শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি-রুপা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ১২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৯৭ বার পঠিত হয়েছে

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরকেন্দ্রিক ২০১৩ সালের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন করে অগ্রগতি হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনা হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ৭ মে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনজনকে আদালতে হাজির করার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন ধার্য করেন। আদালতে শুনানির সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অভিযান পরিচালনার সময় ডা. দীপু মনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং সে সময় ঘটনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একইসঙ্গে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তারা গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রতিবেদনের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে উসকানিমূলকভাবে উপস্থাপন করেছিলেন।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন আসামি গ্রেফতার অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান এবং লেখক শাহরিয়ার কবির।

প্রসিকিউশনের দাবি, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও অভিযানে অন্তত ৫৮ জন নিহত হন। তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন আলোচিত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

শাপলা চত্বর মামলা: ট্রাইব্যুনালে দীপু মনি-রুপা

প্রকাশ: ১২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরকেন্দ্রিক ২০১৩ সালের সহিংসতা ও প্রাণহানির ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নতুন করে অগ্রগতি হয়েছে। মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে বৃহস্পতিবার সকালে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আনা হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে গত ৭ মে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে তিনজনকে আদালতে হাজির করার আবেদন জানানো হয়। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল আজকের দিন ধার্য করেন। আদালতে শুনানির সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম বলেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অভিযান পরিচালনার সময় ডা. দীপু মনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং সে সময় ঘটনাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

একইসঙ্গে সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তারা গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত বিভিন্ন বক্তব্য ও প্রতিবেদনের মাধ্যমে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিকে উসকানিমূলকভাবে উপস্থাপন করেছিলেন।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ জুন দিন নির্ধারণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জন আসামি গ্রেফতার অবস্থায় কারাগারে রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান এবং লেখক শাহরিয়ার কবির।

প্রসিকিউশনের দাবি, ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সংঘর্ষ ও অভিযানে অন্তত ৫৮ জন নিহত হন। তদন্ত সংস্থা জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন আলোচিত এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ ও বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও আইনি অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।