মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার পঠিত হয়েছে

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ (সুরা রাদ: ২৮)

দৈনন্দিন জীবনে নিয়ম মেনে নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, মাসনুন দোয়া ও জিকির মুমিনের মনে অনাবিল প্রশান্তি এনে দেয়। যেকোনো সংকট বা কঠিন পরিস্থিতিতে হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণের নির্দেশনা রয়েছে কোরআনে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা বাকারা: ১৫৩)

তাই বিপদে ধৈর্য ধারণ করার পাশাপাশি ইসলামি নীতি অনুযায়ী সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

মানসিক কষ্টে থাকা মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখানো পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া কোনো ব্যক্তির কথা মনোযোগ দিয়ে ও ধীরস্থিরভাবে শুনতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে সহায়তা করতে হবে।

মনে রাখা প্রয়োজন, মানসিক সমস্যা বা অবসাদকে কেবল ‘ইমানের দুর্বলতা’ মনে করা মোটেও সঠিক নয়। ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণের পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসাসেবা ও থেরাপি নেওয়া সুন্নাহসম্মত এবং প্রয়োজন।

আমাদের সামাজিক অঙ্গীকার হোক—মানসিক কষ্টে থাকা কাউকে অবহেলা না করে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো, দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো এবং সহমর্মিতাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা।

নির্দোষ মানুষ হত্যার শাস্তি সম্পর্কে কোরআন যা বলেছে

নির্দোষ মানুষ হত্যার শাস্তি সম্পর্কে কোরআন যা বলেছে

মানবজীবনে জীবনই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এই জীবনকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে এক ভয়াবহ ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। ইসলাম শান্তির ধর্ম; মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মান রক্ষাই এর অন্যতম লক্ষ্য। তাই কোনো নির্দোষ প্রাণ হরণ করা ইসলামে কেবল নিষিদ্ধই নয়, বরং একে মানবতার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে…

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর ফজিলত

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর ফজিলত

কেউ পেটভরে খাবে আর পাশে থাকা প্রতিবেশী না খেয়ে থাকবে—ইসলাম এমন বৈষম্য সমর্থন করে না। সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষুধার্ত ও অভাবগ্রস্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া ইসলামে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ।

জনপ্রিয় টার্গেট

মানসিক প্রশান্তিতে ইসলামের দিকনির্দেশনা

প্রকাশ: ০৭:৫৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘জেনে রেখো, আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।’ (সুরা রাদ: ২৮)

দৈনন্দিন জীবনে নিয়ম মেনে নামাজ আদায়, কোরআন তিলাওয়াত, মাসনুন দোয়া ও জিকির মুমিনের মনে অনাবিল প্রশান্তি এনে দেয়। যেকোনো সংকট বা কঠিন পরিস্থিতিতে হতাশাগ্রস্ত না হয়ে ধৈর্য ধারণের নির্দেশনা রয়েছে কোরআনে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা বাকারা: ১৫৩)

তাই বিপদে ধৈর্য ধারণ করার পাশাপাশি ইসলামি নীতি অনুযায়ী সাধ্যমতো সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।

মানসিক কষ্টে থাকা মানুষের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখানো পরিবার ও সমাজের দায়িত্ব। মানসিকভাবে ভেঙে পড়া কোনো ব্যক্তির কথা মনোযোগ দিয়ে ও ধীরস্থিরভাবে শুনতে হবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তাকে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে সহায়তা করতে হবে।

মনে রাখা প্রয়োজন, মানসিক সমস্যা বা অবসাদকে কেবল ‘ইমানের দুর্বলতা’ মনে করা মোটেও সঠিক নয়। ধর্মীয় অনুশাসন অনুসরণের পাশাপাশি সঠিক চিকিৎসাসেবা ও থেরাপি নেওয়া সুন্নাহসম্মত এবং প্রয়োজন।

আমাদের সামাজিক অঙ্গীকার হোক—মানসিক কষ্টে থাকা কাউকে অবহেলা না করে তাঁদের পাশে দাঁড়ানো, দৃষ্টিভঙ্গি বদলানো এবং সহমর্মিতাপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা।

নির্দোষ মানুষ হত্যার শাস্তি সম্পর্কে কোরআন যা বলেছে

নির্দোষ মানুষ হত্যার শাস্তি সম্পর্কে কোরআন যা বলেছে

মানবজীবনে জীবনই সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। এই জীবনকে অন্যায়ভাবে কেড়ে নেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে এক ভয়াবহ ও ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ। ইসলাম শান্তির ধর্ম; মানুষের জীবন, সম্পদ ও সম্মান রক্ষাই এর অন্যতম লক্ষ্য। তাই কোনো নির্দোষ প্রাণ হরণ করা ইসলামে কেবল নিষিদ্ধই নয়, বরং একে মানবতার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য অপরাধ হিসেবে…

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর ফজিলত

ক্ষুধার্তকে খাবার খাওয়ানোর ফজিলত

কেউ পেটভরে খাবে আর পাশে থাকা প্রতিবেশী না খেয়ে থাকবে—ইসলাম এমন বৈষম্য সমর্থন করে না। সামর্থ্য অনুযায়ী ক্ষুধার্ত ও অভাবগ্রস্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দেওয়া ইসলামে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সওয়াবের কাজ।