প্রতিবছর বর্ষায় সাঁকোটি ক্ষতিগ্রস্ত বা ভেঙে যায়। পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে সেটি মেরামত করে চলাচল করতে হয়। এতে একদিকে যেমন কৃষক, শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ে, অন্যদিকে প্রতিবছর সাঁকো মেরামতে গুনতে হয় বাড়তি খরচ। বর্ষায় নদে পানি বাড়লে ঝুঁকিও বেড়ে যায়।
৮০ বছর বয়সী পথচারী আব্দুর রহমান বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই দেখছি এখানে বাঁশের সাঁকো দিয়ে মানুষ যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে মানুষের এই কষ্ট দূর হয়নি। ভারী যানবাহন নিয়ে অনেক পথ ঘুরে এপার থেকে ওপারে যেতে হয়। কৃষক ও শিক্ষার্থীদেরও দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনাও ঘটে। এখানে সেতু নির্মাণ হলে মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে।’
পথচারী মো. ইমরান হোসেন বলেন, ‘শত বছরের পুরোনো এই খেয়াঘাটে আজও সেতু নির্মাণ হয়নি। সেতু হলে দুই উপজেলার মানুষ এর সুফল ভোগ করবে। এটি এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি। সেতুটি নির্মিত হলে শিক্ষার পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়ন হবে এবং মানুষের দুর্ভোগ কমবে।’
কুতুবপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সাকিব হাসান বলেন, হিতিমপাড়া, চাঁদপুর, রামদাসপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে শিক্ষার্থীরা এই সাঁকো পার হয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসে। বর্ষায় সাঁকোটি প্রায় পানিতে ডুবে যায়। তখন ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আগেই সেতু নির্মাণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে মেহেরপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী হাবিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, গাড়াবাড়িয়া-হিতিমপাড়া সেতুর বিষয়ে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন মিললে এবং দরপত্র প্রক্রিয়া শেষ হলে দ্রুত কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।
সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজ উদ্দিন খান বলেন, ‘হিতিমপাড়া ও গাড়াবাড়িয়া গ্রামের ভৈরব নদ ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়ে মানুষ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যাতায়াত করছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই দুর্ভোগ চলে আসছে। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।’
মেসবাসার দরজার ছিটকিনি আটকানোকে কেন্দ্র করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) সমাজবিজ্ঞান ও অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত পৌনে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে…
পদ্মায় নতুন পানি আসায় স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় জেলেদের মধ্যেও। নদীতে জাল ফেলে চলছে মাছ ধরার ব্যস্ততা। বিভিন্ন ঘাটে বসেছে অস্থায়ী মাছের বাজার। নদী থেকে ধরে আনা তাজা মাছ কিনতে ভিড় করছেন দর্শনার্থীরা। চোখের সামনে নদী থেকে তুলে আনা জীবন্ত মাছ দরদাম করে কেনার মধ্যেও আলাদা আনন্দ খুঁজে পাচ্ছেন অনেকে।
চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
দৈনিক টার্গেট 




















