বিরোধী দল করলে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার পঠিত হয়েছে

আজ রোববার দুপুরে ফেনীর সদর উপজেলার ফরহাদনগরে পুলিশে সঙ্গে সংর্ঘষে গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য নির্মিত বাড়ির উদ্বোধন ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য শহীদদের পরিবারের পাশেও সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।

পরে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে নির্মিত বাড়ির চাবি হারুনুর রশিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন অতিথিরা। চলতি বছরের ১২ এপ্রিল বাড়িটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। পরে রুহুল কবির রিজভী হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত এবং নবনির্মিত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কে হরতালের সমর্থনে মিছিল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিতে হারুনুর রশিদ নিহত হন।

চট্টগ্রামের পর এবার রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। ১৯ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি শুরু হবে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে। একই দিনে পাঁচ জেলায় পাঁচটি পথসভা করে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ করবে দলগুলো।

আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।

সন্ত্রাস ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে এবং ছাত্রলীগকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, তা এখনো শেষ হয়নি। শুধু সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সেই লড়াই শেষ হয়ে যায়নি, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

বিরোধী দল করলে বেঁচে থাকার অধিকার ছিল না: রিজভী

প্রকাশ: ০৭:৪৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আজ রোববার দুপুরে ফেনীর সদর উপজেলার ফরহাদনগরে পুলিশে সঙ্গে সংর্ঘষে গুলিতে নিহত যুবদল নেতা হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য নির্মিত বাড়ির উদ্বোধন ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী বলেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগেও গুম-খুনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এরই অংশ হিসেবে হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য বাড়ি নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। অন্য শহীদদের পরিবারের পাশেও সবাইকে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।

ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্যসচিব আলাল উদ্দিন আলালের সঞ্চালনায় স্মরণসভায় বক্তব্য দেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী আশরাফ উদ্দিন বকুল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব মোকছেদুল মোমিন মিথুন প্রমুখ।

পরে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে নির্মিত বাড়ির চাবি হারুনুর রশিদের পরিবারের সদস্যদের হাতে তুলে দেন অতিথিরা। চলতি বছরের ১২ এপ্রিল বাড়িটির নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়। পরে রুহুল কবির রিজভী হারুনুর রশিদের কবর জিয়ারত এবং নবনির্মিত বাড়ি পরিদর্শন করেন। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনী শহরের শহীদ শহীদুল্লাহ কায়সার সড়কে হরতালের সমর্থনে মিছিল চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় গুলিতে হারুনুর রশিদ নিহত হন।

চট্টগ্রামের পর এবার রংপুর অভিমুখে লংমার্চ করবে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। ১৯ সেপ্টেম্বরের এই কর্মসূচি শুরু হবে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ থেকে। একই দিনে পাঁচ জেলায় পাঁচটি পথসভা করে রংপুর জিলা স্কুল মাঠে সমাপনী সমাবেশ করবে দলগুলো।

আমাদের কোনো জাতীয় নেতা তো বলেননি যে, আওয়ামী লীগকে ক্ষমা করে দেব। এটা কারা বলেছিল, সেটা নিশ্চয় দেশবাসী ভুলে যায়নি। সুতরাং কে কার সঙ্গে আঁতাত করছে, সেটা জনগণ জানে। ফলে এসব কথা বলে কোনো লাভ নেই।

সন্ত্রাস ও দখলদারত্বের বিরুদ্ধে এবং ছাত্রলীগকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে যে লড়াই শুরু হয়েছিল, তা এখনো শেষ হয়নি। শুধু সরকার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে সেই লড়াই শেষ হয়ে যায়নি, গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলন অব্যাহত রাখতে হবে।