গত ৩০ অক্টোবর সোহরাব বেপারীকে ১০ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে আদালতে পাঠায় পুলিশ। সেদিন শুনানি না করে তাঁকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে ২৮ অক্টোবর রাতে সিরাজদিখান উপজেলার পাথরঘাটা এলাকায় শিশু তোয়াবাকে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। একই ঘটনায় তাঁর বাবা গোলাপ হোসেনকে (৩০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় এবং জোরপূর্বক বিষপান করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
পরদিন ২৯ অক্টোবর উপজেলার রামকৃষ্ণদী গ্রামের একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে তোয়াবার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একই দিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গোলাপ হোসেন মারা যান।
ঘটনার দিনই সোহরাব বেপারীকে আটক করে পুলিশ। ওই দিন দিবাগত মধ্যরাতে নিহত গোলাপ হোসেনের বাবা জয়নাল মিয়া সোহরাব বেপারীকে প্রধান আসামি করে ১৫ জনের বিরুদ্ধে সিরাজদিখান থানায় মামলা করেন।

দৈনিক টার্গেট 






















