচয়: ইসলামি স্কলারদের মতে, বুদ্ধিমানের সৌন্দর্য হলো তার নীরবতা। কথা বলা যদি রুপার মতো হয়, তবে চুপ থাকা সোনার মতো।

তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

‘তাহাজ্জুদ’ শব্দের অর্থ নিদ্রা ত্যাগ করে জেগে ওঠা। পরিভাষায় এশার পর রাতের যেকোনো অংশে নফল নামাজ আদায় করাকেই তাহাজ্জুদ বলা হয়। তবে ঘুম থেকে উঠে রাতের শেষাংশে তাহাজ্জুদ আদায় করা সর্বোত্তম।
ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)।

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২১ অক্টোবর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২১ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম এবং মানবজাতির জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা। এই মহাগ্রন্থ মুখস্থ করা, বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা, অন্যকে শিক্ষা দেওয়া এবং এর অনুশাসন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। যিনি সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ করেন, তিনি ‘হাফেজুল কোরআন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।