আজ ৫ নভেম্বর মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর দেশটির পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান কে হবেন, তা ঠিক করবেন মার্কিন ভোটাররা। বিশ্বের একক ক্ষমতাধর এই দেশটির অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতির ওপর বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি অনেকটা নির্ভরশীলতা হওয়ায় এই নির্বাচনের দিকে পুরো পৃথিবীর মানুষের নজরে থাকবে, তা বলা বাহুল্যবর্জিত।
৬০তম মার্কিনীদের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোট হতে যাচ্ছে মার্কিন মুলুকে। মূল লড়াই হচ্ছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির কমলা হ্যারিস ও রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যেই। তবেই তারা ছাড়াও আরো ৪জন প্রার্থী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াই করছেন। তবে তারা নির্বাচনে তেমন বড় কোনো প্রার্থক্য করতে পারবেননা বলেই মনে করেন বিশ্লেষকেরা।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, আজকের নির্বাচনে মার্কিন ৭টি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য মূল ভূমিকা পালন করবে। কারণ এগুলোতে ভোটের ফলাফল নির্ধারণ করা কঠিন, রাজ্যগুলোতে ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান প্রার্থীর সমর্থন প্রায় সমান। তাই দোদুল্যমান এই অঙ্গরাজ্যগুলোর দিকেই সবার নজর। আর ২ প্রার্থীও ব্যস্ত এই অঙ্গরাজ্যগুলো ঘিরেই ব্যস্ত সময় পার করছেন।
রবিবার (৩ নভেম্বর) মিশিগানে প্রচারণার সময় গাজায় যুদ্ধ বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন কমলা হ্যারিস। মূলত আরব-আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন পেতেই এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দিলেন তিনি।
অন্য দিকে একই দিনে পেনসিলভানিয়া ও নর্থ ক্যারোলিনায় প্রচারণায় অংশ নেন ট্রাম্প। জো বাইডেনের শাসনামলের যুক্তরাষ্ট্রে একটি ব্যর্থতা রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ব্যর্থতার জন্য ডেমোক্র্যাটদের লজ্জিত হওয়া উচিত। রিপাবলিকান পার্টি জিতলে আগামী চার বছর স্বর্ণযুগে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
দৈনিক টার্গেট 
























