বুধবার (২১ অক্টোবর) রাতে সাদুল্লাপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রেখা রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে বিকেলে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তারা মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।
তারা মিয়া উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের নছিম উদ্দিনের ছেলে। গতকাল বুধবার দুপুরে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব কিশামত হামিদ সর্বজনীন দুর্গামণ্ডপে দায়িত্ব পালনকালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।
মণ্ডপে নিয়োজিত গ্রাম পুলিশ সদস্য চিত্ত রঞ্জন জানান, তারা মিয়া ও তিনি একসঙ্গে মণ্ডপের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন। বুধবার দুপুরে প্রাকৃতিক প্রয়োজনে মন্দিরের পাশের শৌচাগারে যাওয়ার সময় তারা মিয়া হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে স্থানীয় এক পল্লিচিকিৎসকের কাছে নেওয়া হলে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
সাদুল্লাপুর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা রেখা রায় বলেন, অসুস্থ তারা মিয়াকে প্রথমে অ্যাম্বুলেন্সে করে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকেরা উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেন। তবে রংপুরে নেওয়ার পথে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হলে দ্রুত পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রেখা রায় আরও বলেন, চিকিৎসকদের ধারণা, তারা মিয়া হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম হাবিবুল ইসলাম বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের সদস্যরা তারা মিয়ার মরদেহ বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
এর আগে গত রোববার (১৮ অক্টোবর) উপজেলার দামোদরপুর ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ি সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে দায়িত্ব পালনকালে পারভীন বেগম (৪৬) নামের এক নারী আনসার সদস্য অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাঁকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। পারভীন বেগম ওই ইউনিয়নের কিশামত বড়বাড়ি গ্রামের মফিজল হকের মেয়ে।

দৈনিক টার্গেট 

























