কোটি পরিবার-কৃষকে আর্থিক সহায়তা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • ৯০ বার পঠিত হয়েছে

জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman জানিয়েছেন, দেশের বিপুল সংখ্যক পরিবার ও কৃষকের জন্য পরিকল্পিত আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কোনোভাবেই নতুন করে টাকা ছাপানোর পথে যাবে না সরকার।

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক আলোচনায় তিনি জানান, ধাপে ধাপে প্রায় চার কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনা হচ্ছে। এই দুই কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য Hasnat Abdullah সম্ভাব্য ব্যয় ও অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব নিয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা দেন, সব কিছু হিসাব-নিকাশ করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, একসঙ্গে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, তাই ধাপে ধাপে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হবে।

সরকারপ্রধান আরও জানান, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর মধ্যে যেসব ক্ষেত্রে এক ব্যক্তি একাধিক সুবিধা পাচ্ছেন, সেগুলো পুনর্বিন্যাস করা হবে। তবে সব ধরনের সুবিধা বন্ধ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে, যাতে নতুন এই প্রকল্প চালু করেও বাজেটের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।

তিনি বলেন, এই সহায়তার টাকা মূলত নিম্নআয়ের মানুষের হাতে পৌঁছাবে, যারা তাদের প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করবেন। এতে স্থানীয় বাজারে চাহিদা বাড়বে এবং দেশীয় উৎপাদন খাত উপকৃত হবে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি আসবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এটি শুধুমাত্র সহায়তা নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প বিকাশ, আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভেতরে অর্থের প্রবাহ বাড়বে—যা সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট অঙ্কের নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে এর পরিধি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় টার্গেট

কোটি পরিবার-কৃষকে আর্থিক সহায়তা

প্রকাশ: ০৪:০০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী Tarique Rahman জানিয়েছেন, দেশের বিপুল সংখ্যক পরিবার ও কৃষকের জন্য পরিকল্পিত আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি অর্থনীতির ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করবে না। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে কোনোভাবেই নতুন করে টাকা ছাপানোর পথে যাবে না সরকার।

সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক আলোচনায় তিনি জানান, ধাপে ধাপে প্রায় চার কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং প্রায় তিন কোটির কাছাকাছি কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনা হচ্ছে। এই দুই কর্মসূচির মাধ্যমে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

প্রশ্নোত্তর পর্বে জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য Hasnat Abdullah সম্ভাব্য ব্যয় ও অর্থনীতির ওপর এর প্রভাব নিয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী ব্যাখ্যা দেন, সব কিছু হিসাব-নিকাশ করে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তার মতে, একসঙ্গে পুরো প্রকল্প বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়, তাই ধাপে ধাপে সুবিধাভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হবে।

সরকারপ্রধান আরও জানান, বিদ্যমান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর মধ্যে যেসব ক্ষেত্রে এক ব্যক্তি একাধিক সুবিধা পাচ্ছেন, সেগুলো পুনর্বিন্যাস করা হবে। তবে সব ধরনের সুবিধা বন্ধ না করে প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয় করা হবে, যাতে নতুন এই প্রকল্প চালু করেও বাজেটের ভারসাম্য রক্ষা করা যায়।

তিনি বলেন, এই সহায়তার টাকা মূলত নিম্নআয়ের মানুষের হাতে পৌঁছাবে, যারা তাদের প্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় করবেন। এতে স্থানীয় বাজারে চাহিদা বাড়বে এবং দেশীয় উৎপাদন খাত উপকৃত হবে। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক গতি আসবে এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, এটি শুধুমাত্র সহায়তা নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এর মাধ্যমে স্থানীয় শিল্প বিকাশ, আয় বৃদ্ধি এবং অর্থনীতির ভেতরে অর্থের প্রবাহ বাড়বে—যা সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণেও সহায়ক হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে, যেখানে নির্দিষ্ট অঙ্কের নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে এর পরিধি বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।