
কৌশলগত প্রস্তুতি: বিজেএসে চতুর্থ হানিফ
-
দৈনিক টার্গেট - প্রকাশ: ০৮:১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- ৫ বার পঠিত হয়েছে
আমার জন্ম কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলায়। করিমগঞ্জ সরকারি পাইলট মডেল উচ্চবিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি শেষ করি। গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পরীক্ষায়ও জিপিএ-৫ পাই। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগ থেকে ৩.৬২ সিজিপিএ নিয়ে এলএলবি শেষ করি। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলএমে অধ্যয়নরত।
বিজেএস দেওয়ার স্বপ্ন মূলত আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ছিল। সে সময় চিন্তা করেছিলাম ১৯তম বিজেএস পরীক্ষায় বসব। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সেশনের স্নাতক ফাইনাল পরীক্ষা তুলনামূলক আগে শেষ হয়ে যায়। পাশাপাশি ১৮তমের সার্কুলার হয়ে যায়। এ জন্য ১৮তমে পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। বিজেএসে আবেদন করে পড়া শুরু করি। এই জার্নিতে একদম ফ্রেশার হিসেবে যাত্রা শুরু করি। তবে আইন বিভাগে ভর্তি হওয়ার সময় থেকে বিচারক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি।
১৮তম আমার প্রথম বিজেএস ছিল। তখন সিনিয়র ও নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক ভাই ও আপুদের নক দিয়ে শুনতাম কীভাবে কী করতে হবে; কোথা থেকে পড়াশোনাা শুরু করব। প্রস্তুতিতে আমার বিভাগের মাহারাজ হাসান তামিম ভাই এবং তানভীর হাসান ভাই বিভিন্নভাবে সাহায্য করেছেন। এ ছাড়াও মাহি উদ্দিন (ঢাবি–আইন বিভাগ) ভাইয়ের রেকর্ডেড বিজেএস রিলেটেড ক্লাস করতে দিয়েছেন। নিশাত আপু (ঢাবি–আইন বিভাগ), তালহা ভাই (ঢাবি–আইন বিভাগ) উনারা যেকোনো প্রয়োজনে গাইডলাইন দিয়েছেন। আমি সব সময় চেষ্টা করেছি উনাদের দেওয়া গাইডলাইন, বই, নোটগুলো টু দ্য পয়েন্টে ফলো করতে। আমার ভালো ফল করার পেছনে এগুলোর পাশাপাশি স্ট্র্যাটিজিক্যালি রেগুলার পড়া অনেক কার্যকর ছিল। তবে আমি ছোটবেলা থেকে পড়াশোনার ব্যাপারে খুব ডেডিকেটেড ছিলাম। বিজেএস এক্সাম ছিল আমার সারা জীবনের সকল স্বপ্নের ধারক। তাই পড়াশোনায় কোনো কার্পণ্য করিনি। সাবজেক্ট এবং সিলেবাস টার্গেট করে পড়তাম। কখনো দেখা গেছে ১৬ ঘণ্টাও পড়েছি। কখনো ৫ থেকে ৭ ঘণ্টা পড়ার পর উঠে গেছি। খেয়াল রেখেছি সিলেবাস শেষ করার বিষয়ে। আলহামদুলিল্লাহ ফাইনালি আমি ১৮তম বিজেএস পরীক্ষায় মেধাতালিকায় চতুর্থ স্থান
লিখিত পরীক্ষা শুধু একটা নির্দিষ্ট সময়ের প্রস্তুতি দিয়ে কভার করা পসিবল না। আমার কাছে মনে হয় লিখিত পরীক্ষা নির্ভর করে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের জেনারেল নলেজ এবং এলএলবি অনার্সের পড়াশোনার ওপর। এদিকে যাদের বেসিক ভালো তাদের জন্য লিখিত পরীক্ষা স্বস্তির বিষয়। অন্যথায় এখানে অমানসিক পরিশ্রম করে প্রিপারেশন কভার করতে হয়। প্রচুর পড়াশোনার পাশাপাশি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, টানা ১০ দিন পরীক্ষা দেওয়া অনেকের জন্য
বিজেএস ভাইভা আসলে মানসিক প্রস্তুতি ছাড়া কিছুই নয়। যারা লিখিত পরীক্ষায় ভালো করে, তাদের জন্য ভাইভা জাস্ট ফরমালিটি। কিন্তু যেহেতু ভাইভার আগে রিটেনের নম্বর জানা যায় না। তাই সবাই একটু চিন্তিত থাকে। এই সময়ে স্ট্রেস কাটিয়ে ওঠার জন্য নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি মানসিকভাবে সবল থাকা গুরুত্বপূর্ণ।
নতুনদের উচিত একাডেমিক পড়াশোনায় ফোকাস করা। কেননা একাডেমিক রেজাল্টের একটা হিডেন প্রভাব অবশ্যই প্রিলি, রিটেন এমনকি ভাইভাতেও রয়েছে। তা ছাড়া বিজেএসের সিলেবাসের সঙ্গে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির একাডেমিক সিলেবাসের মিল রয়েছে। নতুনদের প্রতি পরামর্শ হলো, বিজেএস সিলেবাস মাথায় রেখে একাডেমিক পড়াশোনায় ফোকাস করুন। আর যাঁদের পড়াশোনা শেষ, তাঁদের বলব পারফেক্ট বুকলিস্ট সংগ্রহ করে সৃষ্টিকর্তার নাম নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যান।

অ্যাপলের সিইও জন টার্নাসের ৫ পরামর্শ
ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজেকে যোগ্য মনে না হওয়া, সহকর্মীদের তুলনায় পিছিয়ে থাকার ভয় কিংবা নিজের দক্ষতা নিয়ে সংশয়—নতুন কর্মজীবনে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন অনেকেই। তবে এই অনিশ্চয়তাই যে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি হতে পারে, তার উদাহরণ অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাস।

পছন্দের পেশা খুঁজে নেওয়ার ৩ পরামর্শ
শুধু জীবিকার তাগিদেই কি চাকরি করছেন? প্রতিদিন সকালে কাজে যাওয়ার কথা ভেবে মন খারাপ হয়? অথচ পছন্দের কাজ হলে দিনটি শুরু হতে পারত আনন্দ ও উৎসাহ নিয়ে।

এবার মেটার রিসার্চ সায়েন্টিস্ট কাওছার
কাওছার চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে বেড়ে উঠেছেন। পাঁচ ভাই-বোনের সংসার পেশায় মুদি দোকানদার বাবার আয়েই চলত। ছেলেবেলায় নানা আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে বড় হয়েছেন। তবে তাঁর মা-বাবা সব সময় চাইতেন সন্তানেরা যেন পড়াশোনা চালিয়ে যান।

























