আজ শুক্রবার (৬ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে সুলতানা বেগম এ অভিযোগ করেন।
সমাবেশে গার্মেন্টস শ্রমিক তৌফিক হত্যার বিচার, শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ, মজুরি বোর্ড গঠন এবং গ্রেপ্তার শ্রমিক নেত্রী রোজিনা আক্তার সুমিসহ শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হয়। একই সঙ্গে তাঁদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান বক্তারা।
সুলতানা বেগম বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও মজুরি বোর্ড গঠনের দাবিতে আন্দোলন করলেই তাঁদের উসকানিদাতা বা তৃতীয় পক্ষের শক্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। অথচ নিজেদের ন্যায্য অধিকার আদায়েই শ্রমিকেরা আন্দোলনে নেমেছেন।
গ্রিন বাংলা গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মতো শ্রমিকদেরও একই বাজারে কেনাকাটা করে সংসার চালাতে হয়। তাই জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তাঁদের মজুরি নির্ধারণ করতে হবে। সরকার ও মালিকপক্ষের গাফিলতির কারণেই শ্রমিকেরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন।
সমাবেশে অন্যান্য বক্তারা বলেন, শ্রমিকেরা আন্দোলনে না নামলে মজুরি বৃদ্ধি বা মজুরি বোর্ড গঠনের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের উদ্যোগ দেখা যায় না। অথচ ন্যায্য মজুরির দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে শ্রমিকদের গ্রেপ্তার ও নির্যাতনের শিকার হতে হচ্ছে।
বক্তারা গ্রেপ্তার শ্রমিক নেতাদের মুক্তি এবং আন্দোলনে আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার দায়িত্ব সরকারকে নেওয়ার দাবি জানান।
সমাবেশে জানানো হয়, গত ৩১ অক্টোবর রাতে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন বিএনএস সেন্টারের রেড কিচেনের সামনে থেকে রোজিনা আক্তার সুমিসহ চার শ্রমিক নেতাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাঁদের চার দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হওয়ায় তাঁরা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
সমাবেশে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফরিদ উদ্দীন, দপ্তর সম্পাদক আমরিন হোসাইন এ্যানি, প্রচার সম্পাদক মো. তাহেরুল ইসলামসহ সংগঠনের নেতা-কর্মীরা বক্তব্য দেন।

দৈনিক টার্গেট 
























