ফুটবলারদের নিয়ে স্লোগানের শাস্তি চান রোনালদো

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:১৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

জোতাকে নিয়ে স্লোগানের ঘটনা ঘটেছে গত পরশু সৌদি প্রো লিগের আল হিলাল-আল তাওউন ম্যাচে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আল তাওউনের ঘরের মাঠে দর্শকদের একাংশ আল হিলালের মিডফিল্ডার রুবেন নেভেসকে লক্ষ্য করে ‘জোতা’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। প্রতিবাদ জানাতে দেরি করেননি রোনালদো। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে লিগ কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে লিখেছেন, ‘এটা আর ফুটবল থাকছে না। একটা সীমা তো থাকা দরকার। যারা এমন আচরণ করে, তাদের ভবিষ্যতে কখনোই স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়।’

গত বছরের ৩ জুলাই স্পেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জামোরায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে যান জোতা। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ২৮ বছর। সেই দুর্ঘটনায় মারা যান তাঁর ছোট ভাই আন্দ্রে সিলভাও। নেভেস তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জোতার শেষকৃত্যে কফিনও বহন করেছিলেন। আল তাওউনের দর্শকদের স্লোগান নজরে আসে নেভেসের। স্লোগানের জবাবে আল হিলাল মিডফিল্ডার আকাশের দিকে ইঙ্গিত করেন।

আল তাওউনের বিপক্ষে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে ৬-০ গোলে জেতে আল হিলাল। নেভেস কোনো গোল করতে না পারলেও একটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন। ম্যাচ শেষে তিনি কথা বলেছেন জোতাকে নিয়ে দেওয়া স্লোগান ইস্যুতেও। মিক্সড জোনে আল হিলাল মিডফিল্ডার বলেন, ‘আশা করি, এই ঘটনার পর তারা ফের ক্ষমা চাইবে না।’

ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার পর আরও এক দুঃসংবাদ পেল পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ধীর গতির ওভার রেটের কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লুটিসি) তাদের ১১ পয়েন্ট কেটে নিয়েছে আইসিসি।

মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে যে গোলের বন্যা বয়ে গেছে, ব্যাপারটা তেমন নয়। ওল্ড ট্রাফোর্ডে গত রাতে হয়েছে কেবল এক গোল। সেই গোল নিয়ে হয়েছে অনেক হট্টগোল। আর্লিং হালান্ডের করা গোল নিয়ে চলছে অনেক আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কিত এই গোল নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল রেফারিদের সংস্থা প্রো রেফ।

গোলের পর গোল। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ সামলাতে সামলাতে একসময় বাংলাদেশের রক্ষণভাগ যেন দিশেহারা। গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে মিলি আক্তারের জন্যও সময়টা হয়ে উঠেছিল দীর্ঘ এক দুঃস্বপ্ন। একের পর এক শট এসেছে তাঁর দিকে, কিন্তু সতীর্থদের কাছ থেকে পাননি তেমন কোনো সহায়তা। শেষ পর্যন্ত ১০ গোল হজম করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংল

জনপ্রিয় টার্গেট

স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে ‘ভাড়ায়’ ব্যাংক কর্মকর্তাকে পেটানোর অভিযোগ

ফুটবলারদের নিয়ে স্লোগানের শাস্তি চান রোনালদো

প্রকাশ: ০৪:১৫:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জোতাকে নিয়ে স্লোগানের ঘটনা ঘটেছে গত পরশু সৌদি প্রো লিগের আল হিলাল-আল তাওউন ম্যাচে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আল তাওউনের ঘরের মাঠে দর্শকদের একাংশ আল হিলালের মিডফিল্ডার রুবেন নেভেসকে লক্ষ্য করে ‘জোতা’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন। প্রতিবাদ জানাতে দেরি করেননি রোনালদো। পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ইনস্টাগ্রামে এক পোস্টে লিগ কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে লিখেছেন, ‘এটা আর ফুটবল থাকছে না। একটা সীমা তো থাকা দরকার। যারা এমন আচরণ করে, তাদের ভবিষ্যতে কখনোই স্টেডিয়ামে ঢুকতে দেওয়া উচিত নয়।’

গত বছরের ৩ জুলাই স্পেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জামোরায় এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় না ফেরার দেশে চলে যান জোতা। মৃত্যুর সময় তাঁর বয়স ছিল ২৮ বছর। সেই দুর্ঘটনায় মারা যান তাঁর ছোট ভাই আন্দ্রে সিলভাও। নেভেস তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জোতার শেষকৃত্যে কফিনও বহন করেছিলেন। আল তাওউনের দর্শকদের স্লোগান নজরে আসে নেভেসের। স্লোগানের জবাবে আল হিলাল মিডফিল্ডার আকাশের দিকে ইঙ্গিত করেন।

আল তাওউনের বিপক্ষে সৌদি প্রো লিগের ম্যাচে ৬-০ গোলে জেতে আল হিলাল। নেভেস কোনো গোল করতে না পারলেও একটি গোলে অ্যাসিস্ট করেন। ম্যাচ শেষে তিনি কথা বলেছেন জোতাকে নিয়ে দেওয়া স্লোগান ইস্যুতেও। মিক্সড জোনে আল হিলাল মিডফিল্ডার বলেন, ‘আশা করি, এই ঘটনার পর তারা ফের ক্ষমা চাইবে না।’

ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজে ধবলধোলাই হওয়ার পর আরও এক দুঃসংবাদ পেল পাকিস্তান। এজবাস্টনে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টেস্টে ধীর গতির ওভার রেটের কারণে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে (ডব্লুটিসি) তাদের ১১ পয়েন্ট কেটে নিয়েছে আইসিসি।

মৌসুমের প্রথম ম্যানচেস্টার ডার্বিতে যে গোলের বন্যা বয়ে গেছে, ব্যাপারটা তেমন নয়। ওল্ড ট্রাফোর্ডে গত রাতে হয়েছে কেবল এক গোল। সেই গোল নিয়ে হয়েছে অনেক হট্টগোল। আর্লিং হালান্ডের করা গোল নিয়ে চলছে অনেক আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কিত এই গোল নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল রেফারিদের সংস্থা প্রো রেফ।

গোলের পর গোল। উত্তর কোরিয়ার আক্রমণ সামলাতে সামলাতে একসময় বাংলাদেশের রক্ষণভাগ যেন দিশেহারা। গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে মিলি আক্তারের জন্যও সময়টা হয়ে উঠেছিল দীর্ঘ এক দুঃস্বপ্ন। একের পর এক শট এসেছে তাঁর দিকে, কিন্তু সতীর্থদের কাছ থেকে পাননি তেমন কোনো সহায়তা। শেষ পর্যন্ত ১০ গোল হজম করে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বাংল