শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বার্তা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৯:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১২৯ বার পঠিত হয়েছে

মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার মূল শক্তি হলো শ্রমিক সমাজ, তাই তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে নারী-পুরুষ শ্রমিকের সমান মজুরি নিশ্চিতের বিষয়ে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মোট ৩৯টি কনভেনশন এবং একটি প্রোটোকল ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অনুমোদন করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রম খাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এছাড়া, শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উৎসবে সময়মতো বেতন, বোনাস ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

চলতি বছরের মে দিবসের প্রতিপাদ্য “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত এই স্লোগানকে ধারণ করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনে শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন সময়ে শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প, নির্মাণসহ সব খাতেই শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। তাদের পরিশ্রমেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং উন্নয়ন অগ্রসর হয়। তাই একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ শ্রম পরিবেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শ্রমবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমবাজার তৈরি এবং শ্রমিক কল্যাণে তার নেওয়া উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে বিএনপি সরকারের উদ্যোগে শ্রম আইন সংস্কার, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন এবং পোশাক শ্রমিকদের সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়গুলোও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা গেলে একটি শক্তিশালী, মানবিক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

জনপ্রিয় টার্গেট

শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের বার্তা

প্রকাশ: ০৯:৩৫:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মহান মে দিবস উপলক্ষে শ্রমজীবী মানুষের অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার মূল শক্তি হলো শ্রমিক সমাজ, তাই তাদের কল্যাণ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম অগ্রাধিকার।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একইসঙ্গে নারী-পুরুষ শ্রমিকের সমান মজুরি নিশ্চিতের বিষয়ে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) মোট ৩৯টি কনভেনশন এবং একটি প্রোটোকল ইতোমধ্যে বাংলাদেশ অনুমোদন করেছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে শ্রম খাতে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এছাড়া, শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঈদুল ফিতরসহ বিভিন্ন উৎসবে সময়মতো বেতন, বোনাস ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করার বিষয়টিও উল্লেখ করেন তিনি। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।

চলতি বছরের মে দিবসের প্রতিপাদ্য “সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত, আসবে এবার নব প্রভাত এই স্লোগানকে ধারণ করে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ১৮৮৬ সালের শিকাগোর হে মার্কেট আন্দোলনে শ্রমিকদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে বিশ্বের বিভিন্ন সময়ে শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

শ্রমিকদের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষি, শিল্প, নির্মাণসহ সব খাতেই শ্রমজীবী মানুষের ভূমিকা অপরিসীম। তাদের পরিশ্রমেই দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী হয় এবং উন্নয়ন অগ্রসর হয়। তাই একটি নিরাপদ, ন্যায্য ও মর্যাদাপূর্ণ শ্রম পরিবেশ গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শ্রমবান্ধব নীতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রবাসী শ্রমবাজার তৈরি এবং শ্রমিক কল্যাণে তার নেওয়া উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

এছাড়া, বিভিন্ন সময়ে বিএনপি সরকারের উদ্যোগে শ্রম আইন সংস্কার, ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ, শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন গঠন এবং পোশাক শ্রমিকদের সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়গুলোও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিশ্বাস করেন, শ্রমিকের নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করা গেলে একটি শক্তিশালী, মানবিক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব। এজন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।