কয়রায় মাদকদ্রব্য আইনের ৬ মাসের কারাদণ্ড

কয়রায় গাঁজাসহ আটক দুইজনের ছয় মাসের কারাদণ্ড

খুলনার কয়রা উপজেলায় ৬৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক দুই ব্যক্তিকে সংক্ষিপ্ত বিচার শেষে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার কয়রা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ইসলামপুর গ্রামের চায়ের দোকানদার আলামিন হোসেন (৩৫) এবং গাজিনগর গ্রামের আব্দুস সালাম (১৯)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে ইসলামপুর চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৩৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে আলামিন হোসেনের চায়ের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৩০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার মোট পরিমাণ ছিল ৬৫ গ্রাম।

আটকের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামিকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

কয়রায় মাদকদ্রব্য আইনের ৬ মাসের কারাদণ্ড

কয়রায় গাঁজাসহ আটক দুইজনের ছয় মাসের কারাদণ্ড

প্রকাশ: ০৯:২৭:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

খুলনার কয়রা উপজেলায় ৬৫ গ্রাম গাঁজাসহ আটক দুই ব্যক্তিকে সংক্ষিপ্ত বিচার শেষে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বুধবার কয়রা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সঞ্জয় পাল এ রায় দেন। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন ইসলামপুর গ্রামের চায়ের দোকানদার আলামিন হোসেন (৩৫) এবং গাজিনগর গ্রামের আব্দুস সালাম (১৯)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার রাতে ইসলামপুর চৌরাস্তা এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে আব্দুস সালামের কাছ থেকে ৩৫ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। পরে আলামিন হোসেনের চায়ের দোকানে তল্লাশি চালিয়ে আরও ৩০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা গাঁজার মোট পরিমাণ ছিল ৬৫ গ্রাম।

আটকের পর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। শুনানি শেষে আদালত উভয় আসামিকে ছয় মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

কয়রা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ আলম বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান নিয়মিতভাবে চলমান রয়েছে। মাদক ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।