সবচেয়ে বড় হারের রেকর্ড নিয়ে ১০ গোল খেল বাংলাদেশ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৩:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩ বার পঠিত হয়েছে

নাগাই স্টেডিয়ামে এশিয়ান গেমসের ‘এফ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি শেষ হয়েছে উত্তর কোরিয়ার ১০–০ গোলের জয়ে। বাংলাদেশের জন্য শুধু আরেকটি হার নয়, নারী ফুটবলে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১৩ সালে ঢাকায় থাইল্যান্ডের কাছে ৯–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুতেই বোঝা যাচ্ছিল, দিনটি বাংলাদেশের জন্য কঠিন হতে যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার জন রিয়ং জং, চে আন ইয়ং ও কিম কিয়ং ইয়ং—তিনজনই করেছেন জোড়া গোল।

পঞ্চম মিনিটে জন রিয়ং জংয়ের গোলের পর ১০ মিনিটে আবারও স্কোর করেন তিনি। ১২ মিনিটে হাং ইউ ইয়ংয়ের গোলে ব্যবধান ৩–০। এরপর বাংলাদেশের রক্ষণে যেন একের পর এক আক্রমণের ঢেউ। ১৮ ও ৩৫ মিনিটে চে আন ইয়ং গোল করলে ব্যবধান হয় ৫–০। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কিম কিয়ং ইয়ংয়ের জোড়া গোলে স্কোরলাইন ৭–০।

বিরতির পরও উত্তর কোরিয়া থামেনি। ৫১ মিনিটে রি সং আ এবং ৬০ মিনিটে বদলি জং কুমের গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৯–০। শেষ মুহূর্তে ৯০ মিনিটে হান জিন হং করেন দশম গোল।

বাংলাদেশের অসহায়ত্ব বোঝাতে ম্যাচের পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। উত্তর কোরিয়া গোলমুখে শট নিয়েছে ২১টি, বাংলাদেশ একটিও নয়। বল দখলেও বাংলাদেশ ছিল পিছিয়ে—উত্তর কোরিয়ার ৭৩ শতাংশের বিপরীতে মাত্র ২৭ শতাংশ।

এর মধ্যে কোচ পিটার বাটলারের একাদশে ছিল বড় পরিবর্তন। অভিজ্ঞ ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও শামসুন্নাহার সিনিয়র ছিলেন না শুরু একাদশে। তরুণদের নিয়ে গড়া দলটি তাই আরও বেশি চাপে পড়ে যায় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের পার্থক্য বিশাল। উত্তর কোরিয়া ১১ নম্বরে, বাংলাদেশ ১০৭। গত মার্চে এশিয়ান কাপেও উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই ব্যবধান দ্বিগুণেরও বেশি হলো।

আর গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচে সেই ব্যবধানের সাক্ষী হলেন মিলি আক্তার।

জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার পর আবারও চোটের ধাক্কা খেলেন বিশ্বনাথ ঘোষ। পেশির চোটে ফিফা আসিয়ান কাপের দল থেকে ছিটকে গেছেন বসুন্ধরা কিংসের এই ডিফেন্ডার। আজ জাতীয় দলের টিম হোটেলও ছেড়েছেন তিনি।

শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জয়ের পরও ট্রফি হাতে নেওয়া হয়নি ভারতের। তবে বিষয়টি এমন নয় যে, ভারতীয় দল ট্রফি গ্রহণ করতেই চায়নি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির কাছ থেকে ট্রফি নিতে প্রস্তুত ছিল তারা।

ক্যারিবিয়ান সুপার লিগে (সিপিএল) দারুণ সময় পার করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম ২ ম্যাচেই তুলে নেন ৭ উইকেট। তৃতীয় ম্যাচেও স্পিন ভেল্কি দেখালেন এই অলরাউন্ডার।

জনপ্রিয় টার্গেট

পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৯ মাসের শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ, তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দুই কমিটি

সবচেয়ে বড় হারের রেকর্ড নিয়ে ১০ গোল খেল বাংলাদেশ

প্রকাশ: ০৩:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নাগাই স্টেডিয়ামে এশিয়ান গেমসের ‘এফ’ গ্রুপের প্রথম ম্যাচটি শেষ হয়েছে উত্তর কোরিয়ার ১০–০ গোলের জয়ে। বাংলাদেশের জন্য শুধু আরেকটি হার নয়, নারী ফুটবলে নিজেদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরাজয়। এর আগে ২০১৩ সালে ঢাকায় থাইল্যান্ডের কাছে ৯–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরুতেই বোঝা যাচ্ছিল, দিনটি বাংলাদেশের জন্য কঠিন হতে যাচ্ছে। উত্তর কোরিয়ার জন রিয়ং জং, চে আন ইয়ং ও কিম কিয়ং ইয়ং—তিনজনই করেছেন জোড়া গোল।

পঞ্চম মিনিটে জন রিয়ং জংয়ের গোলের পর ১০ মিনিটে আবারও স্কোর করেন তিনি। ১২ মিনিটে হাং ইউ ইয়ংয়ের গোলে ব্যবধান ৩–০। এরপর বাংলাদেশের রক্ষণে যেন একের পর এক আক্রমণের ঢেউ। ১৮ ও ৩৫ মিনিটে চে আন ইয়ং গোল করলে ব্যবধান হয় ৫–০। প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই কিম কিয়ং ইয়ংয়ের জোড়া গোলে স্কোরলাইন ৭–০।

বিরতির পরও উত্তর কোরিয়া থামেনি। ৫১ মিনিটে রি সং আ এবং ৬০ মিনিটে বদলি জং কুমের গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৯–০। শেষ মুহূর্তে ৯০ মিনিটে হান জিন হং করেন দশম গোল।

বাংলাদেশের অসহায়ত্ব বোঝাতে ম্যাচের পরিসংখ্যানই যথেষ্ট। উত্তর কোরিয়া গোলমুখে শট নিয়েছে ২১টি, বাংলাদেশ একটিও নয়। বল দখলেও বাংলাদেশ ছিল পিছিয়ে—উত্তর কোরিয়ার ৭৩ শতাংশের বিপরীতে মাত্র ২৭ শতাংশ।

এর মধ্যে কোচ পিটার বাটলারের একাদশে ছিল বড় পরিবর্তন। অভিজ্ঞ ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও শামসুন্নাহার সিনিয়র ছিলেন না শুরু একাদশে। তরুণদের নিয়ে গড়া দলটি তাই আরও বেশি চাপে পড়ে যায় শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে।

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়েও দুই দলের পার্থক্য বিশাল। উত্তর কোরিয়া ১১ নম্বরে, বাংলাদেশ ১০৭। গত মার্চে এশিয়ান কাপেও উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫–০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই ব্যবধান দ্বিগুণেরও বেশি হলো।

আর গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে পুরো ম্যাচে সেই ব্যবধানের সাক্ষী হলেন মিলি আক্তার।

জাতীয় দলের জার্সিতে ফেরার পর আবারও চোটের ধাক্কা খেলেন বিশ্বনাথ ঘোষ। পেশির চোটে ফিফা আসিয়ান কাপের দল থেকে ছিটকে গেছেন বসুন্ধরা কিংসের এই ডিফেন্ডার। আজ জাতীয় দলের টিম হোটেলও ছেড়েছেন তিনি।

শ্রীলঙ্কাকে ৭২ রানে হারিয়ে নারী এশিয়া কাপের শিরোপা জয়ের পরও ট্রফি হাতে নেওয়া হয়নি ভারতের। তবে বিষয়টি এমন নয় যে, ভারতীয় দল ট্রফি গ্রহণ করতেই চায়নি। এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) ডেপুটি চেয়ারম্যান খালিদ আল জারুনির কাছ থেকে ট্রফি নিতে প্রস্তুত ছিল তারা।

ক্যারিবিয়ান সুপার লিগে (সিপিএল) দারুণ সময় পার করছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। গায়ানা আমাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে দুর্দান্ত বোলিংয়ে প্রথম ২ ম্যাচেই তুলে নেন ৭ উইকেট। তৃতীয় ম্যাচেও স্পিন ভেল্কি দেখালেন এই অলরাউন্ডার।