ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাছ শিকারি আলী আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মনির মিয়াকে কসবা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ; পলাতক অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত।

মাছ শিকারি হত্যা: মূল আসামি গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতদের হামলায় নিহত মাছ শিকারি আলী আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. মনির মিয়াকে গ্রেফতার করেছে বিজয়নগর থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া মনির মিয়া (৩৫) উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের চাওড়াখলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কয়েকটি গ্রেফতারি পরোয়ানাও বিচারাধীন রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আলী আহমদ মাছ ধরতে গেলে একদল দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। গত ২৬ জুলাই রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম এলাকা থেকে মনির মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘ সময় নজরদারি চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হন।

বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ভূমিকা এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত উদ্ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাছ শিকারি আলী আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মনির মিয়াকে কসবা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ; পলাতক অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত।

মাছ শিকারি হত্যা: মূল আসামি গ্রেফতার

প্রকাশ: ০৯:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলায় মাছ ধরতে গিয়ে ডাকাতদের হামলায় নিহত মাছ শিকারি আলী আহমদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো. মনির মিয়াকে গ্রেফতার করেছে বিজয়নগর থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকার পর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে তাকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে এবং পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গ্রেফতার হওয়া মনির মিয়া (৩৫) উপজেলার পত্তন ইউনিয়নের চাওড়াখলা গ্রামের বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি ও অন্যান্য অপরাধসহ একাধিক মামলা রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে কয়েকটি গ্রেফতারি পরোয়ানাও বিচারাধীন রয়েছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে।

তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৭ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আলী আহমদ মাছ ধরতে গেলে একদল দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও শেষ পর্যন্ত তিনি মারা যান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজয়নগর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার পর থেকেই প্রধান আসামি আত্মগোপনে চলে যান এবং বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান পরিবর্তন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়ানোর চেষ্টা করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিজয়নগর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল অভিযান পরিচালনা করে। গত ২৬ জুলাই রাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার মূলগ্রাম এলাকা থেকে মনির মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যরা দীর্ঘ সময় নজরদারি চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হন।

বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আহসান উল্লাহ বলেন, হত্যা মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও পুলিশের ধারাবাহিক অভিযান ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। মামলায় এজাহারভুক্ত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেফতারেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দের প্রস্তুতি চলছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের ভূমিকা এবং পুরো ঘটনার বিস্তারিত উদ্ঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।