এর আগে রোববার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলার শ্রীনগর উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার নূর আলম বিবাহিত এবং চার সন্তানের জনক। এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে টঙ্গিবাড়ী থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নূর আলম শেখ প্রায় ১৮ মাস ধরে টঙ্গিবাড়ী উপজেলার বালিগাঁও এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি করতেন। পাশাপাশি স্থানীয় এক শিশুকে বাড়িতে গিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন। এ সুবাদে ওই শিশুর মায়ের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ও গৃহবধূর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও গোপনে ধারণ করার অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক মাস আগে বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদ কমিটি তাঁকে ইমামতির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। পরে তাঁকে এলাকা ছাড়তে হয়। এর পর থেকে ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশ বলেন, অভিযোগের তথ্য পাওয়ার পর অভিযান পরিচালনা করা হয়। রোববার রাতে শ্রীনগরের একটি মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্তকে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

দৈনিক টার্গেট 























