গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ: দুই বছরেও চালু হয়নি পানি শোধনাগার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৭০ বার পঠিত হয়েছে

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে ঘণ্টায় ২০০ ঘনমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পৌরসভার পানি শোধনাগারটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। জুলাই মাসে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে এটি হস্তান্তর করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই)। ১ হাজার ২০০ পরিবার এর সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল। সেখানে উদ্বোধনকালে পানির সংযোগ দেওয়া হয় মাত্র ৬০০ পরিবারকে। মাস দুয়েক পরে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়।

এর পর থেকে অদ্যাবধি আর চালু হয়নি শোধনাগারটি। প্রকল্পটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৩ টাকা। এটি ২০২২ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অর্থায়নে করা হয়েছে।

পৌরবাসীর অভিযোগ, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে শোধনাগারটি নির্মাণ করা হলেও এটি কার্যকরভাবে কাজে না আসায় তাঁদের পানির সংকট রয়েই গেছে। বাধ্য হয়ে বিকল্প উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করছেন।

পৌরবাসীর প্রশ্ন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত শোধনাগারটি কেন পরিচালিত হচ্ছে না এবং এর পেছনে কী ধরনের কারিগরি, ব্যবস্থাপনাগত বা অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. খোকন রানা বলেন, ‘যথাসময়ে নির্মাণকাজ শেষ করে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। তারা মাস তিনেক সার্ভিসও দিয়েছে। এরপর পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হলে বিভিন্ন স্থানে পানি সরবরাহের লাইন নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণে পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল।’

মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা ও বনাঞ্চল কেটে একের পর এক রিসোর্ট গড়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে জেলায় এমন রিসোর্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ হলেও এর বেশির ভাগের অনুমোদন ও বৈধতার তথ্য নেই সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলে তৈরি হয়েছে শতাধিক রিসোর্ট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ২টি পৃথক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

খুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি) মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নতুন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। মশার লার্ভা নিধনের জন্য নতুন করে ১৫৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে কেনা হয়েছে ওষুধ। তবে এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। এরপর ওষুধ ফেরত পাঠানো হচ্ছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

আজকের নামাজের সময়সূচি: ০৪ নভেম্বর ২০২৬

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ: দুই বছরেও চালু হয়নি পানি শোধনাগার

প্রকাশ: ০২:৩৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জানা যায়, ২০২৪ সালের জুন মাসে ঘণ্টায় ২০০ ঘনমিটার ক্ষমতাসম্পন্ন পৌরসভার পানি শোধনাগারটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। জুলাই মাসে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে এটি হস্তান্তর করে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (ডিপিএইচই)। ১ হাজার ২০০ পরিবার এর সুবিধা পাওয়ার কথা ছিল। সেখানে উদ্বোধনকালে পানির সংযোগ দেওয়া হয় মাত্র ৬০০ পরিবারকে। মাস দুয়েক পরে সেটিও বন্ধ হয়ে যায়।

এর পর থেকে অদ্যাবধি আর চালু হয়নি শোধনাগারটি। প্রকল্পটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৬৫ হাজার ৪৭৩ টাকা। এটি ২০২২ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) অর্থায়নে করা হয়েছে।

পৌরবাসীর অভিযোগ, নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে শোধনাগারটি নির্মাণ করা হলেও এটি কার্যকরভাবে কাজে না আসায় তাঁদের পানির সংকট রয়েই গেছে। বাধ্য হয়ে বিকল্প উৎস থেকে পানি সংগ্রহ করছেন।

পৌরবাসীর প্রশ্ন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে নির্মিত শোধনাগারটি কেন পরিচালিত হচ্ছে না এবং এর পেছনে কী ধরনের কারিগরি, ব্যবস্থাপনাগত বা অন্য কোনো সমস্যা রয়েছে—তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. খোকন রানা বলেন, ‘যথাসময়ে নির্মাণকাজ শেষ করে পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। তারা মাস তিনেক সার্ভিসও দিয়েছে। এরপর পৌরসভার রাস্তা ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু হলে বিভিন্ন স্থানে পানি সরবরাহের লাইন নষ্ট হয়ে যায়। সে কারণে পানি সরবরাহ বন্ধ ছিল।’

মৌলভীবাজারে পাহাড়-টিলা ও বনাঞ্চল কেটে একের পর এক রিসোর্ট গড়ে উঠছে। গত কয়েক বছরে জেলায় এমন রিসোর্টের সংখ্যা বেড়ে প্রায় ২০০ হলেও এর বেশির ভাগের অনুমোদন ও বৈধতার তথ্য নেই সরকারি দপ্তরগুলোর কাছে। বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলে তৈরি হয়েছে শতাধিক রিসোর্ট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ২টি পৃথক স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

খুলনা সিটি করপোরেশনে (কেসিসি) মশকনিধন কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নতুন পদক্ষেপ হাতে নেওয়া হয়েছে। মশার লার্ভা নিধনের জন্য নতুন করে ১৫৫ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে কেনা হয়েছে ওষুধ। তবে এই ওষুধ পরীক্ষা করে দেখা যায়, ১৫ শতাংশ মশার লার্ভাও মরেনি। এরপর ওষুধ ফেরত পাঠানো হচ্ছে।