তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)। রাসুলুল্লাহ (সা.) কঠোর অসুস্থতা বা ক্লান্তির সময়েও কখনো তাহাজ্জুদ ছাড়তেন না। (সুনানে আবু দাউদ: ১৩০৭)।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রাতে রবের উদ্দেশ্যে শয্যা ত্যাগের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘তাদের পার্শ্বদেশ শয্যা থেকে পৃথক থাকে; তারা আপন রবকে ডাকে ভয় ও আশার সঙ্গে।’ (সুরা সাজদাহ: ১৬)। এ ছাড়া শেষ রাতে মহান আল্লাহ নিকটবর্তী আসমানে নাজিল হয়ে বান্দার দোয়া ও ইস্তিগফার কবুল করেন। (সহিহ বুখারি: ১১৪৫)অনেকের জন্য শেষ রাতে জেগে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে।

১. কায়লুলা বা দুপুরে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়া: দিনের বেলা সামান্য সময় ঘুমালে রাতে জেগে ইবাদত করা সহজ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা দুপুরে কিছু সময় ঘুমিয়ে রাতের নামাজের জন্য শক্তি ও সহজতা অর্জন করো।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯৩)

২. এশার পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া: এশার নামাজের পর অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলে দ্রুত শুয়ে পড়ার অভ্যাস করা উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পর অহেতুক আড্ডা বা গল্পগুজব করা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি: ৫৬৮)

৩. বিকল্প সহজ উপায়: যদি শেষ রাতে ওঠা সম্ভব না হওয়ার আশঙ্কাই থাকে, তবে এশার ফরজ ও বিতরের পর দুই বা চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করে নেওয়া যায়। এতেও তাহাজ্জুদের সওয়াব হাসিল হবে। (শরহু মাআনিল আছার: ২০১১)

তাহাজ্জুদের সর্বনিম্ন রাকাত সংখ্যা দুই এবং সর্বোচ্চ ১২। নবীজি (সা.) সাধারণত আট রাকাত আদায় করতেন। আল্লাহ আমাদের নিয়মিত তাহাজ্জুদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

লেখক: শিক্ষাসচিব, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম বাগে জান্নাত, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম এবং মানবজাতির জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা। এই মহাগ্রন্থ মুখস্থ করা, বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা, অন্যকে শিক্ষা দেওয়া এবং এর অনুশাসন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। যিনি সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ করেন, তিনি ‘হাফেজুল কোরআন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ (সুরা রাদ: ২৮)
দৈনন্দিন জীবনে নিয়ম মেনে নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, মাসনুন দোয়া ও জিকির মুমিনের মনে অনাবিল প্রশান্তি এনে দেয়। যেকোনো সংকট বা কঠিন পরিস্থিতিতে হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণের নির্দেশনা রয়েছে…

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২০ অক্টোবর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২০ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।

জনপ্রিয় টার্গেট

তাহাজ্জুদের জন্য শেষ রাতে জাগ্রত হওয়ার সহজ পদ্ধতি

প্রকাশ: ০৭:২৪:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ নামাজ হলো তাহাজ্জুদ। (সহিহ মুসলিম: ১১৬৩)। রাসুলুল্লাহ (সা.) কঠোর অসুস্থতা বা ক্লান্তির সময়েও কখনো তাহাজ্জুদ ছাড়তেন না। (সুনানে আবু দাউদ: ১৩০৭)।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা রাতে রবের উদ্দেশ্যে শয্যা ত্যাগের প্রশংসা করে বলেছেন, ‘তাদের পার্শ্বদেশ শয্যা থেকে পৃথক থাকে; তারা আপন রবকে ডাকে ভয় ও আশার সঙ্গে।’ (সুরা সাজদাহ: ১৬)। এ ছাড়া শেষ রাতে মহান আল্লাহ নিকটবর্তী আসমানে নাজিল হয়ে বান্দার দোয়া ও ইস্তিগফার কবুল করেন। (সহিহ বুখারি: ১১৪৫)অনেকের জন্য শেষ রাতে জেগে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে।

১. কায়লুলা বা দুপুরে কিছুটা ঘুমিয়ে নেওয়া: দিনের বেলা সামান্য সময় ঘুমালে রাতে জেগে ইবাদত করা সহজ হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তোমরা দুপুরে কিছু সময় ঘুমিয়ে রাতের নামাজের জন্য শক্তি ও সহজতা অর্জন করো।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ: ১৬৯৩)

২. এশার পর দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া: এশার নামাজের পর অপ্রয়োজনীয় কথাবার্তা না বলে দ্রুত শুয়ে পড়ার অভ্যাস করা উচিত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এশার আগে ঘুমানো এবং এশার পর অহেতুক আড্ডা বা গল্পগুজব করা অপছন্দ করতেন। (সহিহ বুখারি: ৫৬৮)

৩. বিকল্প সহজ উপায়: যদি শেষ রাতে ওঠা সম্ভব না হওয়ার আশঙ্কাই থাকে, তবে এশার ফরজ ও বিতরের পর দুই বা চার রাকাত নফল নামাজ আদায় করে নেওয়া যায়। এতেও তাহাজ্জুদের সওয়াব হাসিল হবে। (শরহু মাআনিল আছার: ২০১১)

তাহাজ্জুদের সর্বনিম্ন রাকাত সংখ্যা দুই এবং সর্বোচ্চ ১২। নবীজি (সা.) সাধারণত আট রাকাত আদায় করতেন। আল্লাহ আমাদের নিয়মিত তাহাজ্জুদের আমল করার তাওফিক দান করুন।

লেখক: শিক্ষাসচিব, জামিয়া আরাবিয়া দারুল উলুম বাগে জান্নাত, চাষাড়া, নারায়ণগঞ্জ।

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

কোরআনের হাফেজের মর্যাদা, দায়িত্ব ও করণীয়

পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম এবং মানবজাতির জন্য হিদায়াতের আলোকবর্তিকা। এই মহাগ্রন্থ মুখস্থ করা, বিশুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা, অন্যকে শিক্ষা দেওয়া এবং এর অনুশাসন অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা অত্যন্ত বরকতময় ও ফজিলতপূর্ণ কাজ। যিনি সম্পূর্ণ কোরআন হিফজ করেন, তিনি ‘হাফেজুল কোরআন’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।

মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ (সুরা রাদ: ২৮)
দৈনন্দিন জীবনে নিয়ম মেনে নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, মাসনুন দোয়া ও জিকির মুমিনের মনে অনাবিল প্রশান্তি এনে দেয়। যেকোনো সংকট বা কঠিন পরিস্থিতিতে হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণের নির্দেশনা রয়েছে…

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২০ অক্টোবর ২০২৬

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২০ অক্টোবর ২০২৬

একজন মুমিনের জন্য নামাজ হলো আধ্যাত্মিক প্রশান্তি ও জীবনের বরকত লাভের সর্বোত্তম মাধ্যম। প্রতিদিন সময়মতো নামাজ আদায় করা প্রতিটি মুসলমানের ওপর ফরজ। নিচে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য আজকের নামাজের সময়সূচি তুলে ধরা হলো।