আজ বুধবার জাতীয় সংসদে জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ বিধিতে এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। আখতার হোসেন নোটিশে বলেন, সারের বাজারে অসাধু সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য, বিতরণ অব্যবস্থাপনা ও সরকারের কাঠামোগত দায়বদ্ধতা নিরূপণপূর্বক কৃষকদের জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ।
আখতার হোসেনের নোটিশ উত্থাপন শেষে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘মৃত ব্যক্তি যাঁরা সারের ডিলার ছিলেন, তাঁদের নামে এখনো ডিলারশিপ আছে। এক ইউনিয়নের না, অন্য জেলার মানুষ সারের ডিলার ছিল, সেটা এখনো আছে। আর ন্যায্যমূল্যের কথা যে বলেছেন, উনি ওনার আসনের বলেছেন, আমিও আমার কলমাকান্দা দুর্গাপুরে খবর নিয়েছি একই অবস্থা। মাননীয় মন্ত্রী এ বিষয়ে যদি আপনি উত্তর দিতেন।’
জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, মাঠ পর্যায়ে সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সারের মূল্য বৃদ্ধি রোধের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় বিশেষ টাস্কফোর্স এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা কার্যক্রম চলমান আছে।
সম্পূরক প্রশ্নে সারের প্রকৃত মজুত কত জানতে চান আখতার হোসেন। জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মাননীয় সংসদ সদস্যকে স্পষ্টভাবে বলছি, যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি, সত্য বলিতেছি এবং সত্য বলিতেছি। এই মুহূর্তে প্রায় ১৩ লাখ টন সার মজুত আছে। যা গত বছরে প্রয়োজন ছিল মাত্র ১২ লাখ টন, তখন কিন্তু ঘাটতি হয় নাই। পাইপলাইনে আছে আরও ৪ লাখ ৪২ হাজার ৮০০ টন।’
আখতার হোসেনের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরের আগস্ট মাসে রংপুরে সার সরবরাহ করা হয়েছিল ১০ হাজার ৫৯০ টন। একই সময়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরবরাহ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৮৪৭ টন। আপনি চাইলে প্রিন্ট করা কাগজটা আপনাকে দিয়ে দেব। আমি আগেই বলছি, যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি। কৃষি নিয়া মিথ্যা কথা কওন যায় না। এইটা খাই আমরা। এইখানে মিছা কথা কইলে বড় কঠিন কাম সম্ভব না।’
কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সারের কোনো ক্রাইসিস নাই। আর উৎপাদন (সার) বরাবরই বহু বছর ধরে আমাদের কম হচ্ছে। আমাদের এখানে শুধু ইউরিয়া সারটা প্রোডাকশন হয়, অন্যটা একেবারে কম পরিমাণ—মাত্র এক লাখ টন।’
অধিবেশন কক্ষে কথা বলতে থাকা নিপুণ রায় চৌধুরীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্পিকার। তিনি বলেন, ‘মাননীয় সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী, শওকত আরার দুই মিনিটের বক্তব্য শেষ হয়েছে, আপনার বক্তব্য এখনো শেষ হয় নাই। কাছেই লবি আছে, সেখানে গিয়ে শেষ করে আসুন…
সংবাদমাধ্যম স্বাধীন। তারা কোন নিউজ আপলোড করবে, কোন নিউজ ডাউনলোড করবে না, কোন নিউজ ছাপাবে, কোন নিউজ ছাপাবে না, এটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার। বাংলাদেশ সরকার এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করে না। কেউ যদি কোনো সংবাদ পরিবেশন করার পরে বুঝতে পারেন যে, সংবাদটা সঠিক নয় বা সংবাদটা পরিবেশন করা উচিত নয়, সেই ক্ষেত্রে তারা
জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত তারকাচিহ্নিত আটটি প্রশ্নের সবগুলোই সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের হওয়ায় আপত্তি জানিয়েছে বিরোধী দল। বিরোধী দলের সদস্যদের বেশি প্রশ্ন করার সুযোগ দিলে সরকারের জবাবদিহির সংস্কৃতি আরও শক্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম…
দৈনিক টার্গেট 
























