ইসরাইলের রাজধানী তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনী শুক্রবার (২২ আগস্ট) হামলা চালিয়েছে। এটি নিয়ে ইয়েমেনি বাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি দাবি করেন, হামলায় ‘ফিলিস্তিন ২’ নামে একটি হাইপারসনিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। সারির কথায়, এই ক্ষেপণাস্ত্র ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করতে সক্ষম হয়েছে এবং লক্ষ্যবস্তুতে সঠিকভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
ইয়াহিয়া সারি আরো বলেন, এই হামলার ফলে ইসরাইলের লাখ লাখ নাগরিককে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হতে হয়েছে এবং বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কার্যক্রম অনেকটাই ব্যাহত হয়েছে। তিনি হাইলাইট করেছেন, এই অভিযানটি ফিলিস্তিনিদের প্রতি সমর্থন প্রদর্শনের পাশাপাশি গাজায় ইসরাইলি সরকারের অবরোধ ও হত্যাযজ্ঞের প্রতিক্রিয়া হিসেবে পরিচালিত হয়েছে।
এছাড়া, ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ড্রোন ইউনিট জাফা ও আশকেলিয়নে দুটি পৃথক হামলাও চালিয়েছে। সারি জানিয়েছেন, এই ড্রোন হামলাগুলো ইসরাইলের সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হেনেছে।
বিবৃতিতে মুখপাত্র ফিলিস্তিনিদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘ইহুদিবাদী সরকারের আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া এবং গাজার ওপর অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত ইয়েমেন তাদের পাশে থাকবে।’
এই হামলা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের নজর কেড়েছে। ইয়েমেনি বাহিনীর এমন শক্তিশালী আক্রমণ ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্ষমতা ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তোলে।
দৈনিক টার্গেট 
























