নবীপ্রেম: মুমিনের জীবনের আলোকবর্তিকা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

একজন খাঁটি মুমিনের কাছে প্রিয় নবী (সা.) তাঁর নিজের জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও পৃথিবীর সমস্ত মানুষের চেয়েও অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

নবীপ্রেমের প্রকৃত সৌন্দর্য ও সার্থকতা প্রকাশ পায় তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার অনুসরণ করো; তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুরা আলে ইমরান: ৩১)। অর্থাৎ, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা অর্জনের একমাত্র মাধ্যম হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ভালোবেসে আঁকড়ে ধরা।

রাসুল (সা.) ছিলেন সত্যবাদিতা, আমানতদারি, দয়া, ক্ষমা, চরম বিনয় ও ন্যায়পরায়ণতার এক শাশ্বত প্রতীক। তিনি কঠিন শত্রুকেও পরম মমতায় ক্ষমা করেছেন, এতিম-অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সমাজে মানুষের প্রকৃত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তাই নবীপ্রেম মানে শুধু মুখে স্লোগান দেওয়া বা নাম শুনে আবেগাপ্লুত হওয়া নয়; বরং তাঁর সুমহান চরিত্রকে নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে রূপ দেওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব: ২১)

অন্যত্র রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করো এবং তাঁকে সালাম জানাও।’ (সুরা আহজাব: ৫৬)

মুখের ভালোবাসার দাবিকে আমরা কর্মে পরিণত করি; জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহকে অনুসরণ করি। কারণ, সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ জীবন গঠনই হলো নবীপ্রেমের শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃত পরিচয়।

সুরা ফাতিহার গুরুত্ব, অর্থ ও ফজিলত

সুরা ফাতিহার গুরুত্ব, অর্থ ও ফজিলত

সুরা ফাতিহা (سورة الفاتحة) কোরআনের সর্বাধিক পঠিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সুরা। ফাতিহা শব্দের অর্থ ‘উদ্বোধন’ বা ‘শুরু’। এই সুরাটি পূর্ণাঙ্গভাবে মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। নামাজে এই সুরা পাঠ করা বাধ্যতামূলক, তাই একে ‘উম্মুল কোরআন’ বা কোরআনের মা বলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সুরার মূল বিষয়বস্তু হলো…

সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল

সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল

পবিত্র কোরআনের অন্যতম ছোট ও তাৎপর্যপূর্ণ সুরা হলো সুরা ইখলাস। মাত্র চার আয়াতবিশিষ্ট এই সুরাটির অন্তর্নিহিত ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামি শিক্ষার আলোকে এই সুরার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ (তাওহিদ), অদ্বিতীয়তা ও অনন্য মহিমা সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

হজ থেকে ফিরে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার উপায়

হজ থেকে ফিরে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার উপায়

হজ মুমিনের জীবনে একবারই ফরজ হয়। তাও কেবল দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকার শর্তে। ফলে যাঁরা হজ পালনের সুযোগ পান, তাঁরা প্রকৃত অর্থেই ভাগ্যবান। হজ হাজিদের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে। আল্লাহর প্রেমে সিক্ত হয়ে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার শপথ নেন তাঁরা।

জনপ্রিয় টার্গেট

রেলওয়েতে টিকিট জালিয়াতি

নবীপ্রেম: মুমিনের জীবনের আলোকবর্তিকা

প্রকাশ: ০৮:০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

একজন খাঁটি মুমিনের কাছে প্রিয় নবী (সা.) তাঁর নিজের জীবনের চেয়েও বেশি প্রিয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও পৃথিবীর সমস্ত মানুষের চেয়েও অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম)

নবীপ্রেমের প্রকৃত সৌন্দর্য ও সার্থকতা প্রকাশ পায় তাঁর সুন্নাহ অনুসরণের মাধ্যমে।

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘বলুন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসো, তবে আমার অনুসরণ করো; তাহলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।’ (সুরা আলে ইমরান: ৩১)। অর্থাৎ, আল্লাহর সন্তুষ্টি ও ভালোবাসা অর্জনের একমাত্র মাধ্যম হলো রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহ ভালোবেসে আঁকড়ে ধরা।

রাসুল (সা.) ছিলেন সত্যবাদিতা, আমানতদারি, দয়া, ক্ষমা, চরম বিনয় ও ন্যায়পরায়ণতার এক শাশ্বত প্রতীক। তিনি কঠিন শত্রুকেও পরম মমতায় ক্ষমা করেছেন, এতিম-অসহায়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন এবং সমাজে মানুষের প্রকৃত মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন।

তাই নবীপ্রেম মানে শুধু মুখে স্লোগান দেওয়া বা নাম শুনে আবেগাপ্লুত হওয়া নয়; বরং তাঁর সুমহান চরিত্রকে নিজের ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে রূপ দেওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।’ (সুরা আহজাব: ২১)

অন্যত্র রাসুল (সা.)-এর প্রতি দরুদ ও সালাম পেশ করার নির্দেশ দিয়ে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ও তাঁর ফেরেশতাগণ নবীর ওপর দরুদ পাঠ করেন। হে মুমিনগণ, তোমরাও তাঁর ওপর দরুদ পাঠ করো এবং তাঁকে সালাম জানাও।’ (সুরা আহজাব: ৫৬)

মুখের ভালোবাসার দাবিকে আমরা কর্মে পরিণত করি; জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নাহকে অনুসরণ করি। কারণ, সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ জীবন গঠনই হলো নবীপ্রেমের শ্রেষ্ঠ ও প্রকৃত পরিচয়।

সুরা ফাতিহার গুরুত্ব, অর্থ ও ফজিলত

সুরা ফাতিহার গুরুত্ব, অর্থ ও ফজিলত

সুরা ফাতিহা (سورة الفاتحة) কোরআনের সর্বাধিক পঠিত এবং গুরুত্বপূর্ণ সুরা। ফাতিহা শব্দের অর্থ ‘উদ্বোধন’ বা ‘শুরু’। এই সুরাটি পূর্ণাঙ্গভাবে মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে। নামাজে এই সুরা পাঠ করা বাধ্যতামূলক, তাই একে ‘উম্মুল কোরআন’ বা কোরআনের মা বলা হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সুরার মূল বিষয়বস্তু হলো…

সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল

সুরা ইখলাস পড়ার ফজিলত ও আমল

পবিত্র কোরআনের অন্যতম ছোট ও তাৎপর্যপূর্ণ সুরা হলো সুরা ইখলাস। মাত্র চার আয়াতবিশিষ্ট এই সুরাটির অন্তর্নিহিত ফজিলত ও গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলামি শিক্ষার আলোকে এই সুরার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার একত্ববাদ (তাওহিদ), অদ্বিতীয়তা ও অনন্য মহিমা সুস্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

হজ থেকে ফিরে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার উপায়

হজ থেকে ফিরে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার উপায়

হজ মুমিনের জীবনে একবারই ফরজ হয়। তাও কেবল দৈহিক ও আর্থিক সামর্থ্য থাকার শর্তে। ফলে যাঁরা হজ পালনের সুযোগ পান, তাঁরা প্রকৃত অর্থেই ভাগ্যবান। হজ হাজিদের জীবনে আমূল পরিবর্তন আনে। আল্লাহর প্রেমে সিক্ত হয়ে গুনাহমুক্ত জীবন গড়ার শপথ নেন তাঁরা।