এ সময় রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. সাইফুল ইসলাম উপস্থিত থেকে মানুষের হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দেন। তিনি তাঁদের খোঁজখবরও নেন।
জেলা পরিষদের প্রশাসক মো.সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক দায়িত্ব। সংকটের সময়ে তাঁদের সহযোগিতা করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
খাদ্য সহায়তা পাওয়া কয়েকজন জানান, কাজ না থাকায় সংসারের খরচ চালাতে তাঁদের কষ্ট হচ্ছে। খাদ্যসামগ্রী পেয়ে তাঁরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জেলা পরিষদের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানান।
তাঁদের বাসা দারুস সালাম মাদবর বাড়ি মসজিদের পাশে। তাঁর বাবা আব্দুল মান্নান দিনমজুরের কাজ করেন। রাতে তার মা জেসমিন টিনশেড ঘরে জানালার পাশে বসে টিভি দেখছিলেন। এ সময় জানালার বাইরে থেকে কে বা কারা গুলি করে। সেই গুলি এসে তাঁর মায়ের ডান হাতে লাগে…
এই সমস্যার সংকট আপনি তৈরি করেছেন। আপনি সংসদকে কার্যকর করেননি। সংসদ কার্যকর না হওয়ার কারণে আজ আন্দোলন রাজপথে গড়িয়েছে। আপনি যদি প্রথমে গণভোটের গণরায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন পরিষদ করতেন, তাহলে সেই সংবিধান পরিষদে আমরা আলোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আপনি সেটা না করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা….
তাঁদের উপস্থিতি বুঝতে পেরে রকি হোসেনসহ তাঁর আরও ১০-১২ জন সহযোগী আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ফাঁকা গুলি ছোড়েন এবং একাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের ধাওয়া দিলে অন্যরা পালিয়ে গেলেও রকিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে তিনি আহত হন।
দৈনিক টার্গেট 




















