ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক পাকিস্তানকে সামলাতে হিমশিম খেয়েছে মালদ্বীপ। দ্বিতীয় মিনিটে নিজেদের ডি-বক্সে মিকাইল অরুণ আব্দুল্লাহকে ফাউল করেন মালদ্বীপের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ নাঈম। পেনাল্টি থেকে গোল করে চতুর্থ মিনিটেই পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন আব্দুল্লাহ।
সেই চাপ কাটিয়ে ওঠার আগেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে পাকিস্তান। নবম মিনিটে বক্সের কিনারা থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন নাজিব উল্লাহ। ২৪ মিনিটে মালদ্বীপের অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার আমদান আলীর ভুলের সুযোগ কাজে লাগান তিনি। দূরপাল্লার কোনাকুনি শটে বল জালে পাঠিয়ে পাকিস্তানের ব্যবধান করেন ৩–০।
বিরতির আগে পাওয়া তিন গোলের ব্যবধানই শেষ পর্যন্ত ধরে রাখে পাকিস্তান। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়াতে তিনটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে মালদ্বীপ। তারকা ফরোয়ার্ড আলী ফাসির, হুসাইন সিফাউ ও নিশাম রশিদকে নামিয়েও অবশ্য গোলের দেখা পায়নি দলটি। ৫২ মিনিটে ফেদু ইব্বের শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৬ মিনিটে মোহাম্মদ নাঈমের নিচু শট ঠেকিয়ে দেন পাকিস্তানের গোলরক্ষক ও অধিনায়ক ইউসুফ ইয়াজ বাট। পরের মিনিটে মালদ্বীপ বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। ৭১ মিনিটে পাকিস্তানের বদলি ফরোয়ার্ড শায়ক দোস্তের সামনে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ এসেছিল। সেটিও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি।
প্রথম ম্যাচে ভারতের কাছে ৩–২ গোলে হারের পর এই জয় পাকিস্তানকে সেমিফাইনালের লড়াইয়ে ফিরিয়েছে। দুই ম্যাচে তাদের পয়েন্ট এখন ৩। অন্যদিকে মালদ্বীপের সামনে কঠিন সমীকরণ। আগামী ১১ নভেম্বর গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হবে তারা।

দৈনিক টার্গেট 

























