এশিয়ার শিল্প খাত: এআই খাতে বিনিয়োগের সুফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০১:১৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • ৬ বার পঠিত হয়েছে

• জাপানে পিএমআই ৫৪ দশমিক ১ থেকে কমে ৫৩ দশমিক ৩।

• দক্ষিণ কোরিয়ার পিএমআই ৫৩ দশমিক ৯ থেকে নেমে ৫১ দশমিক ৩।

• তাইওয়ানে পিএমআই ৫৬ দশমিক ৭ থেকে কমে ৫৪ দশমিক ৯।

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল বিনিয়োগের সুফল নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এশিয়ার প্রধান প্রযুক্তি ও চিপ উৎপাদনকারী দেশগুলোর শিল্প খাতে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে অক্টোবরে উৎপাদন খাত সম্প্রসারিত হলেও প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্বল ভোগব্যয়ের চাপের মধ্যে এআই ও চিপের চাহিদার ওপর নির্ভরশীল এশিয়ার রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির সামনে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রকাশিত বেসরকারি জরিপের তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। এত দিন চিপ ও এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাড়তি চাহিদা এশিয়ার উৎপাদন খাতকে চাঙা রেখেছিল। কিন্তু এআই খাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের বিপরীতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশিত মুনাফা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। এতে ব্যবসায়িক আস্থাও দুর্বল হচ্ছে।

টোকিওভিত্তিক দাই-ইচি লাইফ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদীয়মান বাজারবিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ তোরু নিশিহামা বলেন, চিপ ও এআইয়ের জোরালো চাহিদা এশিয়া ও বিশ্ব অর্থনীতির দুর্বলতাগুলো এত দিন আড়াল করে রেখেছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এশিয়ার মানুষের ভোগব্যয় কমাচ্ছে। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে মূল্য প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানিকারকেরাও চাপে পড়ছেন।

চীনের উৎপাদন খাতেও মন্থরতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সংকলিত রেটিংডগ চায়না জেনারেল ম্যানুফ্যাকচারিং পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) অক্টোবরে ৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, সেপ্টেম্বরে যা ছিল ৫২ দশমিক ১। সূচক ৫০-এর ওপরে থাকায় উৎপাদন খাত সম্প্রসারণের ধারায় থাকলেও আগের মাসের তুলনায় গতি কমেছে। এর আগে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানেও অক্টোবরে চীনের কারখানার কার্যক্রম সংকুচিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। গত চার মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

চীনের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানেও উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণের গতি কমেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের জরিপ অনুযায়ী, জাপানের উৎপাদন খাতের পিএমআই সেপ্টেম্বরে ৫৪ দশমিক ১ থেকে অক্টোবরে ৫৩ দশমিক ৩-এ নেমেছে। উৎপাদন ও নতুন ক্রয়াদেশের গতি কমে যাওয়ায় গত সাত মাসের মধ্যে দেশটির উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ ছিল সবচেয়ে ধীর।

দক্ষিণ কোরিয়ায় উৎপাদন খাতের পিএমআই ৫৩ দশমিক ৯ থেকে কমে ৫১ দশমিক ৩ হয়েছে। গত আট মাসের মধ্যে দেশটির কারখানার কার্যক্রমে সম্প্রসারণ ছিল সবচেয়ে ধীর। তাইওয়ানের পিএমআইও সেপ্টেম্বরে ৫৬ দশমিক ৭ থেকে কমে অক্টোবরে ৫৪ দশমিক ৯ হয়েছে।

তবে এশিয়ার সব দেশের উৎপাদন খাতে মন্থরতা দেখা যায়নি। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় অক্টোবরে কারখানার কার্যক্রম আগের মাসের তুলনায় দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। ভারতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়া ও নতুন কর্মী নিয়োগ কমে যাওয়ায় উৎপাদন প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। তবে রপ্তানি আদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালে এশিয়ার অর্থনীতি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। ২০২৫ সালের ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় এ হার কম। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং এআই খাতের উত্থানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংশোধনকে এ অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য বাড়তি ঝুঁকি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।

এআই খাতের উত্থান থেকে সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর অন্যতম জাপান। তবে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে, এআই নিয়ে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় বড় ধরনের ধাক্কা এলে তার প্রভাব প্রযুক্তি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি কঠোর হওয়া, শেয়ারবাজারে দ্রুত দরপতন এবং এআই উন্নয়নে বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে রপ্তানি ও উৎপাদন কমে জাপানের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

১২ কেজি এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

১২ কেজি এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত দাম আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে শঙ্কায় প্রযুক্তি বিশ্ব। যার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার প্রধান চিপ উৎপাদনকারী দেশগুলোতে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে অক্টোবরে উৎপাদন খাত সম্প্রসারিত হলেও আগের মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ছিল ধীর। এতে এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত…

বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

গ্রীষ্মকালে দেশে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ চাহিদা ৫ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। তবে প্রচলিত ফ্যানের পরিবর্তে বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী ‘বিএলডিসি’ (ব্রাশলেস ডিরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করা গেলে গ্রীষ্মের পিক সময়ে প্রায় ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা কমানো সম্ভব।

জনপ্রিয় টার্গেট

এশিয়ার শিল্প খাত: এআই খাতে বিনিয়োগের সুফল নিয়ে অনিশ্চয়তা

প্রকাশ: ০১:১৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

• জাপানে পিএমআই ৫৪ দশমিক ১ থেকে কমে ৫৩ দশমিক ৩।

• দক্ষিণ কোরিয়ার পিএমআই ৫৩ দশমিক ৯ থেকে নেমে ৫১ দশমিক ৩।

• তাইওয়ানে পিএমআই ৫৬ দশমিক ৭ থেকে কমে ৫৪ দশমিক ৯।

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিপুল বিনিয়োগের সুফল নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে এশিয়ার প্রধান প্রযুক্তি ও চিপ উৎপাদনকারী দেশগুলোর শিল্প খাতে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে অক্টোবরে উৎপাদন খাত সম্প্রসারিত হলেও প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্বল ভোগব্যয়ের চাপের মধ্যে এআই ও চিপের চাহিদার ওপর নির্ভরশীল এশিয়ার রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির সামনে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

গতকাল সোমবার প্রকাশিত বেসরকারি জরিপের তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। এত দিন চিপ ও এআই-সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাড়তি চাহিদা এশিয়ার উৎপাদন খাতকে চাঙা রেখেছিল। কিন্তু এআই খাতে বিপুল অর্থ বিনিয়োগের বিপরীতে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো প্রত্যাশিত মুনাফা করতে পারবে কি না, তা নিয়ে বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ বাড়ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমছে। এতে ব্যবসায়িক আস্থাও দুর্বল হচ্ছে।

টোকিওভিত্তিক দাই-ইচি লাইফ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের উদীয়মান বাজারবিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ তোরু নিশিহামা বলেন, চিপ ও এআইয়ের জোরালো চাহিদা এশিয়া ও বিশ্ব অর্থনীতির দুর্বলতাগুলো এত দিন আড়াল করে রেখেছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হওয়া এবং জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় সেই পরিস্থিতি ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি এশিয়ার মানুষের ভোগব্যয় কমাচ্ছে। পাশাপাশি চীনের সঙ্গে মূল্য প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ায় জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার রপ্তানিকারকেরাও চাপে পড়ছেন।

চীনের উৎপাদন খাতেও মন্থরতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের সংকলিত রেটিংডগ চায়না জেনারেল ম্যানুফ্যাকচারিং পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) অক্টোবরে ৫২ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে, সেপ্টেম্বরে যা ছিল ৫২ দশমিক ১। সূচক ৫০-এর ওপরে থাকায় উৎপাদন খাত সম্প্রসারণের ধারায় থাকলেও আগের মাসের তুলনায় গতি কমেছে। এর আগে প্রকাশিত সরকারি পরিসংখ্যানেও অক্টোবরে চীনের কারখানার কার্যক্রম সংকুচিত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়। গত চার মাসের মধ্যে তৃতীয়বারের মতো এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

চীনের পাশাপাশি জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানেও উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণের গতি কমেছে। এসঅ্যান্ডপি গ্লোবালের জরিপ অনুযায়ী, জাপানের উৎপাদন খাতের পিএমআই সেপ্টেম্বরে ৫৪ দশমিক ১ থেকে অক্টোবরে ৫৩ দশমিক ৩-এ নেমেছে। উৎপাদন ও নতুন ক্রয়াদেশের গতি কমে যাওয়ায় গত সাত মাসের মধ্যে দেশটির উৎপাদন খাতের সম্প্রসারণ ছিল সবচেয়ে ধীর।

দক্ষিণ কোরিয়ায় উৎপাদন খাতের পিএমআই ৫৩ দশমিক ৯ থেকে কমে ৫১ দশমিক ৩ হয়েছে। গত আট মাসের মধ্যে দেশটির কারখানার কার্যক্রমে সম্প্রসারণ ছিল সবচেয়ে ধীর। তাইওয়ানের পিএমআইও সেপ্টেম্বরে ৫৬ দশমিক ৭ থেকে কমে অক্টোবরে ৫৪ দশমিক ৯ হয়েছে।

তবে এশিয়ার সব দেশের উৎপাদন খাতে মন্থরতা দেখা যায়নি। ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় অক্টোবরে কারখানার কার্যক্রম আগের মাসের তুলনায় দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। ভারতে অভ্যন্তরীণ চাহিদা দুর্বল হওয়া ও নতুন কর্মী নিয়োগ কমে যাওয়ায় উৎপাদন প্রবৃদ্ধির গতি কমেছে। তবে রপ্তানি আদেশ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) পূর্বাভাস দিয়েছে, ২০২৬ সালে এশিয়ার অর্থনীতি ৪ দশমিক ৮ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে। ২০২৫ সালের ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির তুলনায় এ হার কম। ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা এবং এআই খাতের উত্থানে সম্ভাব্য বড় ধরনের সংশোধনকে এ অঞ্চলের অর্থনীতির জন্য বাড়তি ঝুঁকি হিসেবে দেখছে সংস্থাটি।

এআই খাতের উত্থান থেকে সুবিধা পাওয়া দেশগুলোর অন্যতম জাপান। তবে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে, এআই নিয়ে প্রবৃদ্ধির প্রত্যাশায় বড় ধরনের ধাক্কা এলে তার প্রভাব প্রযুক্তি খাতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। বৈশ্বিক আর্থিক পরিস্থিতি কঠোর হওয়া, শেয়ারবাজারে দ্রুত দরপতন এবং এআই উন্নয়নে বিনিয়োগের গতি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে রপ্তানি ও উৎপাদন কমে জাপানের অর্থনীতিও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

১২ কেজি এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

১২ কেজি এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

আজ সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এলপিজির নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত দাম আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর হবে।

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

এআই খাতের চাহিদায় ভাটা, কমছে এশিয়ায় চিপ উৎপাদন

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে শঙ্কায় প্রযুক্তি বিশ্ব। যার প্রভাব পড়েছে এশিয়ার প্রধান চিপ উৎপাদনকারী দেশগুলোতে। চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও তাইওয়ানে অক্টোবরে উৎপাদন খাত সম্প্রসারিত হলেও আগের মাসের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ছিল ধীর। এতে এআই খাতে বিপুল বিনিয়োগের বিপরীতে প্রত্যাশিত…

বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

গ্রীষ্মকালে দেশে বাসাবাড়িতে ফ্যান ব্যবহারের কারণে বিদ্যুৎ চাহিদা ৫ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। তবে প্রচলিত ফ্যানের পরিবর্তে বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী ‘বিএলডিসি’ (ব্রাশলেস ডিরেক্ট কারেন্ট) ফ্যান ব্যবহার করা গেলে গ্রীষ্মের পিক সময়ে প্রায় ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুতের চাহিদা কমানো সম্ভব।