বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
  • ৮ বার পঠিত হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস’ (আইইইএফএ)-এর গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

আজ সোমবার প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার (৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রয়োজন এড়ানো যাবে।

উল্লেখ্য, বিএলডিসি ফ্যান (ব্রাশলেস ডিরেক্ট কারেন্ট ফ্যান) হলো এমন এক ধরনের আধুনিক বৈদ্যুতিক ফ্যান, যা প্রচলিত এসি ইনডাকশন মোটরের পরিবর্তে একটি ব্রাশহীন ডিসি মোটর ব্যবহার করে চলে। এতে কোনো কার্বন ব্রাশ থাকে না, বরং স্থায়ী চৌম্বক এবং একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বোর্ডের মাধ্যমে ফ্যানটি ঘোরে।

আইইইএফএ-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্রীষ্মের রাতে (বিশেষ করে রাত ৯টায়) ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা রাখার জন্য ফ্যান ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা তৈরি হয়। ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (পিক) চাহিদা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯ হাজার ২৭ মেগাওয়াট।

প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়, ২৬টি জেলার ৪৩৫টি খানা বা পরিবারের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ ফ্যান যেখানে ৭০ ওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, সেখানে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করে মাত্র ৩৫ ওয়াট। অথচ বর্তমানে দেশের মোট ব্যবহৃত ফ্যানের মধ্যে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি প্রযুক্তির।

প্রতিবেদনের লেখক এবং আইইইএফএ-এর লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে নানা সংকট বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা মেটানো কঠিন করে তুলেছে। বিএলডিসি ফ্যানের ব্যাপক ব্যবহার বিদ্যুতের চাহিদা কমাবে এবং পিডিবির ওপর চাপ হ্রাস করবে।’

গবেষণায় দেখা গেছে, সব সাধারণ ফ্যান পরিবর্তন করে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করা হলে বছরে ৬ হাজার ৯১৩ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮৯ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (৮,৯৮৭ কোটি) টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও ৭৫ শতাংশ পরিবার বাজারে যে এই ধরনের ফ্যান পাওয়া যায় সে বিষয়ে জানে না। সচেতন করার পর ৯৬ শতাংশ গ্রাহক বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারে আগ্রহ দেখালেও এর চড়া দাম মূল বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে একটি সাধারণ ফ্যানের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা হলেও বিএলডিসি ফ্যানের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ নিম্নআয়ের পরিবার (যাদের মাসিক আয় ২৫,০০০ টাকার নিচে) গ্রীষ্মকালে গড়ে প্রতি মাসে ৬৬৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল দেয়। কোনো সরকারি সহায়তা ছাড়া বিএলডিসি ফ্যানের অতিরিক্ত দাম তুলে আনতে (পে-ব্যাক পিরিয়ড) তাদের ৭ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৬ বছর সময় লেগে যাবে।

উচ্চমূল্যের সমস্যা সমাধানে আইইইএফএ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি সাতটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে:

১. জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ: সাশ্রয়ী ফ্যান নিশ্চিতে একটি জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন এবং এটি বাস্তবায়নে একটি ‘সুপার এসকো’ (Super ESCO) প্রতিষ্ঠা করা।

২. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: বিদ্যুৎ ও অর্থ সাশ্রয়ের তথ্য প্রচার করে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।

৩. মান নির্ধারণ ও লেবেলিং: মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা স্রেডা (SREDA)-এর মাধ্যমে ফ্যানের মান নির্ধারণ এবং স্টার-লেবেলিং চূড়ান্ত করা।

৪. পাইকারি ক্রয় ও কার্বন রাজস্ব ব্যবহার: সরকারের পক্ষ থেকে একসংগে বিপুল পরিমাণ (বাল্ক) ফ্যান কিনে উৎপাদন খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক কার্বন রাজস্ব তহবিল ব্যবহার করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দাম কমিয়ে আনা।

৫. সহজ অর্থায়ন ব্যবস্থা: বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে কিস্তিতে টাকা পরিশোধের (অন-বিল ফাইন্যান্সিং) সুবিধা চালু করা।

৬. কার্যকর বাস্তবায়ন: সুপার এসকোর অধীনে কর্মসূচিটি দ্রুত মাঠে নিয়ে আসা।

৭. গুণগত মান নিশ্চিতকরণ: বাজারে আসা পণ্যের মান পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

শফিকুল আলম মনে করেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও পাইকারি ক্রয়ের মাধ্যমে বিএলডিসি ফ্যানের দাম আনা সম্ভব হলে নিম্নআয়ের পরিবারের অতিরিক্ত টাকা তুলে আনার সময়সীমা ৪ দশমিক ৮ বছরে নেমে আসবে।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের চলমান সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প অপেক্ষা দ্রুত চাহিদা কমানোর পদ্ধতিগুলোতে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

এলডিসি উত্তরণে বাড়তি সময়ের বড় পরীক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

এলডিসি উত্তরণে বাড়তি সময়ের বড় পরীক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় বাড়িয়েছে জাতিসংঘ। এই বাড়তি সময় বাংলাদেশের জন্য অর্থনীতির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এ জন্য শুধু পরিকল্পনা করলেই চলবে না। সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।

চুরি করা ক্রিপ্টো যেন হাতে নেওয়া গরম আলু—বলছেন কুখ্যাত হ্যাকার

চুরি করা ক্রিপ্টো যেন হাতে নেওয়া গরম আলু—বলছেন কুখ্যাত হ্যাকার

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে বড় ধরনের সাইবার হামলায় ৬০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবারের এ হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় টার্গেট

বাড়িতে মেহমান নিয়ে ব্যস্ত সবাই, পুকুরে ডুবে প্রাণ গেল দুই বোনের

বিএলডিসি ফ্যানে গ্রীষ্মে ২ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব: গবেষণা

প্রকাশ: ০২:৫৯:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ‘ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস’ (আইইইএফএ)-এর গবেষণা প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

আজ সোমবার প্রকাশিত ‘হাউসহোল্ড স্পেস কুলিং ইন বাংলাদেশ: রোল অব এনার্জি-এফিশিয়েন্ট ফ্যানস’ শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, বিদ্যুৎ-সাশ্রয়ী ফ্যান ব্যবহারে বিদ্যুৎ খাতের ওপর চাপ কমার পাশাপাশি নতুন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার (৪ বিলিয়ন ডলার) বিনিয়োগের প্রয়োজন এড়ানো যাবে।

উল্লেখ্য, বিএলডিসি ফ্যান (ব্রাশলেস ডিরেক্ট কারেন্ট ফ্যান) হলো এমন এক ধরনের আধুনিক বৈদ্যুতিক ফ্যান, যা প্রচলিত এসি ইনডাকশন মোটরের পরিবর্তে একটি ব্রাশহীন ডিসি মোটর ব্যবহার করে চলে। এতে কোনো কার্বন ব্রাশ থাকে না, বরং স্থায়ী চৌম্বক এবং একটি ইলেকট্রনিক সার্কিট বোর্ডের মাধ্যমে ফ্যানটি ঘোরে।

আইইইএফএ-এর তথ্য অনুযায়ী, দেশে গ্রীষ্মের রাতে (বিশেষ করে রাত ৯টায়) ঘরের পরিবেশ ঠান্ডা রাখার জন্য ফ্যান ব্যবহারের কারণে অতিরিক্ত ৫ হাজার ২১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ চাহিদা তৈরি হয়। ২০২৬ সালের ২৭ আগস্ট রাত ৯টায় দেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ (পিক) চাহিদা রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯ হাজার ২৭ মেগাওয়াট।

প্রতিবেদনটিতে জানানো হয়, ২৬টি জেলার ৪৩৫টি খানা বা পরিবারের ওপর জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে, সাধারণ ফ্যান যেখানে ৭০ ওয়াট বা তার বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে, সেখানে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করে মাত্র ৩৫ ওয়াট। অথচ বর্তমানে দেশের মোট ব্যবহৃত ফ্যানের মধ্যে মাত্র ১ দশমিক ৪ শতাংশ বিএলডিসি প্রযুক্তির।

প্রতিবেদনের লেখক এবং আইইইএফএ-এর লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে নানা সংকট বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) জন্য চাহিদা মেটানো কঠিন করে তুলেছে। বিএলডিসি ফ্যানের ব্যাপক ব্যবহার বিদ্যুতের চাহিদা কমাবে এবং পিডিবির ওপর চাপ হ্রাস করবে।’

গবেষণায় দেখা গেছে, সব সাধারণ ফ্যান পরিবর্তন করে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহার করা হলে বছরে ৬ হাজার ৯১৩ গিগাওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব, যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮৯ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন (৮,৯৮৭ কোটি) টাকা।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিল কমানোর আগ্রহ থাকলেও ৭৫ শতাংশ পরিবার বাজারে যে এই ধরনের ফ্যান পাওয়া যায় সে বিষয়ে জানে না। সচেতন করার পর ৯৬ শতাংশ গ্রাহক বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারে আগ্রহ দেখালেও এর চড়া দাম মূল বাধা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে একটি সাধারণ ফ্যানের দাম প্রায় ২ হাজার টাকা হলেও বিএলডিসি ফ্যানের দাম ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার ৩০০ টাকা পর্যন্ত।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ নিম্নআয়ের পরিবার (যাদের মাসিক আয় ২৫,০০০ টাকার নিচে) গ্রীষ্মকালে গড়ে প্রতি মাসে ৬৬৩ টাকা বিদ্যুৎ বিল দেয়। কোনো সরকারি সহায়তা ছাড়া বিএলডিসি ফ্যানের অতিরিক্ত দাম তুলে আনতে (পে-ব্যাক পিরিয়ড) তাদের ৭ দশমিক ৭ থেকে ৯ দশমিক ৬ বছর সময় লেগে যাবে।

উচ্চমূল্যের সমস্যা সমাধানে আইইইএফএ সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি সাতটি সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে:

১. জাতীয় কর্মসূচি গ্রহণ: সাশ্রয়ী ফ্যান নিশ্চিতে একটি জাতীয় কর্মসূচি প্রণয়ন এবং এটি বাস্তবায়নে একটি ‘সুপার এসকো’ (Super ESCO) প্রতিষ্ঠা করা।

২. গণসচেতনতা বৃদ্ধি: বিদ্যুৎ ও অর্থ সাশ্রয়ের তথ্য প্রচার করে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।

৩. মান নির্ধারণ ও লেবেলিং: মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা স্রেডা (SREDA)-এর মাধ্যমে ফ্যানের মান নির্ধারণ এবং স্টার-লেবেলিং চূড়ান্ত করা।

৪. পাইকারি ক্রয় ও কার্বন রাজস্ব ব্যবহার: সরকারের পক্ষ থেকে একসংগে বিপুল পরিমাণ (বাল্ক) ফ্যান কিনে উৎপাদন খরচ কমানো এবং আন্তর্জাতিক কার্বন রাজস্ব তহবিল ব্যবহার করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য দাম কমিয়ে আনা।

৫. সহজ অর্থায়ন ব্যবস্থা: বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে কিস্তিতে টাকা পরিশোধের (অন-বিল ফাইন্যান্সিং) সুবিধা চালু করা।

৬. কার্যকর বাস্তবায়ন: সুপার এসকোর অধীনে কর্মসূচিটি দ্রুত মাঠে নিয়ে আসা।

৭. গুণগত মান নিশ্চিতকরণ: বাজারে আসা পণ্যের মান পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণে শক্তিশালী ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

শফিকুল আলম মনে করেন, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও পাইকারি ক্রয়ের মাধ্যমে বিএলডিসি ফ্যানের দাম আনা সম্ভব হলে নিম্নআয়ের পরিবারের অতিরিক্ত টাকা তুলে আনার সময়সীমা ৪ দশমিক ৮ বছরে নেমে আসবে।

বাংলাদেশের জ্বালানি খাতের চলমান সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প অপেক্ষা দ্রুত চাহিদা কমানোর পদ্ধতিগুলোতে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনটিতে সুপারিশ করা হয়েছে।

এলডিসি উত্তরণে বাড়তি সময়ের বড় পরীক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

এলডিসি উত্তরণে বাড়তি সময়ের বড় পরীক্ষা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন

এলডিসি উত্তরণে তিন বছর সময় বাড়িয়েছে জাতিসংঘ। এই বাড়তি সময় বাংলাদেশের জন্য অর্থনীতির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এ জন্য শুধু পরিকল্পনা করলেই চলবে না। সংস্কার বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ও মন্ত্রণালয়গুলোর মধ্যে সমন্বয় থাকতে হবে।

চুরি করা ক্রিপ্টো যেন হাতে নেওয়া গরম আলু—বলছেন কুখ্যাত হ্যাকার

চুরি করা ক্রিপ্টো যেন হাতে নেওয়া গরম আলু—বলছেন কুখ্যাত হ্যাকার

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিময় প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্সে বড় ধরনের সাইবার হামলায় ৬০০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবারের এ হামলার পেছনে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।