বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মো. আব্দুল মন্নান আনসারী বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সাদিয়া ইসলাম মুমু কালাঘাটা এলাকার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. ইলিয়াছ ও ইয়াসমিন আক্তারের মেয়ে। সে বান্দরবান সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
জানা গেছে, কয়েকজন বান্ধবীকে নিয়ে ছাইংগ্যা এলাকায় সাঙ্গু নদে পিকনিকে যায় মুমু। পরে নদে গোসল করতে নামলে সে পানিতে ডুবে নিখোঁজ হয়।
ঘটনার খবর পেয়ে বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালায়। উদ্ধারকারীরা পরে মুমুকে নদ থেকে উদ্ধার করে বান্দরবান সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 



















