ভারতে পালানোর সময় দুই হত্যা মামলার আসামি ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৪:৩০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন ইদ্রিস আলী। কাগজপত্র ও ডাটাবেজ যাচাইয়ের সময় তাঁর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করা হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলা এবং ২০ আগস্ট দায়ের করা আরেকটি মামলা রয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলা দুটিতে হত্যা, হামলা ও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে ইদ্রিস আলীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও মামলার নথিতে রয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, ইদ্রিস আলী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য তাঁকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

ইদ্রিস আলীর সঙ্গে থাকা ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ইদ্রিস আলী দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অটোরিকশাচালককে ভেতরে নিয়ে ওই ব্যক্তিরা ২ হাজার ৫০০ টাকা দেন। বাইরে এসে অটোরিকশাচালক সুফিয়া বেগমকে বলেন, ‘চাচি, আমাকে আড়াই হাজার টাকা দিছে। আপনিও যান।’

বাগেরহাটের চিতলমারীতে মোবাইলের আলো জ্বেলে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার এবং অপচিকিৎসার অভিযোগে হাবিবা ক্লিনিক অ্যান্ড বারিশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্টদের বিচার ও রোগী লাভলী ঘরামীর ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চ

উপ-উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল স্থায়ীভাবে চক্রাকার বাস চালু করা। আমরা আজ থেকে সেটা করতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ থেকে চারটি বাস নিয়মিতভাবে চলাচল করবে।

জনপ্রিয় টার্গেট

ভারতে পালানোর সময় দুই হত্যা মামলার আসামি ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ০৪:৩০:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্রেপ্তার ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া থানার জামগড়া এলাকার মোহাম্মদ আলী আহমেদের ছেলে।

আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন ইদ্রিস আলী। কাগজপত্র ও ডাটাবেজ যাচাইয়ের সময় তাঁর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা থাকার তথ্য পাওয়া যায়। এরপর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করা হয়।

ইমিগ্রেশন পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে আটক করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট দায়ের করা একটি মামলা এবং ২০ আগস্ট দায়ের করা আরেকটি মামলা রয়েছে।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলা দুটিতে হত্যা, হামলা ও সংঘবদ্ধভাবে অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরের বিভিন্ন ঘটনার সঙ্গে ইদ্রিস আলীর সম্পৃক্ততার অভিযোগও মামলার নথিতে রয়েছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ জানান, ইদ্রিস আলী বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট মামলায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য তাঁকে আশুলিয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছে।

ইদ্রিস আলীর সঙ্গে থাকা ছোট বোন ও ভাগিনার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, ‘ইদ্রিস আলী দুটি হত্যা মামলার আসামি হিসেবে ভারতে যাওয়ার সময় আখাউড়া ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

অটোরিকশাচালককে ভেতরে নিয়ে ওই ব্যক্তিরা ২ হাজার ৫০০ টাকা দেন। বাইরে এসে অটোরিকশাচালক সুফিয়া বেগমকে বলেন, ‘চাচি, আমাকে আড়াই হাজার টাকা দিছে। আপনিও যান।’

বাগেরহাটের চিতলমারীতে মোবাইলের আলো জ্বেলে প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে অস্ত্রোপচার এবং অপচিকিৎসার অভিযোগে হাবিবা ক্লিনিক অ্যান্ড বারিশ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সংশ্লিষ্টদের বিচার ও রোগী লাভলী ঘরামীর ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয়রা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত উপজেলা পরিষদ চ

উপ-উপাচার্য জানান, শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল স্থায়ীভাবে চক্রাকার বাস চালু করা। আমরা আজ থেকে সেটা করতে পেরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ থেকে চারটি বাস নিয়মিতভাবে চলাচল করবে।