ডিভাইনের দল সল্টবার্ন ক্রিকেট ক্লাবের (দ্বিতীয় একাদশ) বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইংলিশ গ্রীষ্মে তাঁর কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর নর্থ ইয়র্কশায়ার অ্যান্ড সাউথ ডারহাম ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় বিভাগ থেকে দলটিকে অবনমন করা হয়েছে। প্রথম ভিডিওটি প্রকাশ করেছিলেন নর্টন ক্রিকেট ক্লাবের এক খেলোয়াড়। ভিডিওতে দেখা যায়, বল ব্যাটের পাশ দিয়ে চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উইকেটকিপার ও স্লিপে দাঁড়ানো ফিল্ডার একসঙ্গে ক্যাচের আবেদন করছেন। আর আম্পায়ার আঙুল তুলে আউট দেওয়ার পর ব্যাটারকে বেশ বিস্মিত দেখাচ্ছিল।
ভিডিওটি পোস্ট করা নর্টনের ওই খেলোয়াড় ঘটনাটিকে তাঁর দেখা ‘সবচেয়ে জঘন্য প্রতারণার ঘটনা’ বলে উল্লেখ করেন। ভিডিওটি প্রকাশের পর আরও কিছু প্রমাণ সামনে আসে। এর মধ্যে শিলডন রেলওয়ে ক্রিকেট ক্লাবের বিপক্ষে সল্টবার্নের একটি ম্যাচের ফুটেজও ছিল। ওই ম্যাচে সল্টবার্নের উইকেটরক্ষক আট ক্যাচ ধরেছিলেন, যা টেস্টে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ সাত ক্যাচ ধরার রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যায়। লিগের তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ডিভাইনকে মৌসুমের বাকি সময়ের জন্য সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছিল তাঁর ক্লাব।
খেলোয়াড়দের সাক্ষাৎকার, লিখিত বক্তব্য এবং তিন সদস্যের একটি শৃঙ্খলাবিষয়ক প্যানেলের মাধ্যমে ভিডিও পর্যালোচনার পর ডিভাইন ও সল্টবার্ন ক্রিকেট ক্লাব—উভয় পক্ষই অসদাচরণের অভিযোগ স্বীকার করে নেয়। নর্থ ইয়র্কশায়ার অ্যান্ড সাউথ ডারহাম ক্রিকেট লিগ (এনওয়াইএসডিসিএল) এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘লিগ কর্তৃপক্ষ উপলব্ধি করছে, এই ঘটনায় অনেক মানুষকে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। বিশেষ করে যাঁরা অনলাইনে এবং সরাসরি হয়রানির শিকার হয়েছেন। আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এখন শেষ হয়েছে।’
সল্টবার্ন ক্রিকেট ক্লাব প্রথমে তাদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির বিরুদ্ধে আবেদন করেছিল। আবেদন করেও অবশ্য কাজ হয়নি। সল্টবার্নকে ৩০০ পাউন্ড জরিমানা করা হয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় তা ৫০ হাজার টাকা। অবনমনের পাশাপাশি ২০২৭ মৌসুম শুরু করতে হবে ৬০ পয়েন্ট কম নিয়ে। এর ফলে আগে তৃতীয় বিভাগে অবনমিত হওয়া মিডলসব্রো ক্রিকেট ক্লাব তাদের দ্বিতীয় বিভাগের অবস্থান ধরে রেখেছে।

দৈনিক টার্গেট 

























