শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৪ বার পঠিত হয়েছে

এখানেই তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাজ্য সরকার সরাসরি প্রোটেস্ট গ্রুপ ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের কারখানায় ঢুকে ভাঙচুর ও লাল রং ছিটানোর প্রতিবাদী কৌশলের সঙ্গে জড়িত এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার পর যুক্তরাজ্য কঠোর সন্ত্রাসবাদ আইন প্রণয়ন করে। আয়ারল্যান্ডে সংগঠনটি বৈধ হলেও রুনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, তাঁর বই ও বিবিসির সিরিজ থেকে পাওয়া রয়্যালটি তিনি এই সংস্থাকেই দেবেন। আইন অনুযায়ী, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের কাজে যেতে পারে এমন কোনো ব্যক্তিকে অর্থ বা রয়্যালটি পাঠানো যুক্তরাজ্যে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

এর শাস্তি হতে পারে ১৪ বছরের কারাদণ্ড। ফলে প্রকাশনা সংস্থা ‘ফেবার অ্যান্ড ফেবার’ আইনি বাধ্যবাধকতার মুখে পড়ে। লেখককে তাঁর প্রাপ্য সম্মানী বা আয় না দিয়ে বই বিক্রি চালিয়ে যাওয়া প্রকাশকের কাছে সম্পূর্ণ বিবেকবিরুদ্ধ মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোনো সরকারি বা আদালতের সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আদেশে নয়, এই আইনি বেড়াজালের কারণেই প্রকাশক ও লেখক উভয়ের সমঝোতায় যুক্তরাজ্যে রুনির বইয়ের সমস্ত নতুন সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দোকানে থাকা শেষ কপিগুলো বিক্রি হওয়ার পর ব্রিটিশ বাজারে আর মিলবে না তাঁর কোনো বই।

বিশ্বের কোটি কোটি পাঠকের হৃদয় জয় করা একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিকের বই বন্ধ হওয়া নতুন নয়। তবে কেবল রাজনৈতিক মতাদর্শ ও কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্যাঁচে পড়ে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই ঘটনাটি বর্তমান বিশ্বের বাক্‌স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির ওপর এক নজিরবিহীন আঘাত। স্যালি রুনির উপন্যাসের চরিত্ররা সমাজের প্রচলিত কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তেমনি তাঁর নিজের বাস্তবজীবনও আজ রাষ্ট্রীয় আইনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক গভীর ও জটিল প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ইনডিপেনডেন্ট, ডেডলাইন, ভোগ

শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি

শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থায় বাবাকে শিশুর স্বাভাবিক অভিভাবক হিসেবে বিবেচনা করার ফলে অনেক ক্ষেত্রে শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারী মা স্কুলে ভর্তি, জরুরি চিকিৎসা কিংবা বিদেশভ্রমণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সন্তানের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে ও প্রয়োজনীয় নথিতে সই করতে সমস্যার মুখে পড়েন। শিশুর সর্বোত্তম স্ব

শখে শেখা দরজির কাজেই শিল্পীর দিনবদল

শখে শেখা দরজির কাজেই শিল্পীর দিনবদল

জীবনসংগ্রামে ঘুরে দাঁড়ানো এক নারী শিল্পী বেগম। শখের বশে শেখা দরজির কাজে তাঁর সুদিন ফিরেছে। দূর হয়েছে ভাতের কষ্ট, গড়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। শিল্পী এখন নারীদের কাজের সুযোগ তৈরির জন্য দরজির কাজ শিখিয়ে চলেছেন।

জনপ্রিয় টার্গেট

শেষ কপি বিক্রি শেষেই যুক্তরাজ্যে আর মিলবে না রুনির বই

প্রকাশ: ০৮:০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

এখানেই তৈরি হয়েছে আইনি জটিলতা। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাজ্য সরকার সরাসরি প্রোটেস্ট গ্রুপ ‘প্যালেস্টাইন অ্যাকশন’কে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ইসরায়েলি অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের কারখানায় ঢুকে ভাঙচুর ও লাল রং ছিটানোর প্রতিবাদী কৌশলের সঙ্গে জড়িত এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করার পর যুক্তরাজ্য কঠোর সন্ত্রাসবাদ আইন প্রণয়ন করে। আয়ারল্যান্ডে সংগঠনটি বৈধ হলেও রুনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন, তাঁর বই ও বিবিসির সিরিজ থেকে পাওয়া রয়্যালটি তিনি এই সংস্থাকেই দেবেন। আইন অনুযায়ী, কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের কাজে যেতে পারে এমন কোনো ব্যক্তিকে অর্থ বা রয়্যালটি পাঠানো যুক্তরাজ্যে গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

এর শাস্তি হতে পারে ১৪ বছরের কারাদণ্ড। ফলে প্রকাশনা সংস্থা ‘ফেবার অ্যান্ড ফেবার’ আইনি বাধ্যবাধকতার মুখে পড়ে। লেখককে তাঁর প্রাপ্য সম্মানী বা আয় না দিয়ে বই বিক্রি চালিয়ে যাওয়া প্রকাশকের কাছে সম্পূর্ণ বিবেকবিরুদ্ধ মনে হয়েছে। শেষ পর্যন্ত কোনো সরকারি বা আদালতের সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আদেশে নয়, এই আইনি বেড়াজালের কারণেই প্রকাশক ও লেখক উভয়ের সমঝোতায় যুক্তরাজ্যে রুনির বইয়ের সমস্ত নতুন সরবরাহ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দোকানে থাকা শেষ কপিগুলো বিক্রি হওয়ার পর ব্রিটিশ বাজারে আর মিলবে না তাঁর কোনো বই।

বিশ্বের কোটি কোটি পাঠকের হৃদয় জয় করা একজন জনপ্রিয় সাহিত্যিকের বই বন্ধ হওয়া নতুন নয়। তবে কেবল রাজনৈতিক মতাদর্শ ও কঠোর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের প্যাঁচে পড়ে প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার এই ঘটনাটি বর্তমান বিশ্বের বাক্‌স্বাধীনতা ও সংস্কৃতির ওপর এক নজিরবিহীন আঘাত। স্যালি রুনির উপন্যাসের চরিত্ররা সমাজের প্রচলিত কাঠামোর সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। তেমনি তাঁর নিজের বাস্তবজীবনও আজ রাষ্ট্রীয় আইনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এক গভীর ও জটিল প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, ইনডিপেনডেন্ট, ডেডলাইন, ভোগ

শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি

শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি

বাংলাদেশে প্রচলিত আইনি ব্যবস্থায় বাবাকে শিশুর স্বাভাবিক অভিভাবক হিসেবে বিবেচনা করার ফলে অনেক ক্ষেত্রে শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারী মা স্কুলে ভর্তি, জরুরি চিকিৎসা কিংবা বিদেশভ্রমণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সন্তানের পক্ষে সিদ্ধান্ত নিতে ও প্রয়োজনীয় নথিতে সই করতে সমস্যার মুখে পড়েন। শিশুর সর্বোত্তম স্ব

শখে শেখা দরজির কাজেই শিল্পীর দিনবদল

শখে শেখা দরজির কাজেই শিল্পীর দিনবদল

জীবনসংগ্রামে ঘুরে দাঁড়ানো এক নারী শিল্পী বেগম। শখের বশে শেখা দরজির কাজে তাঁর সুদিন ফিরেছে। দূর হয়েছে ভাতের কষ্ট, গড়েছেন মাথা গোঁজার ঠাঁই। শিল্পী এখন নারীদের কাজের সুযোগ তৈরির জন্য দরজির কাজ শিখিয়ে চলেছেন।