০৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কার্ব আর ফ্যাট কি আসলেই শত্রু? জানুন পুষ্টিবিজ্ঞানের বড় বড় মিথ

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৭:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো, কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা মানেই বুঝি শরীরের শত্রু। ভাত, রুটি বা পাস্তা দেখলেই অনেকে আতঙ্কে দূরে সরে যান। কিন্তু সত্য হলো, আমাদের বেঁচে থাকার জন্য কার্ব একান্ত প্রয়োজন। আসল কথা হলো আপনি কোন ধরনের কার্ব খাচ্ছেন। কুকিজ বা ক্যান্ডির মতো রিফাইন্ড বা সিম্পল কার্ব এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ হলেও, লাল চালের ভাত, হোল-হুইট ব্রেড বা ওটসের মতো জটিল বা কমপ্লেক্স কার্ব ফাইবার ও পুষ্টিতে ভরপুর। এগুলো আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কার্যকর।

আরেকটি প্রচলিত মিথ হলো, সুস্থ থাকতে হলে ডায়েট থেকে সব ধরনের চর্বি বা ফ্যাট চিরতরে দূর করতে হবে। অথচ ফ্যাট আমাদের শরীরের একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এভোকাডো, বাদাম বা জলপাই তেলের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হরমোন ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। সমস্যা হলো অতিরিক্ত বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট। তাই ফ্যাট পুরোপুরি বাদ না দিয়ে পরিমিত পরিমাণে ভালো ফ্যাট বেছে নেওয়াই আসল বুদ্ধিমানের কাজ।

সুপারমার্কেটের তাকে ‘লো-ফ্যাট’ বা ‘ফ্যাট-ফ্রি’ লেখা চকচকে প্যাকেজ দেখে অনেক সময় আমরা ভেবে বসি—এগুলো যত খুশি খাওয়া যায়, ওজন বাড়ার জো নেই! কিন্তু সাবধান, এই ‘অলৌকিক’ খাবারগুলোতে ফ্যাট কমানোর চক্করে প্রচুর পরিমাণে চিনি, স্টার্চ বা লবণ মেশানো হয়। ফলে এগুলোতে ক্যালোরির পরিমাণ সাধারণ খাবারের চেয়ে অনেক সময় বেশিই থাকে। তাই লেবেল না দেখে সরাসরি মাঝারি পরিমাণে আসল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অনেক বেশি নিরাপদ।

ছোটবেলা থেকে আমরা শুনে আসছি, সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া মানেই বিশাল কোন অপরাধ। কিন্তু ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা আধুনিক জীবনধারার যুগে এসে এই ধারণাও অনেকটাই বদলে গেছে। সকালবেলা যদি আপনার খিদে না পায়, তবে জোর করে খাওয়ার কোনো মানে নেই। সবার শরীর এক নয়; তাই নিজের শরীরের সিগন্যাল শুনে যখন খিদে পাবে, তখনই পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত।

ওজন কমানোর জন্য ক্যালোরি ডেফিসিট বা পরিমিত খাওয়া জরুরি ঠিক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনাকে না খেয়ে থাকতে হবে। অতিরিক্ত কড়াকড়ি বা ড্রাস্টিক ডায়েট শরীরের মেটাবলিজম কমিয়ে দেয় এবং হরমোনের বারোটা বাজায়। ফলে আপনি দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত আচ্ছন্ন না হয়ে ‘ব্যাক টু বেসিকস’ বা সহজ জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় সমাধান। ক্যালোরি নিয়ে সারাক্ষণ হিসাব কষে মাথা নষ্ট না করে, মন দিয়ে খাবার উপভোগ করুন, শরীরের সিগন্যাল শুনুন এবং হাসিখুশি থাকুন। কারণ জীবনটা শুধু ওজন মাপার যন্ত্রে সংখ্যা কমানোর জন্য নয়, বরং ভালোভাবে বাঁচার জন্য।

সূত্র: হেলথ লাইন, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউস অব হেলথ

সুখ তুমি কী, বড় জানতে ইচ্ছে করে...

সুখ তুমি কী, বড় জানতে ইচ্ছে করে…

রেস্তোরাঁয় সুস্বাদু খাবার টেবিলে আসার পর খাওয়ার আগে কী করি? হ্যাঁ, ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। শেষ যেবার সমুদ্রসৈকতের সূর্যাস্ত দেখে ফিরলেন, সেটা কেমন ছিল? খোলা চোখে দেখেছিলেন, নাকি মুঠোফোনের স্ক্রিনে সেই মুহূর্ত ধারণে ব্যস্ত ছিলেন?

আজকের রাশিফল: ভুল ধরা স্বভাবের কারণে প্রেমের মিষ্টি গন্ধ মুহূর্তেই বারুদ হয়ে যাবে

আজকের রাশিফল: ভুল ধরা স্বভাবের কারণে প্রেমের মিষ্টি গন্ধ মুহূর্তেই বারুদ হয়ে যাবে

আজকে মেজাজ থাকবে ফুটন্ত প্রেশার কুকারের মতো। সামান্য বিষয়েই শিষ দিয়ে ওঠার তীব্র সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। গ্রহদের যা অবস্থান, তাতে কাজের জায়গায় বসের সামনে বীরত্ব দেখাতে গিয়ে অতিরিক্ত কাজ নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে বসতে পারেন, তাই মুখটা একটু বন্ধ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

একটি বেল্টেই বদলে যেতে পারে লুক

একটি বেল্টেই বদলে যেতে পারে লুক

ছোট্ট একটি অনুষঙ্গেই সাধারণ পোশাক হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয়, পরিপাটি ও স্টাইলিশ। তেমনই একটি অনুষঙ্গ বেল্ট। একসময় প্যান্ট বা স্কার্ট কোমরে আটকে রাখতেই এর ব্যবহার বেশি দেখা গেলেও এখন এটি ফ্যাশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জিনসের সঙ্গে চামড়ার বেল্ট, ঢিলেঢালা পোশাকের ওপর চওড়া বেল্ট কিংবা গয়নার মতো…

জনপ্রিয় টার্গেট

এনসিপি থেকে সামান্তা শারমিনের পদত্যাগ

কার্ব আর ফ্যাট কি আসলেই শত্রু? জানুন পুষ্টিবিজ্ঞানের বড় বড় মিথ

প্রকাশ: ০৭:০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো, কার্বোহাইড্রেট বা শর্করা মানেই বুঝি শরীরের শত্রু। ভাত, রুটি বা পাস্তা দেখলেই অনেকে আতঙ্কে দূরে সরে যান। কিন্তু সত্য হলো, আমাদের বেঁচে থাকার জন্য কার্ব একান্ত প্রয়োজন। আসল কথা হলো আপনি কোন ধরনের কার্ব খাচ্ছেন। কুকিজ বা ক্যান্ডির মতো রিফাইন্ড বা সিম্পল কার্ব এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ হলেও, লাল চালের ভাত, হোল-হুইট ব্রেড বা ওটসের মতো জটিল বা কমপ্লেক্স কার্ব ফাইবার ও পুষ্টিতে ভরপুর। এগুলো আপনাকে দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণেও দারুণ কার্যকর।

আরেকটি প্রচলিত মিথ হলো, সুস্থ থাকতে হলে ডায়েট থেকে সব ধরনের চর্বি বা ফ্যাট চিরতরে দূর করতে হবে। অথচ ফ্যাট আমাদের শরীরের একটি অতি প্রয়োজনীয় উপাদান। এভোকাডো, বাদাম বা জলপাই তেলের মতো স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হরমোন ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। সমস্যা হলো অতিরিক্ত বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট। তাই ফ্যাট পুরোপুরি বাদ না দিয়ে পরিমিত পরিমাণে ভালো ফ্যাট বেছে নেওয়াই আসল বুদ্ধিমানের কাজ।

সুপারমার্কেটের তাকে ‘লো-ফ্যাট’ বা ‘ফ্যাট-ফ্রি’ লেখা চকচকে প্যাকেজ দেখে অনেক সময় আমরা ভেবে বসি—এগুলো যত খুশি খাওয়া যায়, ওজন বাড়ার জো নেই! কিন্তু সাবধান, এই ‘অলৌকিক’ খাবারগুলোতে ফ্যাট কমানোর চক্করে প্রচুর পরিমাণে চিনি, স্টার্চ বা লবণ মেশানো হয়। ফলে এগুলোতে ক্যালোরির পরিমাণ সাধারণ খাবারের চেয়ে অনেক সময় বেশিই থাকে। তাই লেবেল না দেখে সরাসরি মাঝারি পরিমাণে আসল ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়া অনেক বেশি নিরাপদ।

ছোটবেলা থেকে আমরা শুনে আসছি, সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া মানেই বিশাল কোন অপরাধ। কিন্তু ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং বা আধুনিক জীবনধারার যুগে এসে এই ধারণাও অনেকটাই বদলে গেছে। সকালবেলা যদি আপনার খিদে না পায়, তবে জোর করে খাওয়ার কোনো মানে নেই। সবার শরীর এক নয়; তাই নিজের শরীরের সিগন্যাল শুনে যখন খিদে পাবে, তখনই পুষ্টিকর খাবার খাওয়া উচিত।

ওজন কমানোর জন্য ক্যালোরি ডেফিসিট বা পরিমিত খাওয়া জরুরি ঠিক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে আপনাকে না খেয়ে থাকতে হবে। অতিরিক্ত কড়াকড়ি বা ড্রাস্টিক ডায়েট শরীরের মেটাবলিজম কমিয়ে দেয় এবং হরমোনের বারোটা বাজায়। ফলে আপনি দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়েন।

স্বাস্থ্য নিয়ে অতিরিক্ত আচ্ছন্ন না হয়ে ‘ব্যাক টু বেসিকস’ বা সহজ জীবনযাত্রায় ফিরে যাওয়াটাই সবচেয়ে বড় সমাধান। ক্যালোরি নিয়ে সারাক্ষণ হিসাব কষে মাথা নষ্ট না করে, মন দিয়ে খাবার উপভোগ করুন, শরীরের সিগন্যাল শুনুন এবং হাসিখুশি থাকুন। কারণ জীবনটা শুধু ওজন মাপার যন্ত্রে সংখ্যা কমানোর জন্য নয়, বরং ভালোভাবে বাঁচার জন্য।

সূত্র: হেলথ লাইন, ন্যাশনাল ইন্সটিটিউস অব হেলথ

সুখ তুমি কী, বড় জানতে ইচ্ছে করে...

সুখ তুমি কী, বড় জানতে ইচ্ছে করে…

রেস্তোরাঁয় সুস্বাদু খাবার টেবিলে আসার পর খাওয়ার আগে কী করি? হ্যাঁ, ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। শেষ যেবার সমুদ্রসৈকতের সূর্যাস্ত দেখে ফিরলেন, সেটা কেমন ছিল? খোলা চোখে দেখেছিলেন, নাকি মুঠোফোনের স্ক্রিনে সেই মুহূর্ত ধারণে ব্যস্ত ছিলেন?

আজকের রাশিফল: ভুল ধরা স্বভাবের কারণে প্রেমের মিষ্টি গন্ধ মুহূর্তেই বারুদ হয়ে যাবে

আজকের রাশিফল: ভুল ধরা স্বভাবের কারণে প্রেমের মিষ্টি গন্ধ মুহূর্তেই বারুদ হয়ে যাবে

আজকে মেজাজ থাকবে ফুটন্ত প্রেশার কুকারের মতো। সামান্য বিষয়েই শিষ দিয়ে ওঠার তীব্র সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। গ্রহদের যা অবস্থান, তাতে কাজের জায়গায় বসের সামনে বীরত্ব দেখাতে গিয়ে অতিরিক্ত কাজ নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে বসতে পারেন, তাই মুখটা একটু বন্ধ রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

একটি বেল্টেই বদলে যেতে পারে লুক

একটি বেল্টেই বদলে যেতে পারে লুক

ছোট্ট একটি অনুষঙ্গেই সাধারণ পোশাক হয়ে উঠতে পারে আকর্ষণীয়, পরিপাটি ও স্টাইলিশ। তেমনই একটি অনুষঙ্গ বেল্ট। একসময় প্যান্ট বা স্কার্ট কোমরে আটকে রাখতেই এর ব্যবহার বেশি দেখা গেলেও এখন এটি ফ্যাশনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জিনসের সঙ্গে চামড়ার বেল্ট, ঢিলেঢালা পোশাকের ওপর চওড়া বেল্ট কিংবা গয়নার মতো…