বারণই নদে হঠাৎ ভেসে উঠছে মরা মাছ, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১ বার পঠিত হয়েছে

শনিবার বিকেলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি বারণই নদের ৪টি স্থান থেকে মরা মাছের ও পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। নমুনা পরীক্ষা করে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটির সদস্য মৎস্য কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, বারণই নদে মাছ মরে ভেসে ওঠার ঘটনায় তিন সদস্য তদন্ত কমিটি বারণই নদ পরিদর্শন করে ৪টি স্থান নদের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছি। পানি ল্যাবে পরীক্ষা করে মাছ মরে ভেসে ওঠার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করা যাবে। আর বারণই নদে ৮টি স্থানে মাছের অভয়াশ্রম আছে। সেখানে মা মাছের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, এখনো জানা যায়নি। তবে বারণই নদে বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। পানির নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আসলে তা প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই নদের পানিতে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। কোথাও কোথাও পানির মধ্যে গ্যাসের মতো বুদ্‌বুদ দেখা গেছে। এরপর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় জমে যায়। অনেকেই জাল ও অন্যান্য উপায়ে ভেসে ওঠা মাছ ধরে নিয়ে যান।

এ ছাড়া ২০২২ সালেও বারণই নদীতে মাছের মড়কের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, নদীতে পাট জাগ দেওয়ার ফলে পানি দূষিত হয়ে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় মাছ মারা যাচ্ছিল।

তাঁদের বাসা দারুস সালাম মাদবর বাড়ি মসজিদের পাশে। তাঁর বাবা আব্দুল মান্নান দিনমজুরের কাজ করেন। রাতে তার মা জেসমিন টিনশেড ঘরে জানালার পাশে বসে টিভি দেখছিলেন। এ সময় জানালার বাইরে থেকে কে বা কারা গুলি করে। সেই গুলি এসে তাঁর মায়ের ডান হাতে লাগে…

এই সমস্যার সংকট আপনি তৈরি করেছেন। আপনি সংসদকে কার্যকর করেননি। সংসদ কার্যকর না হওয়ার কারণে আজ আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। আপনি যদি প্রথমে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ করতেন, তাহলে সেই সংবিধান পরিষদে আমরা আলোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আপনি সেটা না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা….

তাঁদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রকি হোসেনসহ তাঁর আরও ১০-১২ জন সহযোগী আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের ধাওয়া দিলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রকিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে তিনি আহত হন।

জনপ্রিয় টার্গেট

বারণই নদে হঠাৎ ভেসে উঠছে মরা মাছ, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি

প্রকাশ: ০১:১৭:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শনিবার বিকেলে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি বারণই নদের ৪টি স্থান থেকে মরা মাছের ও পানির নমুনা সংগ্রহ করেন। নমুনা পরীক্ষা করে প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কমিটি।

তদন্ত কমিটির সদস্য মৎস্য কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, বারণই নদে মাছ মরে ভেসে ওঠার ঘটনায় তিন সদস্য তদন্ত কমিটি বারণই নদ পরিদর্শন করে ৪টি স্থান নদের পানির নমুনা সংগ্রহ করেছি। পানি ল্যাবে পরীক্ষা করে মাছ মরে ভেসে ওঠার প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন করা যাবে। আর বারণই নদে ৮টি স্থানে মাছের অভয়াশ্রম আছে। সেখানে মা মাছের কোনো ক্ষতি হয়েছে কি না, এখনো জানা যায়নি। তবে বারণই নদে বিভিন্ন বর্জ্য ফেলার কারণে এ ধরনের ঘটনা ঘটতে পারে। পানির নমুনা পরীক্ষার প্রতিবেদন আসলে তা প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকেই নদের পানিতে অস্বাভাবিকতা লক্ষ্য করা যায়। কোথাও কোথাও পানির মধ্যে গ্যাসের মতো বুদ্‌বুদ দেখা গেছে। এরপর রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মরে ভেসে উঠতে থাকে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি ছড়িয়ে পড়লে নদীর দুই পাড়ে মানুষের ভিড় জমে যায়। অনেকেই জাল ও অন্যান্য উপায়ে ভেসে ওঠা মাছ ধরে নিয়ে যান।

এ ছাড়া ২০২২ সালেও বারণই নদীতে মাছের মড়কের ঘটনা ঘটেছিল। সে সময় জেলা মৎস্য কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, নদীতে পাট জাগ দেওয়ার ফলে পানি দূষিত হয়ে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়ায় মাছ মারা যাচ্ছিল।

তাঁদের বাসা দারুস সালাম মাদবর বাড়ি মসজিদের পাশে। তাঁর বাবা আব্দুল মান্নান দিনমজুরের কাজ করেন। রাতে তার মা জেসমিন টিনশেড ঘরে জানালার পাশে বসে টিভি দেখছিলেন। এ সময় জানালার বাইরে থেকে কে বা কারা গুলি করে। সেই গুলি এসে তাঁর মায়ের ডান হাতে লাগে…

এই সমস্যার সংকট আপনি তৈরি করেছেন। আপনি সংসদকে কার্যকর করেননি। সংসদ কার্যকর না হওয়ার কারণে আজ আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। আপনি যদি প্রথমে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ করতেন, তাহলে সেই সংবিধান পরিষদে আমরা আলোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আপনি সেটা না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা….

তাঁদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রকি হোসেনসহ তাঁর আরও ১০-১২ জন সহযোগী আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের ধাওয়া দিলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রকিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে তিনি আহত হন।