বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৬:০৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একজন শিক্ষার্থী ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো ধারায় পড়ুক তার মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন মানদণ্ড থাকা জরুরি। ভালো ও তুলনামূলক কম ভালো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। তবে কারিকুলাম ও শিক্ষার মৌলিক মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়।

আজ শনিবার ঢাকায় রেডিসন হোটেলে অক্সফোর্ড একিউএ ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস আয়োজিত স্কুল লিডারস কনফারেন্স ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ এসব কথা বলেন।  

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য আনা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যে মাধ্যমেই অধ্যয়ন করুক না কেন, তাদের মৌলিক জ্ঞান, দক্ষতা ও শেখার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে কারিকুলাম, অবকাঠামো, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অক্সফোর্ড একিউএর বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহীন রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা এবং ঢাকার বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকা ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নতুন করে আরও দু-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

আজ শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সভায় এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ, নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, গৃহস্থালি ও যত্নমূলক কাজের সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।

জনপ্রিয় টার্গেট

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

প্রকাশ: ০৬:০৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ববি হাজ্জাজ বলেছেন, একজন শিক্ষার্থী ইংরেজি মাধ্যম, বাংলা মাধ্যম কিংবা অন্য কোনো ধারায় পড়ুক তার মৌলিক জ্ঞান ও দক্ষতার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন মানদণ্ড থাকা জরুরি। ভালো ও তুলনামূলক কম ভালো প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পার্থক্য থাকবে। তবে কারিকুলাম ও শিক্ষার মৌলিক মানে বড় ধরনের বৈষম্য থাকা উচিত নয়।

আজ শনিবার ঢাকায় রেডিসন হোটেলে অক্সফোর্ড একিউএ ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস আয়োজিত স্কুল লিডারস কনফারেন্স ২০২৬-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে ববি হাজ্জাজ এসব কথা বলেন।  

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে বৈশ্বিক মানে উন্নীত করতে বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য আনা হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা যে মাধ্যমেই অধ্যয়ন করুক না কেন, তাদের মৌলিক জ্ঞান, দক্ষতা ও শেখার ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে কারিকুলাম, অবকাঠামো, শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তি ব্যবহারে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হবে।

অক্সফোর্ড একিউএর বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহীন রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধিরা এবং ঢাকার বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন।

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) গুচ্ছভুক্ত ভর্তি প্রক্রিয়ায় থাকা ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে নতুন করে আরও দু-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়, ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় ও মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়।

আজ শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে অনুষ্ঠিত এক সভায় এবারের গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার মূল কমিটি গঠন করা হয়েছে। সভায় ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশাপাশি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় যুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় বাংলাদেশের শ্রমবাজারে নারীর অংশগ্রহণ, নারীর অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, গৃহস্থালি ও যত্নমূলক কাজের সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং নারীর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, সমাজ ও কর্মক্ষেত্রের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা হয়।