ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলাদেশের

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

ওপেনিংয়ে অবশ্য ২৬ রানের জুটি গড়েছিলেন দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ষষ্ঠ ওভারে ব্যক্তিগত ১৪ রানে ফিরে যান জুয়াইরিয়া। কিছু সময় পর তাঁকে অনুসরণ করেন দিলারা (২৪)। ৩৫ রানে ২ উইকেট খুইয়ে ফেলার পর উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলের সোবহানা মোস্তারি ও নিগার সুলতানা জ্যোতি। ৩৪ বলে ৩১ রান করে তারা আশাও দিচ্ছিলেন। কিন্তু এরপরই ‘মিনি’ মোড়ক লাগে; ১৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মোস্তারি (১৮), জ্যোতি (১৯) এবং শারমিন আক্তার (১) দ্রুতই আউট হয়ে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১টি চার ও ১টি ছয়ে ২২ রান করে স্বর্ণা আক্তার অপরাজিত থাকলে তা কাজে আসেনি। ফাহিম খাতুন ১৪ বলে করেন ১৪ রান। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। বল হাতে সবচেয়ে সফল দীপ্তি শর্মা; ২৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

প্রথম স্পেলে দল তাকিয়ে ছিল মারুফা আক্তারের দিকে। প্রথম স্পেলে দুই ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন বাংলাদেশের এই পেসার। অবশ্য প্রথম স্পেলে তাঁর উইকেট না পাওয়ার জন্য দায়ী দলের ফিল্ডিং। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মারুফার বলে মিড অনে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন শেফালি। ফিল্ডার ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ। এর আগে দ্বিতীয় ওভারেও ‘জীবন’ পেয়েছিলেন শেফালি। সেই দফায় সুলতানার বলে বাউন্ডারি লাইনের কাছাকাছি ক্যাচ মিস করেন ফাহিমা খাতুন। শুধু এই দুটিই নয়, পরে আরও ক্যাচ মিস করেছেন বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা। মিস করেছেন শেফালিকে রানআউট করার সুযোগও।

একাধিকবার জীবন পাওয়া এই শেফালিই ভিত গড়ে দেন ভারতীয় ইনিংসের। শেষ পর্যন্ত সুলতানার স্পিনে শিকার হওয়ার আগে শেফালি ৪০ বলে খেলেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৪ রান। ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৬০। ২৮ বলে ২৪ করে অপরাজিত থাকেন হারমানপ্রীত। ২১ রান করেন রিচা ঘোষ। ৩৯ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন সুলতানা। ১টি করে উইকেট নেন মারুফা, রাবেয়া ও নাহিদা।

এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস শেষে ৩২০ রানের লিড নিয়েছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ৪৫৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকেরা। এই সিরিজে এটিই তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৩৩ রানে।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে বাফুফের লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘ক্লাব এবং ফুটবল ফেডারেশন একে অপরের পরিপূরক। ক্লাবকে বাদ দিয়ে তো আমরা খেলতে পারব না। ক্লাব যদি না খেলতে চায়, আমাদের ইসি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই লিগ শুরু হবে।’

বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার দল ৬-২ গোলে বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

সময়মতো অফিসে না থাকা দুই এসি ল্যান্ডকে বদলি

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা হলো না বাংলাদেশের

প্রকাশ: ১২:১২:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ওপেনিংয়ে অবশ্য ২৬ রানের জুটি গড়েছিলেন দিলারা আক্তার ও জুয়াইরিয়া ফেরদৌস। ষষ্ঠ ওভারে ব্যক্তিগত ১৪ রানে ফিরে যান জুয়াইরিয়া। কিছু সময় পর তাঁকে অনুসরণ করেন দিলারা (২৪)। ৩৫ রানে ২ উইকেট খুইয়ে ফেলার পর উইকেটে প্রতিরোধ গড়ে তোলের সোবহানা মোস্তারি ও নিগার সুলতানা জ্যোতি। ৩৪ বলে ৩১ রান করে তারা আশাও দিচ্ছিলেন। কিন্তু এরপরই ‘মিনি’ মোড়ক লাগে; ১৭ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মোস্তারি (১৮), জ্যোতি (১৯) এবং শারমিন আক্তার (১) দ্রুতই আউট হয়ে গেলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১টি চার ও ১টি ছয়ে ২২ রান করে স্বর্ণা আক্তার অপরাজিত থাকলে তা কাজে আসেনি। ফাহিম খাতুন ১৪ বলে করেন ১৪ রান। ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানে শেষ হয় বাংলাদেশের ইনিংস। বল হাতে সবচেয়ে সফল দীপ্তি শর্মা; ২৬ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট।

প্রথম স্পেলে দল তাকিয়ে ছিল মারুফা আক্তারের দিকে। প্রথম স্পেলে দুই ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন বাংলাদেশের এই পেসার। অবশ্য প্রথম স্পেলে তাঁর উইকেট না পাওয়ার জন্য দায়ী দলের ফিল্ডিং। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে মারুফার বলে মিড অনে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন শেফালি। ফিল্ডার ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ। এর আগে দ্বিতীয় ওভারেও ‘জীবন’ পেয়েছিলেন শেফালি। সেই দফায় সুলতানার বলে বাউন্ডারি লাইনের কাছাকাছি ক্যাচ মিস করেন ফাহিমা খাতুন। শুধু এই দুটিই নয়, পরে আরও ক্যাচ মিস করেছেন বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা। মিস করেছেন শেফালিকে রানআউট করার সুযোগও।

একাধিকবার জীবন পাওয়া এই শেফালিই ভিত গড়ে দেন ভারতীয় ইনিংসের। শেষ পর্যন্ত সুলতানার স্পিনে শিকার হওয়ার আগে শেফালি ৪০ বলে খেলেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৪ রান। ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৬০। ২৮ বলে ২৪ করে অপরাজিত থাকেন হারমানপ্রীত। ২১ রান করেন রিচা ঘোষ। ৩৯ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন সুলতানা। ১টি করে উইকেট নেন মারুফা, রাবেয়া ও নাহিদা।

এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস শেষে ৩২০ রানের লিড নিয়েছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ৪৫৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকেরা। এই সিরিজে এটিই তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৩৩ রানে।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে বাফুফের লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘ক্লাব এবং ফুটবল ফেডারেশন একে অপরের পরিপূরক। ক্লাবকে বাদ দিয়ে তো আমরা খেলতে পারব না। ক্লাব যদি না খেলতে চায়, আমাদের ইসি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই লিগ শুরু হবে।’

বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার দল ৬-২ গোলে বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।