আজ রোববার খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সব তথ্য জানানো হয়।
খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কৃষকের উৎপাদন খরচের সঙ্গে ন্যায্য লভ্যাংশ যুক্ত করেই ধানের সংগ্রহমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কোনোভাবেই যেন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কৃষক যাতে তাঁদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পান, সেটিই সরকারের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, দেশের সার্বিক খাদ্য পরিস্থিতি, কৃষকের স্বার্থ, উৎপাদন খরচ ও বাজার পরিস্থিতিসহ সংশ্লিষ্ট সব বিষয় পর্যালোচনা করে এফপিএমসি সভায় আমন সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম আরও বলেন, সরকারিভাবে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও কোনো কৃষক এর চেয়ে বেশি পরিমাণ ধান সরকারের কাছে বিক্রি করতে চাইলে তা কেনার ব্যবস্থা করা হবে। লক্ষ্যমাত্রার অজুহাতে কোনো কৃষককে ধান ক্রয় না করে ফেরত দেওয়া যাবে না। কৃষক সরকারের কাছে ধান বিক্রি করতে এলে তাঁর কাছ থেকে ধান কিনতে হবে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, আগামী ১৪ নভেম্বর ২০২৬ থেকে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত চলবে। অন্যদিকে, চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১ ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে, যা চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত।
খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. আবদুল বারী, খাদ্য সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জসিম উদ্দিন খান প্রমুখ।

দৈনিক টার্গেট 
























