রামপাল উপজেলা বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুর রহমান টুটুল বলেন, গতকাল সোমবার দলীয় কাজে মোংলা উপজেলায় গিয়েছিলাম। সন্ধ্যার পরে বাড়িতে আসি। কিছুক্ষণ পরে ভাগ্নেদের ফোন পেয়ে আবার বাড়ি থেকে বের হয়ে প্লানের বাজারের দিকে যাওয়ার জন্য রওনা দিই। বাড়ি থেকে বের হয়ে ২০ গজ রাস্তায় হাঁটার পরেই নদীর পাশ থেকে চারজন মুখোশ পরা লোক আমাকে উদ্দেশ্য করে গালিগালাজ করে। তাকিয়ে দেখি কালো মুখোশ পরা চারজন লোক, তিনজনের হাতে রামদা এবং একজনের হাতে বন্দুক। একজন বলছে, টান দে। মুহূর্তের মধ্যেই আমি দৌড়ে যাই এবং চিৎকার করি। আর মসজিদের সামনে থেকে দুজন লোক টর্চলাইট মারে। আমি দৌড়ে নিরাপদ স্থানে যাই, পরে আর তাদের পাওয়া যায়নি।
টুটুল আরও বলেন, আমি মনে করি, তারা আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে এসেছিল। আমার ব্যক্তিগত কোনো শত্রু নেই। আমি মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছি। এই কারণেই হয়তো আমাকে হত্যা করতে চায় কেউ। তবে কে বা কারা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানাতে পারেননি এই বিএনপি নেতা।
এ ঘটনায় রামপাল থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান জাহিদুর রহমান টুটুল।
রামপাল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু বলেন, খবর শুনে আমরা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। জাহিদুর রহমান টুটুল দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তাঁর ওপর হামলার চেষ্টা নিন্দনীয়। তদন্তপূর্বক এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
রামপাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শেখ রাজীব আল রশিদ বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পুলিশের আরও একটি দল ওই এলাকায় তদন্ত করবে। এ ছাড়া জাহিদুর রহমান টুটুল এখনো কোনো অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 



















