তবে লিভার প্রতিস্থাপনের জন্য যেতে হবে ভারতের চেন্নাইয়ে। চিকিৎসকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চেন্নাইয়ে চিকিৎসা করাতে প্রায় ৬০-৭০ লাখ টাকা ব্যয় হতে পারে। বিপুল এই অর্থ ব্যয়ের তথ্য পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে পরিবারটি। এরই মধ্যে শিশু ফুয়াদের চিকিৎসায় ঋণ ও জমি বন্ধকের সব টাকা ব্যয় করে পরিবারটি একপ্রকার নিঃস্ব।
বর্তমানে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পেডিয়েট্রিক সার্জারি ও পেডিয়েট্রিক ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ মো. সামিউল হাসানের তত্ত্বাবধানে শিশু ফুয়াদের চিকিৎসা চলছে।
শিশু ফুয়াদের বাবা আব্দুল্লাহ আল মামুন হৃদয় উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কোষাকান্দা গ্রামের বর্গাচাষি মো. রতন মিয়ার ছেলে। সাত মাস আগে তিনি সৌদি আরবে পাড়ি জমিয়েছেন। দেশে থাকাকালে তিনি অটোরিকশা চালাতেন। হৃদয়ের স্ত্রী ভূবন আক্তার বীথি শেরপুর সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী।
শিশুসন্তানকে বাঁচাতে একটু সহযোগিতার আশায় মানুষের দ্বারে দ্বারে ছুটে চলেছেন ভুবন আক্তার বীথি। গভীর উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠায় দিন কাটছে তাঁর। প্রবাসে থাকা বাবা হৃদয় যেন আরও অসহায়। প্রবাসে থেকেও সন্তানকে বাঁচাতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারছেন না তিনি। সন্তানকে আদৌ দেখতে পারবেন কি না সেই শঙ্কায় রয়েছেন তিনি।
ভূবন আক্তার বীথি আকুতি জানিয়ে বলেন, সন্তানকে বাঁচাতে নিজের লিভারের অংশ দিতে চাই। চিকিৎসকেরা বলেছেন, লিভার প্রতিস্থাপন করতে হবে। কিন্তু চিকিৎসার এত টাকা আমাদের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। সবার সামান্য করে সহযোগিতায় হয়তো আমার সন্তানকে বাঁচাতে পারব।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালে সেতুর নিচের পানিতে দুটি বস্তা ভাসতে দেখা যায়। এরপর সেগুলোতে মরদেহ রয়েছে—এমন গুজব ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই সেতুর ওপর হাজারো উৎসুক মানুষ জড়ো হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়।
আজ চাকরিতে যোগদানের উদ্দেশ্যে বিপিএসসি সচিবালয়ে গেলে পরিচয় যাচাইয়ের সময় রিপনের বিষয়ে কর্মকর্তাদের সন্দেহ হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারা ও মৌখিক পরীক্ষার দিনের সিসিটিভি ফুটেজে থাকা ব্যক্তির চেহারা মিলিয়ে দেখা হয়। এতে তাঁর পরিচয় নিয়ে গুরুতর অসংগতি ধরা পড়ে।
বরগুনার পাথরঘাটায় পারিবারিক বিরোধের জেরে পিয়ারা বেগম (৬২) নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর দেবরের ছেলে মো. আল আমিনের (৩৬) বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আল আমিন পলাতক রয়েছেন।
দৈনিক টার্গেট 



















