ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে জ্যোতিদের চাই ১৫০ রান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬৮ বার পঠিত হয়েছে

প্রথম স্পেলে দল তাকিয়ে ছিল মারুফা আক্তারের দিকে। আগের দিনও তিনি ভালো করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। বলেছিলেন, নিজের সেরাটা দিয়েই উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। প্রথম স্পেলে দুই ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন বাংলাদেশের এই পেসার। অবশ্য প্রথম স্পেলে তাঁর উইকেট না পাওয়ার জন্য দায়ী দলের ফিল্ডিংও। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাঁর বলে ক্যাচ উঠেছিল মিড অনে। ফিল্ডার ধরতে ব্যর্থ। এর আগে দ্বিতীয় ওভারেও ‘জীবন’ পেয়েছিলেন শেফালি। সেই দফায় সুলতানার বলে বাউন্ডারি লাইনের কাছাকাছি ক্যাচ মিস করেন ফাহিমা খাতুন। শুধু এই দুটিই নয়, পরে আরও ক্যাচ মিস করেছেন বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা। মিস করেছেন শেফালিকে রানআউট করার সুযোগও।

একাধিকবার জীবন পাওয়া এই শেফালিই ভিত গড়ে দেন ভারতীয় ইনিংসের। শেষ পর্যন্ত সুলতানার স্পিনে শিকার হওয়ার আগে শেফালি ৪০ বলে খেলেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৪ রান। ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৬০। ২৮ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন হারমানপ্রীত। বল হাতে সবচেয়ে সফল সুলতানা; ৩০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

ভারত যে ১৫০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে, এটাই তাড়া করা কঠিন বাংলাদেশ দলের জন্য। বরাবরের মতো এই টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ দলের অস্বস্তির জায়গা ব্যাটিং। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১২৯ রান তুললেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ তুলতে পারে ১১৪ রান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তো করতে পেরেছিল আরও কম—১০৩ রান। ভাগ্য ভালো—বোলারদের কল্যাণেই জিতেছে সেই ম্যাচ। কিন্তু প্রতিদিনই কি বোলাররা ম্যাচ জেতাবেন!

এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস শেষে ৩২০ রানের লিড নিয়েছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ৪৫৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকেরা। এই সিরিজে এটিই তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৩৩ রানে।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে বাফুফের লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘ক্লাব এবং ফুটবল ফেডারেশন একে অপরের পরিপূরক। ক্লাবকে বাদ দিয়ে তো আমরা খেলতে পারব না। ক্লাব যদি না খেলতে চায়, আমাদের ইসি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই লিগ শুরু হবে।’

বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার দল ৬-২ গোলে বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কা, শিশুসহ আহত ৩

ভারতকে হারিয়ে ফাইনালে উঠতে জ্যোতিদের চাই ১৫০ রান

প্রকাশ: ১২:১২:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রথম স্পেলে দল তাকিয়ে ছিল মারুফা আক্তারের দিকে। আগের দিনও তিনি ভালো করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন। বলেছিলেন, নিজের সেরাটা দিয়েই উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করবেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। প্রথম স্পেলে দুই ওভার বল করে ১৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থেকেছেন বাংলাদেশের এই পেসার। অবশ্য প্রথম স্পেলে তাঁর উইকেট না পাওয়ার জন্য দায়ী দলের ফিল্ডিংও। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে তাঁর বলে ক্যাচ উঠেছিল মিড অনে। ফিল্ডার ধরতে ব্যর্থ। এর আগে দ্বিতীয় ওভারেও ‘জীবন’ পেয়েছিলেন শেফালি। সেই দফায় সুলতানার বলে বাউন্ডারি লাইনের কাছাকাছি ক্যাচ মিস করেন ফাহিমা খাতুন। শুধু এই দুটিই নয়, পরে আরও ক্যাচ মিস করেছেন বাংলাদেশ দলের ফিল্ডাররা। মিস করেছেন শেফালিকে রানআউট করার সুযোগও।

একাধিকবার জীবন পাওয়া এই শেফালিই ভিত গড়ে দেন ভারতীয় ইনিংসের। শেষ পর্যন্ত সুলতানার স্পিনে শিকার হওয়ার আগে শেফালি ৪০ বলে খেলেন ইনিংস সর্বোচ্চ ৬৪ রান। ৭টি চার ও ৩টি ছয়ে সাজানো তাঁর ইনিংসটির স্ট্রাইকরেট ১৬০। ২৮ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন হারমানপ্রীত। বল হাতে সবচেয়ে সফল সুলতানা; ৩০ রানে নিয়েছেন ২ উইকেট।

ভারত যে ১৫০ রানের লক্ষ্য দিয়েছে, এটাই তাড়া করা কঠিন বাংলাদেশ দলের জন্য। বরাবরের মতো এই টুর্নামেন্টেও বাংলাদেশ দলের অস্বস্তির জায়গা ব্যাটিং। ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ১২৯ রান তুললেও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বাংলাদেশ তুলতে পারে ১১৪ রান। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে তো করতে পেরেছিল আরও কম—১০৩ রান। ভাগ্য ভালো—বোলারদের কল্যাণেই জিতেছে সেই ম্যাচ। কিন্তু প্রতিদিনই কি বোলাররা ম্যাচ জেতাবেন!

এজবাস্টনে তৃতীয় টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ইনিংস শেষে ৩২০ রানের লিড নিয়েছে ইংল্যান্ড। দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতির আগে ৪৫৩ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিকেরা। এই সিরিজে এটিই তাদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। এর আগে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ১৩৩ রানে।

ক্লাবগুলোর সঙ্গে সমঝোতার বিষয়টি নিয়ে বাফুফের লিগ কমিটির ডেপুটি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, ‘ক্লাব এবং ফুটবল ফেডারেশন একে অপরের পরিপূরক। ক্লাবকে বাদ দিয়ে তো আমরা খেলতে পারব না। ক্লাব যদি না খেলতে চায়, আমাদের ইসি কমিটি বসে সিদ্ধান্ত নেব। আপাতত আগের সূচি অনুযায়ীই লিগ শুরু হবে।’

বিমানবাহিনী ঘাঁটি বীর উত্তম এ কে খন্দকার দল ৬-২ গোলে বিমানবাহিনী ঘাঁটি জহুরুল হক দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।