ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ধউর-আশুলিয়ায় চালু হচ্ছে দুই সার্ভিস সেতু

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২০ বার পঠিত হয়েছে

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি হবে চার লেনের। বর্তমানে ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যে অ্যাটগ্রেড সড়ক দিয়ে যান চলাচল করছে, সেটির পরিবর্তে এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। তবে নিচের সড়কের বিকল্প হিসেবে দুই লেনের দুটি সার্ভিস সেতু করা হয়েছে। একটি ধউর থেকে আশুলিয়ার দিকে এবং অন্যটি আশুলিয়া থেকে ধউরের দিকে যান চলাচল করবে। বিভিন্ন স্থানে ডিরেকশনাল র‍্যাম্পও থাকবে।’

প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘সার্ভিস সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে। ভবিষ্যতেও এসব সড়কে কোনো টোল নেওয়া হবে না। সার্ভিস সেতু দিয়ে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারী, সাইকেল ও অটোরিকশাও চলাচল করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সার্ভিস ব্রিজ দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করার পর এই অংশে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ আরও এগিয়ে যাবে। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। এরই মধ্যে প্রকল্পের ৭২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব চ্যালেঞ্জ ছিল, সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। এখন কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বিদেশি ঋণে। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়ক নির্মাণে বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ২৪ কিলোমিটার উড়ালপথের পাশাপাশি প্রায় ১১ কিলোমিটার র‍্যাম্প, দুই লেনের নবীনগর ফ্লাইওভার, বাইপাইলে ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ, ১৪ কিলোমিটার অ্যাটগ্রেড সড়ক পুনর্নির্মাণ, দুই লেনের সেতু, ওভারপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। থাকছে আধুনিক ড্রেনেজ, ইউটিলিটি ডাক্ট ও টোল প্লাজা।

২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। সে সময় ২০২২ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে। তবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বিদেশি ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট সেক্টর সদর দপ্তরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুসন্ধানে এস এম আমজাদ হোসেনের নামে ৩০ কোটি ৯৪ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ টাকা মূল্যের স্থাবর এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯৩ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩ টাকা…

সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের সঙ্গে তাঁর আয়ের সামঞ্জস্য না থাকায় তাঁর কাছে লটকিয়ে জারির মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী চাওয়া হচ্ছে…

জনপ্রিয় টার্গেট

‘যাহা বলিতেছি, সত্য বলিতেছি’ সারের মজুত প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী

ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে: ধউর-আশুলিয়ায় চালু হচ্ছে দুই সার্ভিস সেতু

প্রকাশ: ০৬:১০:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েটি হবে চার লেনের। বর্তমানে ধউর থেকে আশুলিয়া পর্যন্ত যে অ্যাটগ্রেড সড়ক দিয়ে যান চলাচল করছে, সেটির পরিবর্তে এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হবে। তবে নিচের সড়কের বিকল্প হিসেবে দুই লেনের দুটি সার্ভিস সেতু করা হয়েছে। একটি ধউর থেকে আশুলিয়ার দিকে এবং অন্যটি আশুলিয়া থেকে ধউরের দিকে যান চলাচল করবে। বিভিন্ন স্থানে ডিরেকশনাল র‍্যাম্পও থাকবে।’

প্রকল্প পরিচালক বলেন, ‘সার্ভিস সেতু দুটি টোলমুক্ত থাকবে। ভবিষ্যতেও এসব সড়কে কোনো টোল নেওয়া হবে না। সার্ভিস সেতু দিয়ে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারী, সাইকেল ও অটোরিকশাও চলাচল করতে পারবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সার্ভিস ব্রিজ দিয়ে যান চলাচলের ব্যবস্থা করার পর এই অংশে মূল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ আরও এগিয়ে যাবে। প্রকল্পের মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত। এরই মধ্যে প্রকল্পের ৭২ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে যেসব চ্যালেঞ্জ ছিল, সেগুলো সমাধান করা হয়েছে। এখন কাজের গতি আরও বাড়ানো হবে।’

প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, দেশের দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে হিসেবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে বিদেশি ঋণে। ২৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই উড়ালসড়ক নির্মাণে বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২৭ হাজার ৪৬ কোটি টাকা। ২০১৭ সালে অনুমোদনের সময় প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৭ হাজার ৫৫৩ কোটি ৪ লাখ টাকা।

প্রকল্পের আওতায় ২৪ কিলোমিটার উড়ালপথের পাশাপাশি প্রায় ১১ কিলোমিটার র‍্যাম্প, দুই লেনের নবীনগর ফ্লাইওভার, বাইপাইলে ট্রাম্পেট ইন্টারচেঞ্জ, ১৪ কিলোমিটার অ্যাটগ্রেড সড়ক পুনর্নির্মাণ, দুই লেনের সেতু, ওভারপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হচ্ছে। থাকছে আধুনিক ড্রেনেজ, ইউটিলিটি ডাক্ট ও টোল প্লাজা।

২০১৭ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদন করা হয়। সে সময় ২০২২ সালের জুনের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য ছিল। নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হওয়ায় কয়েক দফায় প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হচ্ছে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে। তবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বিদেশি ঋণে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট সেক্টর সদর দপ্তরে ‘সীমান্ত স্কুল অব সার্ভেইল্যান্স অ্যান্ড ড্রোন ওয়ারফেয়ার’-এর উদ্বোধন শেষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। নামফলক উন্মোচনের মাধ্যমে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুসন্ধানে এস এম আমজাদ হোসেনের নামে ৩০ কোটি ৯৪ লাখ ১৮ হাজার ১৬০ টাকা মূল্যের স্থাবর এবং ১ কোটি ৬৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৯৩ টাকা মূল্যের অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। সব মিলিয়ে তাঁর স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৩২ কোটি ৫৭ লাখ ৮৫ হাজার ৫৩ টাকা…

সেলিমের স্ত্রী ফাতেমা সেলিমের নামে জ্ঞাত আয়ের তুলনায় ১ কোটি ৭০ লাখ ৬১ হাজার ৩৫৫ টাকার বেশি সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। এসব সম্পদের সঙ্গে তাঁর আয়ের সামঞ্জস্য না থাকায় তাঁর কাছে লটকিয়ে জারির মাধ্যমে সম্পদ বিবরণী চাওয়া হচ্ছে…