সাতকানিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৭ বার পঠিত হয়েছে

নিহত সোহাগ মিয়া হবিগঞ্জের উত্তর হাটির সুনেশ্বর এলাকার মো. আক্তার হোসেনের ছেলে। আহত সুমন একই এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোহাগ ও সুমন মোটরসাইকেলে করে কেরানীহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। মৌলভীর দোকান এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহাগ নিহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহত সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অটোরিকশাকে ওভারটেক করার সময় কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও অপরজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি পালিয়ে গেছে।

ওসি আরও বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পালিয়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত ও আহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কুচিয়ামোড়া সেতুর ঢালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজন আহত হন। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ভূমি অফিস পরিদর্শনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিত পাননি। তাঁরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকলেও ৩১ আগস্টের হাজিরা খাতায় আগের দিনের তারিখে স্বাক্ষর করে গেছেন।

দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর এসব বাংলাদেশি ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে আইনি জটিলতার কারণে তাদের তামিলনাড়ুর বিভিন্ন হোমে রাখা হয়। সেখানে কেউ নয় মাস, আবার কেউ দুই বছর পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল…

জনপ্রিয় টার্গেট

সৌরবিদ্যুতের প্রসারে শুরু হচ্ছে ‘সোলার এক্সপো’, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

সাতকানিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেল আরোহীর

প্রকাশ: ০৯:১৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নিহত সোহাগ মিয়া হবিগঞ্জের উত্তর হাটির সুনেশ্বর এলাকার মো. আক্তার হোসেনের ছেলে। আহত সুমন একই এলাকার কামাল হোসেনের ছেলে। তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সোহাগ ও সুমন মোটরসাইকেলে করে কেরানীহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। মৌলভীর দোকান এলাকায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে ওভারটেক করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে তাঁদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সোহাগ নিহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহত সুমনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

দোহাজারী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অটোরিকশাকে ওভারটেক করার সময় কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষ হয়। এতে একজন নিহত ও অপরজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি পালিয়ে গেছে।

ওসি আরও বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে পালিয়ে যাওয়া কাভার্ড ভ্যানটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। নিহত ও আহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করে তাঁদের পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের কুচিয়ামোড়া সেতুর ঢালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের রেলিংয়ে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলে থাকা দুজন আহত হন। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ভূমি অফিস পরিদর্শনে গিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিত পাননি। তাঁরা কর্মস্থলে উপস্থিত না থাকলেও ৩১ আগস্টের হাজিরা খাতায় আগের দিনের তারিখে স্বাক্ষর করে গেছেন।

দেশের বিভিন্ন সীমান্তপথ দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের পর এসব বাংলাদেশি ভারতীয় পুলিশের হাতে আটক হন। পরে আইনি জটিলতার কারণে তাদের তামিলনাড়ুর বিভিন্ন হোমে রাখা হয়। সেখানে কেউ নয় মাস, আবার কেউ দুই বছর পর্যন্ত অবস্থান করেন। পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল…