পলকের এমআরআই রিপোর্টে মেলেনি হাড় ভাঙার প্রমাণ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • ৫৬ বার পঠিত হয়েছে

জুনাইদ আহমেদ পলকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা গেলেও তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বড় ধরনের কোনো শারীরিক ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কোমরের হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা মেরুদণ্ডের হাড় সরে যাওয়ার যে দাবি ছড়িয়েছিল, এমআরআই রিপোর্টে তার সত্যতা মেলেনি।

গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে পলকের এমআরআই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার মেরুদণ্ডের হাড় স্বাভাবিক অবস্থাতেই রয়েছে এবং কোথাও হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুত হওয়ার আলামত দেখা যায়নি।

তবে পরীক্ষায় কোমর ও ঘাড়ের কিছু ডিস্কজনিত জটিলতা শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মেরুদণ্ডের হাড়ের মাঝখানে থাকা নরম অংশকে ডিস্ক বলা হয়। বয়স, অতিরিক্ত চাপ বা দীর্ঘদিনের শারীরিক সমস্যার কারণে এসব ডিস্ক ফুলে উঠতে পারে। পলকের কোমরের L2-L3 ও L3-L4 অংশে এবং ঘাড়ের C5-C6 ও C6-C7 অংশে ডিস্ক বাল্জ ধরা পড়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ডিস্কের কারণে কিছু চাপ তৈরি হলেও স্নায়ুর মারাত্মক কোনো ক্ষতি হয়নি। স্পাইনাল কর্ডেও গুরুতর কোনো সমস্যা শনাক্ত হয়নি। পাশাপাশি তার হৃদযন্ত্রের পরীক্ষাতেও স্বাভাবিক ফল পাওয়া গেছে। ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট অনুযায়ী, হৃদযন্ত্র স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের সমস্যাগুলো সাধারণত ডিস্ক ও মাংসপেশি সম্পর্কিত হয়ে থাকে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশ্রাম, নিয়মিত ওষুধ সেবন ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উন্নতি সম্ভব।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যানে ঘাড়ে আঘাত পাওয়ার অভিযোগ করেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। পরে তার আইনজীবী আদালতের কাছে চিকিৎসা সুবিধার আবেদন জানান। আদালতের নির্দেশনার পর তার বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-র ছেলে Sajeeb Wazed Joy এবং Junaid Ahmed Palak-এর বিরুদ্ধে চলমান মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, আর জুনাইদ আহমেদ পলক কারাগারে রয়েছেন।

পলকের এমআরআই রিপোর্টে মেলেনি হাড় ভাঙার প্রমাণ

প্রকাশ: ০৭:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

জুনাইদ আহমেদ পলকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে নানা আলোচনা দেখা গেলেও তার চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বড় ধরনের কোনো শারীরিক ক্ষতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বিশেষ করে কোমরের হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা মেরুদণ্ডের হাড় সরে যাওয়ার যে দাবি ছড়িয়েছিল, এমআরআই রিপোর্টে তার সত্যতা মেলেনি।

গত ২৯ এপ্রিল রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে পলকের এমআরআই পরীক্ষা সম্পন্ন হয়। চিকিৎসা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, তার মেরুদণ্ডের হাড় স্বাভাবিক অবস্থাতেই রয়েছে এবং কোথাও হাড় ভাঙা বা স্থানচ্যুত হওয়ার আলামত দেখা যায়নি।

তবে পরীক্ষায় কোমর ও ঘাড়ের কিছু ডিস্কজনিত জটিলতা শনাক্ত হয়েছে। চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, মেরুদণ্ডের হাড়ের মাঝখানে থাকা নরম অংশকে ডিস্ক বলা হয়। বয়স, অতিরিক্ত চাপ বা দীর্ঘদিনের শারীরিক সমস্যার কারণে এসব ডিস্ক ফুলে উঠতে পারে। পলকের কোমরের L2-L3 ও L3-L4 অংশে এবং ঘাড়ের C5-C6 ও C6-C7 অংশে ডিস্ক বাল্জ ধরা পড়েছে।

রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ডিস্কের কারণে কিছু চাপ তৈরি হলেও স্নায়ুর মারাত্মক কোনো ক্ষতি হয়নি। স্পাইনাল কর্ডেও গুরুতর কোনো সমস্যা শনাক্ত হয়নি। পাশাপাশি তার হৃদযন্ত্রের পরীক্ষাতেও স্বাভাবিক ফল পাওয়া গেছে। ইকোকার্ডিওগ্রাফি রিপোর্ট অনুযায়ী, হৃদযন্ত্র স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

চিকিৎসকদের মতে, এ ধরনের সমস্যাগুলো সাধারণত ডিস্ক ও মাংসপেশি সম্পর্কিত হয়ে থাকে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিশ্রাম, নিয়মিত ওষুধ সেবন ও ফিজিওথেরাপির মাধ্যমে উন্নতি সম্ভব।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে কারাগারে নেওয়ার পথে প্রিজন ভ্যানে ঘাড়ে আঘাত পাওয়ার অভিযোগ করেন সাবেক এই প্রতিমন্ত্রী। পরে তার আইনজীবী আদালতের কাছে চিকিৎসা সুবিধার আবেদন জানান। আদালতের নির্দেশনার পর তার বিভিন্ন স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ সাবেক প্রধানমন্ত্রী Sheikh Hasina-র ছেলে Sajeeb Wazed Joy এবং Junaid Ahmed Palak-এর বিরুদ্ধে চলমান মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মামলার অন্যতম আসামি সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমানে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন, আর জুনাইদ আহমেদ পলক কারাগারে রয়েছেন।