ইমানের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসার গভীর সম্পর্ক

  • দৈনিক টার্গেট
  • প্রকাশ: ০৮:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫ বার পঠিত হয়েছে

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘মুমিনদের কাছে নবী হলেন তাদের নিজেদের অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর।’ (সুরা আহজাব: ৬)। অর্থাৎ প্রিয় নবী (সা.)-কে ভালোবাসতে হবে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি। তিনি নিজের প্রাণের চেয়েও অধিক মূল্যবান।

সহিহ বুখারির এক হাদিসে এসেছে, হজরত ওমর (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমার জীবন ছাড়া সব জিনিস থেকে প্রিয়তম।’ জবাবে মহানবী (সা.) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ‘না, কসম সেই সত্তার যার হাতে আমার প্রাণ! যতক্ষণ না আমি তোমার কাছে তোমার জীবন থেকেও প্রিয়তর হতে পেরেছি, ততক্ষণ তুমি পূর্ণ মুমিন হতে পারো না।’ তখন ওমর (রা.) অকুণ্ঠচিত্তে বললেন, ‘এখন আপনি আমার জীবনের চেয়েও প্রিয়তম।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘হে ওমর! এখন তুমি পূর্ণ মুমিন।’

হাদিস শরিফে আরও এসেছে, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি)। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি এই সুগভীর ভালোবাসা মানুষকে নৈতিকভাবে উন্নত করে, অন্তরের অহংকার দূর করে এবং রবের সন্তুষ্টির পথে ধাবিত করে। পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী মোহের বিপরীতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হৃদয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসানোই মুমিনের সফলতার মূল চাবিকাঠি।

স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন

ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল কিংবা মুস্তাহাব—এ পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারিত করে যাননি। বরং কোরআন-সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে বিজ্ঞ ফকিহ ও মুজতাহিদ ইমামগণ গবেষণা করে এই পরিভাষাগুলো নির্ধারণ করেছেন।

মহানবী (সা.) আরবের সমাজে প্রচলিত বৈষম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা আমূল বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দরিদ্রদের দূর দূর না করে পরম স্নেহে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের উপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন এবং নিজেকেও চিরকাল তাদের কাতারে শামিল রাখতে ভালোবেসেছিলেন। হজরত জুলাইবিব (রা.) নামে এক সাধারণ সাহাবির জীবনের ঘটনাই এর বড়

জনপ্রিয় টার্গেট

খুবিতে দুই দিনব্যাপী ‘স্কলারশিপ ফেস্টিভ্যাল’

ইমানের সঙ্গে রাসুল (সা.)-এর ভালোবাসার গভীর সম্পর্ক

প্রকাশ: ০৮:৫২:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাআলা ঘোষণা করেছেন, ‘মুমিনদের কাছে নবী হলেন তাদের নিজেদের অপেক্ষা ঘনিষ্ঠতর।’ (সুরা আহজাব: ৬)। অর্থাৎ প্রিয় নবী (সা.)-কে ভালোবাসতে হবে নিজের জীবনের চেয়েও বেশি। তিনি নিজের প্রাণের চেয়েও অধিক মূল্যবান।

সহিহ বুখারির এক হাদিসে এসেছে, হজরত ওমর (রা.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আপনি আমার জীবন ছাড়া সব জিনিস থেকে প্রিয়তম।’ জবাবে মহানবী (সা.) স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, ‘না, কসম সেই সত্তার যার হাতে আমার প্রাণ! যতক্ষণ না আমি তোমার কাছে তোমার জীবন থেকেও প্রিয়তর হতে পেরেছি, ততক্ষণ তুমি পূর্ণ মুমিন হতে পারো না।’ তখন ওমর (রা.) অকুণ্ঠচিত্তে বললেন, ‘এখন আপনি আমার জীবনের চেয়েও প্রিয়তম।’ রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেন, ‘হে ওমর! এখন তুমি পূর্ণ মুমিন।’

হাদিস শরিফে আরও এসেছে, ‘তোমাদের কেউ ততক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ মুমিন হবে না, যতক্ষণ না আমি তার কাছে তার পিতা, সন্তান ও সব মানুষের চেয়ে অধিক প্রিয় হই।’ (সহিহ বুখারি)। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি এই সুগভীর ভালোবাসা মানুষকে নৈতিকভাবে উন্নত করে, অন্তরের অহংকার দূর করে এবং রবের সন্তুষ্টির পথে ধাবিত করে। পার্থিব জীবনের ক্ষণস্থায়ী মোহের বিপরীতে রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে হৃদয়ের সর্বোচ্চ আসনে বসানোই মুমিনের সফলতার মূল চাবিকাঠি।

স্রষ্টার এক অপূর্ব সৃষ্টি এই সুবিশাল মহাবিশ্ব। আর সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য মহান আল্লাহ তাআলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপহার হলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)। তিনি নির্দিষ্ট কোনো গোত্র, ভূখণ্ড বা সময়ের সীমারেখায় আবদ্ধ হয়ে আসেননি; বরং ধরণির বুকে আবির্ভূত হয়েছিলেন

ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নত, নফল কিংবা মুস্তাহাব—এ পরিভাষাগুলো সরাসরি আল্লাহ তাআলা বা তাঁর রাসুল (সা.) নির্ধারিত করে যাননি। বরং কোরআন-সুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াস সম্পর্কে বিজ্ঞ ফকিহ ও মুজতাহিদ ইমামগণ গবেষণা করে এই পরিভাষাগুলো নির্ধারণ করেছেন।

মহানবী (সা.) আরবের সমাজে প্রচলিত বৈষম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা আমূল বদলে দিয়েছিলেন। তিনি দরিদ্রদের দূর দূর না করে পরম স্নেহে বুকে টেনে নিয়েছিলেন, তাদের উপযুক্ত সামাজিক মর্যাদা দিয়েছেন এবং নিজেকেও চিরকাল তাদের কাতারে শামিল রাখতে ভালোবেসেছিলেন। হজরত জুলাইবিব (রা.) নামে এক সাধারণ সাহাবির জীবনের ঘটনাই এর বড়