বিএসএফ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৩১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • ১২৮ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, প্রকৃত জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেশের সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বন্ধে সরকারকে আরও দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজ শেষে শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ পর্যন্ত আন্দোলন ও প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন এনসিপির এই নেতা।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, সীমান্তে নানা ধরনের অনিয়ম ও সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে গরু চোরাচালানের সঙ্গে বাংলাদেশিদের চেয়ে ভারতীয় বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ বেশি শোনা যায়। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের হোসেন অভিযোগ করেন, সীমান্ত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। তিনি বলেন, সীমান্তে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

বক্তারা সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও মাদক বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০২ অক্টোবর ২০২৬

বিএসএফ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

প্রকাশ: ০৮:৩১:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, প্রকৃত জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা করতে হলে দেশের সীমান্তবর্তী জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি দাবি করেন, সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশিদের হত্যার ঘটনা বন্ধে সরকারকে আরও দৃঢ় ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শুক্রবার (১৫ মে) জুমার নামাজ শেষে শরীফ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় শেষ পর্যন্ত আন্দোলন ও প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন এনসিপির এই নেতা।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, সীমান্তে নানা ধরনের অনিয়ম ও সহিংস ঘটনায় সাধারণ মানুষ চরম উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, সীমান্তে গরু চোরাচালানের সঙ্গে বাংলাদেশিদের চেয়ে ভারতীয় বাহিনীর সদস্যদের সম্পৃক্ততার অভিযোগ বেশি শোনা যায়। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালান বন্ধে প্রশাসনের আন্তরিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

এ সময় ইনকিলাব মঞ্চের নেতা জাবের হোসেন অভিযোগ করেন, সীমান্ত পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক আইন যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। তিনি বলেন, সীমান্তে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পর্যায়ে আরও কার্যকর ভূমিকা প্রয়োজন।

বক্তারা সীমান্ত হত্যা, চোরাচালান ও মাদক বিস্তার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান গড়ে তোলার আহ্বান জানান।