কবরস্থান থেকে সেই পীরের মরদেহ সরিয়ে দরবারে দাফনের অভিযোগ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার পঠিত হয়েছে

স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার স্থানীয় একটি কবরস্থান থেকে শামিমের মরদেহ তুলে ‘শামিমি বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত স্থানে নতুন করে দাফন করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান।

নিহত শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, সকালে খবর পেয়ে তাঁরা কবরস্থানে গিয়ে দেখেন, কবরটি খোঁড়া হয়েছে। মরদেহ তুলে নেওয়ার আলামতও পাওয়া গেছে। পরে দরবার প্রাঙ্গণে গিয়ে একটি নতুন কবর খোঁড়া এবং খাপাচি দিয়ে মাটি চাপা অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।

দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না, তা নিশ্চিত হতে আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ করা হয়। পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

মরদেহ কবরস্থান থেকে সরিয়ে দরবার প্রাঙ্গণে দাফনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

বরিশালের মুলাদীতে ধানখেতে কাজ করার সময় ফিরোজ হাওলাদার (৪৪) নামে এক কৃষককে লোহার রড, হকিস্টিক, স্টাম্প ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তাঁর বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকসহ স্বামী-স্ত্রীর লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত নাজমা বেগমের বড় বোন শাপলা ঘটনাস্থলে এসে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন…

গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার হাজতখানা থেকে পালিয়ে যান আব্দুল মোমিন। আদালতে হাজিরার জন্য কারাগার থেকে কয়েকজন আসামির সঙ্গে তাঁকেও হাজতখানায় রাখা হয়েছিল।

জনপ্রিয় টার্গেট

বাবর কি পাকিস্তানের পরের টার্গেট

কবরস্থান থেকে সেই পীরের মরদেহ সরিয়ে দরবারে দাফনের অভিযোগ

প্রকাশ: ০২:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

স্বজনদের অভিযোগ, শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার ফিলিপনগর দারোগার মোড় এলাকার স্থানীয় একটি কবরস্থান থেকে শামিমের মরদেহ তুলে ‘শামিমি বাবার দরবার শরিফ’ নামে পরিচিত স্থানে নতুন করে দাফন করা হয়েছে।

খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালেদুর রহমান।

নিহত শামিমের বড় ভাই ফজলুর রহমান বলেন, সকালে খবর পেয়ে তাঁরা কবরস্থানে গিয়ে দেখেন, কবরটি খোঁড়া হয়েছে। মরদেহ তুলে নেওয়ার আলামতও পাওয়া গেছে। পরে দরবার প্রাঙ্গণে গিয়ে একটি নতুন কবর খোঁড়া এবং খাপাচি দিয়ে মাটি চাপা অবস্থায় দেখতে পান তাঁরা।

দৌলতপুর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ সরিয়ে নেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। নতুন কবরের ভেতরে কঙ্কালসদৃশ বস্তু দেখা যাচ্ছে। তবে সেটি শামিমের মরদেহের অংশ কি না, তা নিশ্চিত হতে আরও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। তাঁদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১১ এপ্রিল দুপুরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শামিমের দরবারে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ সময় তাঁকে মারধর করে হত্যার অভিযোগ করা হয়। পরদিন ১২ এপ্রিল ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয় একটি কবরস্থানে তাঁর মরদেহ দাফন করা হয়।

মরদেহ কবরস্থান থেকে সরিয়ে দরবার প্রাঙ্গণে দাফনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

বরিশালের মুলাদীতে ধানখেতে কাজ করার সময় ফিরোজ হাওলাদার (৪৪) নামে এক কৃষককে লোহার রড, হকিস্টিক, স্টাম্প ও লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় তাঁর বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঢাকার আশুলিয়ায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া নবজাতকসহ স্বামী-স্ত্রীর লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। নিহত নাজমা বেগমের বড় বোন শাপলা ঘটনাস্থলে এসে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করেছেন…

গত বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার হাজতখানা থেকে পালিয়ে যান আব্দুল মোমিন। আদালতে হাজিরার জন্য কারাগার থেকে কয়েকজন আসামির সঙ্গে তাঁকেও হাজতখানায় রাখা হয়েছিল।