সংবিধান নিয়ে সংসদে কড়া অবস্থান

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ৮১ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা তীব্র রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণ কোনোভাবেই এমন কাউকে সম্মান জানাতে ভোট দেয়নি, যাদের তিনি “ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্টের সহযোগী” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

সোমবার রাতে সংসদ অধিবেশনে তিনি বক্তব্য রাখেন। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে তিনি আলোচনায় অংশ নেন। নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের এই সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির প্রতি ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন, যদি এমন কাউকে ধন্যবাদ দেওয়া যায়, তাহলে অতীতে বিতর্কিত শাসকদের প্রতিও একই আচরণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বক্তব্যে তিনি বিএনপির অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন। তার দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদে উপস্থিত থাকলে তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানোর বিষয়টি সমর্থন করতেন না। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার একটি অসামঞ্জস্য তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

সংবিধান প্রসঙ্গেও তিনি তীব্র মন্তব্য করেন। ১৯৭২ সালের সংবিধান নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিয়ে ভিন্নমত দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। তার ভাষায়, দেশের একটি অংশ এই সংবিধানকে গণতন্ত্রের পরিবর্তে একদলীয় শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে দেখে থাকে।

এ সময় তিনি “জুলাই সনদ” নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, এই সনদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এটি বাস্তবায়িত হলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে। তিনি এটিকে আংশিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন।

সংসদে দেওয়া এই বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অতীত সংবিধান বিতর্ক এবং বিভিন্ন দলের অবস্থান—সবকিছুই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

সংবিধান নিয়ে সংসদে কড়া অবস্থান

প্রকাশ: ০৯:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মাছুম মোস্তফা তীব্র রাজনৈতিক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জনগণ কোনোভাবেই এমন কাউকে সম্মান জানাতে ভোট দেয়নি, যাদের তিনি “ফ্যাসিস্ট বা ফ্যাসিস্টের সহযোগী” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

সোমবার রাতে সংসদ অধিবেশনে তিনি বক্তব্য রাখেন। মাগরিবের নামাজের বিরতির পর ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন পুনরায় শুরু হলে তিনি আলোচনায় অংশ নেন। নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনের এই সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির প্রতি ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন, যদি এমন কাউকে ধন্যবাদ দেওয়া যায়, তাহলে অতীতে বিতর্কিত শাসকদের প্রতিও একই আচরণ করা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে।

বক্তব্যে তিনি বিএনপির অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন। তার দাবি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সংসদে উপস্থিত থাকলে তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানোর বিষয়টি সমর্থন করতেন না। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার একটি অসামঞ্জস্য তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

সংবিধান প্রসঙ্গেও তিনি তীব্র মন্তব্য করেন। ১৯৭২ সালের সংবিধান নিয়ে চলমান আলোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি নিয়ে ভিন্নমত দীর্ঘদিন ধরেই রয়েছে। তার ভাষায়, দেশের একটি অংশ এই সংবিধানকে গণতন্ত্রের পরিবর্তে একদলীয় শাসনব্যবস্থার ভিত্তি হিসেবে দেখে থাকে।

এ সময় তিনি “জুলাই সনদ” নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তার অভিযোগ, এই সনদের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ বাদ দেওয়া হয়েছে, যার ফলে এটি বাস্তবায়িত হলেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণ নাও হতে পারে। তিনি এটিকে আংশিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন।

সংসদে দেওয়া এই বক্তব্যে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অতীত সংবিধান বিতর্ক এবং বিভিন্ন দলের অবস্থান—সবকিছুই নতুন করে আলোচনায় এসেছে।