৩ উইকেটে ২১৩ রানে প্রথম দিন শেষ করা বাংলাদেশের সামনে বড় পুঁজির সুযোগ ছিল। সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন ৪০০ রানের লক্ষ্যের কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় এর ধারে-কাছেও পৌঁছায়নি বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে ৫১ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৭২ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। অলআউট হওয়ার পেছনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলারদের চেয়ে বাংলাদেশের ব্যাটাররাই বেশি দায়ী। দ্বিতীয় দিনেও কাণ্ডজ্ঞানহীন ব্যাটিং করেছে স্বাগতিকেরা। তবে শেষ সেশনে বোলারদের লড়াকু পারফরম্যান্সে দিনটা পুরোপুরি হাতছাড়া হয়নি বাংলাদেশের।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে সবার আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ৯৯ রানে ব্যাটিং করতে নামা সাদমান। দিনের দ্বিতীয় বলেই সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ওপেনার। ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরির পর নিজের ইনিংসকে আর বেশি দূর নিতে পারেননি। জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লু হয়ে ফেরার আগে সাদমান করেন ১০৫ রান। সবচেয়ে বেশি হতাশ করেছেন হৃদয়। আগের দিন ৪২ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া এই ব্যাটার কাল আর কোনো রানের দেখা পাননি। ষষ্ঠ উইকেটে লিটন দাসের সঙ্গে ৩২ রান করে প্রতিরোধ গড়ার আভাস দিলেও ১৫ রানের বেশি স্থায়ী হয়নি মিরাজের ইনিংস। জোমেল ওয়ারিক্যানের বলে ডিফেন্সের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বোল্ড হন এই অলরাউন্ডার। এরপর লিটনকে একপাশে রেখে নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, তাইজুলরা বিদায় নিলে ২৭২ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। যোগ্য সঙ্গ না পাওয়ায় ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংসকে বড় করার সুযোগ পাননি লিটন।
স্বাগতিক ব্যাটারদের সবচেয়ে বেশি পরীক্ষা নিয়েছেন জোমেল। টানা ভালো জায়গায় বল যেমন ফেলেছেন, তাঁর টার্ন সামলাতেও হিমশিম খেয়েছেন বাংলাদেশি ব্যাটাররা। আগের দিনের ২ উইকেটের সঙ্গে গতকাল জোমেলের শিকার আরও ৩টি।

দৈনিক টার্গেট 



















