১৫ বছর পর ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ জন খালাস

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১১:১৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৮৫ বার পঠিত হয়েছে

সিলেটে বহুল আলোচিত বাসে অগ্নিসংযোগ ও বৃদ্ধ নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ জন নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সিলেটের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

খালাস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান এবং অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় দুটি বাসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আগুনে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কাজী নাছির নামে এক বৃদ্ধ। পরে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনুর–এর পিতা বলে পরিচিতি পান।

ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করলেও প্রায় দুই সপ্তাহ পর নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম থানায় গিয়ে তার ব্যবহৃত কিছু সামগ্রী দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, জুতা, ঘড়ি ও বেল্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা ও দ্রুতবিচার আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় এম ইলিয়াস আলী, দিনারসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত ৩৮ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মামলাটি করা হয়েছিল এবং আদালতের রায়ে সেটিই প্রতিফলিত হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে মামলাটি থেকে তাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি পেল।

১৫ বছর পর ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ জন খালাস

প্রকাশ: ১১:১৩:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

সিলেটে বহুল আলোচিত বাসে অগ্নিসংযোগ ও বৃদ্ধ নিহতের ঘটনায় দায়ের হওয়া দুটি মামলায় দীর্ঘ ১৫ বছর পর বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীসহ ৩৮ জন নেতাকর্মীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার সিলেটের মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যগ্রহণ ও প্রমাণ পর্যালোচনা শেষে এ রায় ঘোষণা করেন।

খালাস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনার, অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান এবং অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজসহ বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী রয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

মামলার তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দক্ষিণ সুরমার বদিকোনা এলাকায় দুটি বাসে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। আগুনে দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান কাজী নাছির নামে এক বৃদ্ধ। পরে তিনি জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা শাবনুর–এর পিতা বলে পরিচিতি পান।

ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহটি বেওয়ারিশ হিসেবে দাফন করলেও প্রায় দুই সপ্তাহ পর নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম থানায় গিয়ে তার ব্যবহৃত কিছু সামগ্রী দেখে পরিচয় শনাক্ত করেন। সে সময় পুলিশ জানিয়েছিল, জুতা, ঘড়ি ও বেল্টের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়।

এ ঘটনায় ওই রাতেই দক্ষিণ সুরমা থানায় হত্যা ও দ্রুতবিচার আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় এম ইলিয়াস আলী, দিনারসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার পর আদালত ৩৮ জনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেন।

রায়ের পর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে মামলাটি করা হয়েছিল এবং আদালতের রায়ে সেটিই প্রতিফলিত হয়েছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আদালতের এই রায়ের মাধ্যমে মামলাটি থেকে তাদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে অব্যাহতি পেল।